📌 বিশ্ববাজারে পারসোনাল কম্পিউটারের সরবরাহ তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ২০.১ শতাংশ কমেছে। আইডিসি গবেষণায় দেখা গেছে, আগাম পণ্য মজুত এবং যন্ত্রাংশ মূল্যবৃদ্ধির কারণে সরবরাহে ব্যাপক পতন ঘটেছে। এইচপি, ডেল ও লেনোভোর সরবরাহ সর্বাধিক কমেছে
বিশ্ববাজারে পারসোনাল কম্পিউটার (পিসি) সরবরাহে তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ২০.১ শতাংশেরও বেশি পতন ঘটেছে। বাজার গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ডেটা কর্পোরেশন (আইডিসি) প্রকাশিত প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে বিশ্ববাজারে সরবরাহ করা হয়েছে মাত্র ৬ কোটি ২৭ লাখ ইউনিট পিসি। গত বছরের একই সময়ে সরবরাহ ছিল ৭ কোটি ৮৫ লাখ ইউনিট। সাধারণত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে পিসির চাহিদা বাড়ে, কিন্তু এই বছর সেই প্রবণতা দেখা যায়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিশ্ববাজারে তৃতীয় প্রান্তিকে পিসি সরবরাহ ২০.১ শতাংশ কমেছে (৬.২৭ কোটি ইউনিট vs ৭.৮৫ কোটি ইউনিট)
- 📌 আগাম পণ্য মজুত ('পুল-ইন হ্যাংওভার') এবং যন্ত্রাংশ মূল্যবৃদ্ধির কারণে সরবরাহে পতন
- 📌 দ্বিতীয় প্রান্তিকের তুলনায় তৃতীয় প্রান্তিকে সরবরাহ কমেছে ৯.১ শতাংশ (স্বাভাবিক প্রবণতার ব্যতিক্রম)
- 📌 এইচপির সরবরাহ ৩০.৯ শতাংশ, ডেলের ২৫ শতাংশ, লেনোভোর ২২.৬ শতাংশ কমেছে
- 📌 অ্যাপল ও আসুসের সরবরাহ কমেছে যথাক্রমে ১১.৩ শতাংশ ও ৮.৬ শতাংশ
📰 বিস্তারিত
বিশ্লেষকদের মতে, বছরের প্রথমার্ধে আগাম পণ্য মজুতের প্রভাব এখন বাজারে প্রতিফলিত হচ্ছে। দাম বাড়ার আশঙ্কায় নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ও বিক্রেতারা আগেভাগে বিপুল পরিমাণ পিসি কিনে রেখেছিলেন। এতে গুদামে অবিক্রীত পণ্যের মজুত বেড়ে গেছে। ফলে কারখানাগুলো নতুন পিসি সরবরাহের অর্ডার পাচ্ছে না। আইডিসির গবেষণা পরিচালক জিতেশ উব্রানি বলেছেন, “আগাম পণ্য মজুতের কারণে বাজারের স্বাভাবিক বিক্রির ধারা ব্যাহত হয়েছে। দাম বাড়ার আশঙ্কায় আগেভাগে পণ্য কেনা হয়েছিল, ফলে এখন সরবরাহ কমে গেছে।”
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার সম্ভাবনা ছিল। বিশেষ করে মেমোরি ও তথ্য সংরক্ষণ যন্ত্রাংশের মূল্যবৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে পিসির দামে। ফলে অনেক ক্রেতা নতুন কম্পিউটার কেনার সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দিচ্ছেন। এতে বাজারে চাহিদা আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বাজারের মন্দার প্রভাব পড়েছে প্রধান ব্র্যান্ডগুলোর ওপর। এইচপি সর্বাধিক ৩০.৯ শতাংশ সরবরাহ কমিয়েছে, ডেল ২৫ শতাংশ, লেনোভো ২২.৬ শতাংশ। তবে অ্যাপল ও আসুসের সরবরাহ তুলনামূলক কম হারে কমেছে (১১.৩ শতাংশ ও ৮.৬ শতাংশ)।
"বছরের প্রথমার্ধে আগাম পণ্য মজুতের প্রভাবই এখন বাজারে দেখা যাচ্ছে। দাম বাড়ার আশঙ্কায় নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ও বিক্রেতারা আগেভাগে বিপুল পরিমাণ পণ্য কিনে রেখেছিলেন। এতে পিসি বাজারের স্বাভাবিক বিক্রির ধারায় ব্যাঘাত ঘটেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিশ্ববাজার (জুলাই-সেপ্টেম্বর তৃতীয় প্রান্তিক)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জিতেশ উব্রানি (আইডিসি গবেষণা পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০.১% (সরবরাহ কমে গেছে), ৬.২৭ কোটি ইউনিট (বর্তমান সরবরাহ), ৭.৮৫ কোটি ইউনিট (গত বছরের সরবরাহ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!