📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ই-সেবা ও বাণিজ্যিক বুথে নারীদের ব্যক্তিগত তথ্য হ্যাকের শিকার: ডিজিটাল হয়রানির রেকর্ড

ই-সেবা ও বাণিজ্যিক বুথে নারীদের ব্যক্তিগত তথ্য হ্যাকের শিকার: ডিজিটাল হয়রানির রেকর্ড

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে ই-সেবা ও বাণিজ্যিক বুথ থেকে নারীদের ফোন নম্বর ও ব্যক্তিগত তথ্য অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ফাঁস হচ্ছে। গবেষণা অনুযায়ী ৬১% নারী অননুমোদিত কল ও বার্তার শিকার হন। ডিজিটাল হয়রানির বিরুদ্ধে শক্ত আইন প্রয়োজন বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা

বাংলাদেশে ই-সেবা ও বাণিজ্যিক বুথ থেকে নারীদের ব্যক্তিগত তথ্য অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ফাঁস হচ্ছে এবং তাদেরকে ডিজিটাল হয়রানির শিকার করছে। ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় নারীদের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, সেবা গ্রহণের সময় দেওয়া ফোন নম্বর ও তথ্য তৃতীয় পক্ষের কাছে ছড়িয়ে পড়ছে। এই তথ্য ফাঁসের কারণে নারীদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে এবং তারা সেবা গ্রহণে সাবধান হয়ে পড়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঢাকার বেসরকারি চাকরিজীবী **আইভি আক্তার** মেলায় ফোন নম্বর দিলে তার নম্বর **মার্কেটিং এজেন্সি ও থার্ড পার্টি**দের কাছে ছড়িয়ে পড়ে, ফলে দিন-রাত কল ও স্প্যাম বার্তা আসে
  • 📌 **ক্যান্টনমেন্টের গৃহিণী নার্গিস চাঁদনী** সুপারশপে ক্যাশব্যাক অফারের জন্য ফোন নম্বর দিলে **দিনে ৫-১০টি অচেনা কল** আসতে শুরু করে
  • 📌 **সালমা খাতুনের** (ছদ্মনাম) **জন্মনিবন্ধন ও নাগরিক সনদ** আবেদনের সময় দেওয়া ফোন নম্বর থেকে **অনাকাঙ্ক্ষিত কল** আসে, যা তাকে মানসিক চাপ দেয়
  • 📌 **সিপিডি গবেষণা** অনুযায়ী, **৬১% নারী** সেবা নেওয়ার পর অননুমোদিত কল ও বার্তার শিকার হন
  • 📌 **৭৩.২% নারী** মনে করেন তাদের তথ্য **হ্যাক বা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়তে পারে
  • 📌 মাত্র **৩৩.৩২% নারী** সরকারি পোর্টালে তথ্য দেওয়াকে নিরাপদ মনে করেন
  • 📌 **ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক সাইফউদ্দিন আহমেদ** বলেন, তথ্য ফাঁস হওয়া **নাগরিকের অধিকার লঙ্ঘন** এবং **শক্ত ডাটা প্রোটেকশন আইন প্রয়োজন

📰 বিস্তারিত

ঢাকার একটি আবাসন মেলায় বেসরকারি চাকরিজীবী **আইভি আক্তার** তার পরিবারের সঙ্গে গিয়েছিলেন। মেলায় রিয়েল এস্টেট কোম্পানির বুকিং স্টলে তার নাম ও ফোন নম্বর লিখে এসেছিলেন তিনি। কিন্তু মেলা শেষ হওয়ার পর থেকেই তার নম্বরটি **মার্কেটিং এজেন্সি ও থার্ড পার্টি**দের কাছে ছড়িয়ে পড়ে। দিন-রাত কল ও কুরুচিপূর্ণ মেসেজ আসতে থাকে। আইভি বলেন, ‘আমি কোথায় নম্বর দেব আর কোথায় দেব না, তা নিয়ে চরম আতঙ্কে থাকি।’

একই ধরনের অভিজ্ঞতা **ক্যান্টনমেন্টের গৃহিণী নার্গিস চাঁদনী**রও। তিনি একটি ব্রান্ডেড সুপারশপে কেনাকাটা করেন এবং বিল পরিশোধের সময় ‘মেম্বারশিপ পয়েন্ট ও ক্যাশব্যাক অফার’র কথা বলে তার মোবাইল নম্বর নেওয়া হয়। এরপর থেকেই তার মোবাইলে **দিনে ৫-১০টি অচেনা কল** আসতে শুরু করে। তিনি বলেন, ‘একটা ক্যাশব্যাক অফারের জন্য নম্বর দেওয়ার পর থেকে দিনে ৫-১০টা অচেনা নম্বর থেকে কল আসছে। এমনকি রাতেও অনাকাঙ্ক্ষিত কল আসছে।’

**সালমা খাতুনের** (ছদ্মনাম) অভিজ্ঞতা আরও করুণ। তিনি একটি সামাজিক ভাতার আবেদন করতে গেলে **জন্মনিবন্ধন ও নাগরিক সনদ** আবেদনের সময় দেওয়া তার ফোন নম্বর থেকে **অনাকাঙ্ক্ষিত কল** আসতে থাকে। তিনি বলেন, ‘আমি সন্তানকে মায়ের কাছে রেখে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকি, কিন্তু ফোনে কল আসার ভয়ে মনে অন্য এক আতঙ্ক থাকে।’

সিপিডির গবেষণা ফেলো **তামিম আহমেদ** বলেন, ‘আমাদের গবেষণায় দেখা যায়, **৬১% নারী** সেবা নেওয়ার পর অননুমোদিত কল ও বার্তার শিকার হন। **৭৩.২% নারী** মনে করেন তাদের তথ্য হ্যাক বা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়তে পারে। মাত্র **৩৩.৩২% নারী** সরকারি পোর্টালে তথ্য দেওয়াকে নিরাপদ মনে করেন।’

বেসরকারি সংস্থা **ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক সাইফউদ্দিন আহমেদ** বলেন, ‘নাগরিক যখন বিশ্বাস করে সরকার বা প্রতিষ্ঠিত সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে তথ্য দিচ্ছেন, তখন সেই তথ্য তৃতীয় পক্ষের কাছে ফাঁস হওয়া **নাগরিকের অধিকার লঙ্ঘন**। বিশেষ করে প্রান্তিক নারীদের এই অনাকাঙ্ক্ষিত যোগাযোগ **মানসিক ও সামাজিক বাধা** সৃষ্টি করে। এটি রোধে **শক্ত ডাটা প্রোটেকশন আইন প্রয়োজন।’

"আমি কোথায় নম্বর দেব আর কোথায় দেব না, তা নিয়ে চরম আতঙ্কে থাকি। আমার ফোন নম্বরটি যেভাবে অন্যান্য মার্কেটিং এজেন্সি ও থার্ড পার্টির কাছে ছড়িয়ে পড়েছে, তাতে কোথায় নম্বর দেব আর কোথায় দেব না, তা নিয়ে চরম আতঙ্কে থাকি।" — **আইভি আক্তার**

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, ক্যান্টনমেন্ট, উপজেলা সদর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইভি আক্তার, নার্গিস চাঁদনী, সালমা খাতুনের, তামিম আহমেদ, সাইফউদ্দিন আহমেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬১% (নারী অননুমোদিত কলের শিকার), ৭৩.২% (তথ্য হ্যাকের ভয়ে), ৩৩.৩২% (গভীর নিরাপদ মনে করেন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖