📌 বিশ্বের অনেক দেশে ফল রপ্তানি নিষিদ্ধ নয়, কিন্তু তাজা ফল নিয়ে ভ্রমণ করা যাবে না। জীববিজ্ঞানী ড. রেজাউর রহমানের আবিষ্কৃত গামা রশ্মি পদ্ধতি ব্যবহার করে ফল নিষ্ক্রিয় করা হয়, যা শূককীটের মস্তিষ্কের ৮০% সংকুচিত করে। এ পদ্ধতি যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসডিএ গ্রহণ করেছে
বিশ্বের অনেক দেশে ফল রপ্তানি নিষিদ্ধ নয়, কিন্তু তাজা ফল নিয়ে ভ্রমণ করা যাবে না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জীববিজ্ঞানী রেজাউর রহমানের গবেষণার কথা উল্লেখযোগ্য। তিনি দেখিয়েছেন, ফল রপ্তানির সময় গামা রশ্মি ব্যবহার করে শূককীটের ডিম ও লার্ভা নিষ্ক্রিয় করা হয়। তবে প্রশ্ন উঠে, কীভাবে নিশ্চিত করা যায় যে ফল যথাযথভাবে নিষ্ক্রিয় হয়েছে?
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৮০ শতাংশ মস্তিষ্ক সংকুচিত: গামা রশ্মি প্রয়োগে ফলের ভেতরে অবস্থানরত শূককীটের মস্তিষ্কের আয়তন ৮০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়, ফলে তা বংশবৃদ্ধি করতে পারে না।
- 📌 ১ মিনিটের পরীক্ষা পদ্ধতি: ড. রেজাউর রহমান ১৯৮৭ সালে আবিষ্কার করেন এই সহজ পদ্ধতি, যা যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসডিএ গ্রহণ করেছে।
- 📌 বিশ্বের নিরাপত্তা আইন: অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপসহ অনেক দেশে ফল রপ্তানি নিষিদ্ধ নয়, কিন্তু তাজা ফল নিয়ে ভ্রমণ করা যাবে না।
- 📌 আইএইএ স্কলারশিপ: ড. রেজাউর রহমান ভিয়েনায় গিয়ে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সহায়তায় গবেষণা করেছেন।
📰 বিস্তারিত
আমেরিকায় যাত্রী হিসেবে যদি আপনি তাজা ফল নিয়ে যেতে চান, তাহলে এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষ তা নিষিদ্ধ করবে। কারণ, ফলের মধ্যে থাকা পোকা বা অণুজীব দেশের পরিবেশে বিপদ সৃষ্টি করতে পারে। তবে ফল রপ্তানি করার ক্ষেত্রে এই সমস্যা নেই। কারণ, ফল নিষ্ক্রিয় করার জন্য গামা রশ্মি ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতিতে শূককীটের ডিম ও লার্ভা নিষ্ক্রিয় করা হয়, ফলে তা বংশবৃদ্ধি করতে পারে না।
বিশেষজ্ঞ ড. রেজাউর রহমানের গবেষণায় দেখা যায়, গামা রশ্মি প্রয়োগে শূককীটের মস্তিষ্কের আয়তন ৮০ শতাংশ পর্যন্ত সংকুচিত হয়ে যায়। এই পদ্ধতির মাধ্যমে ফলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। তিনি ১৯৮৭ সালে এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেন এবং আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সহায়তায় ভিয়েনায় গবেষণা করেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসডিএ এই পদ্ধতি গ্রহণ করে এবং হাওয়াই থেকে আমদানি করা ফলগুলির নিরাপত্তা পরীক্ষার জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার শুরু করে।
তবে, যাত্রীদের সঙ্গে তাজা ফল নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ থাকার কারণ হলো, এয়ারপোর্টে প্রতিটি ফল পরীক্ষা করার ব্যবস্থা নেই। ফলে, ফল নিয়ে ভ্রমণ করা যাবে না। তবে, রপ্তানির ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে ফল নিরাপদে পরিবহন করা হয়।
"যদি পরিমিত গামা রশ্মি প্রয়োগ করা হয়, তাহলে ফলের ভেতরে অবস্থানরত একটি শূককীটের মস্তিষ্কের আয়তন ৮০ শতাংশ পর্যন্ত সংকুচিত হয়ে যাবে। তখন বলে দেওয়া যাবে যে ফলের চালান যথাযথভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে কি না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ, ভিয়েনা, হাওয়াই
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. রেজাউর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!