📌 গুগল ক্লাউডের ইউরোপ-ওয়েস্ট২ তথ্যকেন্দ্রে কারিগরি সমস্যা সৃষ্টি করে ইউরোপের ব্যাংকিং, ডিজিটাল সেবা ও কার্ড লেনদেন ব্যাহত হয়েছে। যুক্তরাজ্যের রেভল্যুট ব্যাংকসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের সেবা প্রভাবিত হয়েছে
গুগল ক্লাউডের ইউরোপীয় তথ্যকেন্দ্রে সৃষ্ট কারিগরি বিভ্রাট ইউরোপ জুড়ে ব্যাংকিং সেবা থেকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম পর্যন্ত ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত গুগলের তথ্যকেন্দ্রে সমস্যা দেখা দিলে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অনলাইন ব্যাংকিং, কার্ড লেনদেন এবং ডিজিটাল সেবা ব্যাহত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাজ্যের লন্ডনে গুগল ক্লাউডের ‘ইউরোপ-ওয়েস্ট২’ তথ্যকেন্দ্রে কারিগরি ত্রুটি সৃষ্টি করে সেবা ব্যাহত
- 📌 রেভল্যুট ব্যাংকসহ যুক্তরাজ্য ও জার্মানির একাধিক প্রতিষ্ঠানের অনলাইন ব্যাংকিং, এটিএম, কার্ড লেনদেন ব্যাহত
- 📌 গুগল প্রকৌশলীরা সমস্যার কারণ অনুসন্ধান করছেন, তবে সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো হয়নি
- 📌 গুগল ক্লাউডের বাজার অংশ ১৪ শতাংশ, অ্যামাজন ও মাইক্রোসফ্টের তুলনায় কম হলেও এর বিভ্রাটের প্রভাব ব্যাপক
- 📌 বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একক তথ্যকেন্দ্রের নির্ভরতা ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকি
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত গুগল ক্লাউডের তথ্যকেন্দ্রে সৃষ্ট কারিগরি সমস্যা ইউরোপের ব্যাংকিং ও ডিজিটাল সেবা ব্যবস্থাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। রেভল্যুট ব্যাংকসহ যুক্তরাজ্য ও জার্মানির একাধিক প্রতিষ্ঠানের অনলাইন ব্যাংকিং, কার্ড লেনদেন এবং এটিএম থেকে নগদ তোলার সেবা ব্যাহত হয়েছে। রেভল্যুট ব্যাংক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছে, তাদের গ্রাহকদের অর্থ ও ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপদ রয়েছে, তবে কার্ড লেনদেন এবং এটিএম সেবায় সমস্যা দেখা দিয়েছে।
জার্মানির আইএনজি ব্যাংক জানিয়েছে, তাদের গ্রাহকরা অনলাইন ব্যাংকিং এবং মোবাইল অ্যাপে প্রবেশ করতে সমস্যায় পড়ছেন। যুক্তরাজ্যের আরও কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানও একই সমস্যার কথা জানিয়েছে। তবে সব প্রতিষ্ঠানের সমস্যার কারণ একই কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। গুগল প্রকৌশলীরা সমস্যার কারণ অনুসন্ধান করছেন, তবে সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
বিশ্বের ক্লাউড অবকাঠামো সেবার বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস (২৮ শতাংশ), মাইক্রোসফ্ট (২১ শতাংশ) এবং গুগল ক্লাউড (১৪ শতাংশ)। গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিনার্জি রিসার্চ গ্রুপের ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের হিসাব অনুযায়ী, এই তিনটি প্রতিষ্ঠানই বৈশ্বিক ক্লাউড অবকাঠামো বাজারে প্রধান ভূমিকা পালন করছে। তবে একক তথ্যকেন্দ্রের নির্ভরতা বড় ঝুঁকি তৈরি করে। কোনো একটি অঞ্চলে ত্রুটি দেখা দিলে একসঙ্গে ব্যাংকিং, ব্যবসা ও অনলাইন সেবা ব্যাহত হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিকল্প অবকাঠামো, একাধিক অঞ্চলে তথ্য সংরক্ষণ এবং জরুরি পুনরুদ্ধারব্যবস্থা শক্তিশালী করা ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
"একাধিক সেবায় সমস্যা দেখা দিয়েছে, তবে গ্রাহকদের অর্থ ও ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপদ রয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লন্ডন (যুক্তরাজ্য), জার্মানি, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গুগল প্রকৌশলীরা, রেভল্যুট ব্যাংকের গ্রাহকদের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ অক্টোবর, ২৮ শতাংশ (অ্যামাজন), ২১ শতাংশ (মাইক্রোসফ্ট), ১৪ শতাংশ (গুগল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!