📌 তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে বলেছেন, ডিজিটাল যুগে অপতথ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার মোকাবেলায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশ ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি তথ্য সত্যতা যাচাই ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের দাবি জোরালো করেছেন
ডিজিটাল যুগে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিতকরণ এবং অপতথ্য প্রতিরোধে বিশ্বের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার দাবি জোরালো করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তথ্য কমিশনের আয়োজিত আলোচনাসভায় তিনি বলেছেন, তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি অপতথ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডিজিটাল যুগে অপতথ্যের বিস্তার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তথ্য সত্যতা যাচাই ও দায়িত্বশীল তথ্য পরিবেশনের ওপর জোর দিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।
- 📌 সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্য শেয়ার করার আগে সত্যতা যাচাই করা অপরিহার্য, অন্যথায় ব্যক্তি থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পর্যন্ত নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
- 📌 গণমাধ্যম ও রাজনীতিবিদদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি, তথ্য পরিবেশনের ক্ষেত্রে সত্যতা নিশ্চিতকরণ অপরিহার্য।
- 📌 অপতথ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার থেকে সমাজকে রক্ষা করতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব রাষ্ট্রের ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপের দাবি করেছেন প্রতিমন্ত্রী।
- 📌 অনলাইন হেয়প্রতিপন্নতা ও পরিচয় চুরির বিরুদ্ধে সতর্কতা জোরালো করেছেন তিনি, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের অধিকার রক্ষায় তথ্য সত্যতা নিশ্চিতকরণের দাবি তুলেছেন।
📰 বিস্তারিত
আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস-২০২৬ উপলক্ষে তথ্য কমিশনের হলরুমে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, ডিজিটাল যুগে তথ্যের কোনো অভাব নেই, কিন্তু সঠিক তথ্যের পাশাপাশি অপতথ্য ও অসত্য তথ্যের বিস্তার বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, তথ্য জানার অধিকার সবারই আছে, তবে সেই তথ্য হতে হবে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য। ভুল তথ্য ব্যক্তি থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পর্যন্ত নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী তথ্য সত্যতা যাচাই ও দায়িত্বশীল তথ্য পরিবেশনের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্য শেয়ার করার আগে সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন। অনেক সময় মানুষ অজান্তেই ভুল তথ্য শেয়ার করেন। তিনি গণমাধ্যমের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সঠিক তথ্য যাচাই করে তা জনগণের সামনে তুলে ধরার দায়িত্ব রয়েছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক নেতা, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ নাগরিকদেরও তথ্য ব্যবহারে দায়িত্বশীল হতে হবে।
তিনি বলেন, অপতথ্যের কারণে ব্যক্তি ও পরিবারের ওপরও গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে নারী ও শিশুসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধনেও বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের ছবি ও পরিচয় ব্যবহার করে তাদের হেয়প্রতিপন্ন ও মানহানি করা হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন।
"আমরা যদি এখন থেকেই সতর্কতা অবলম্বন না করি, তাহলে এই অপতথ্য, অসত্য তথ্য এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের অপব্যবহারের জন্য পৃথিবী একদিন হুমকির মুখে পড়বে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তথ্য কমিশনের হলরুম, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ সেপ্টেম্বর (আলোচনাসভা), ৩০ সেপ্টেম্বর (প্রকাশিত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!