📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে ‘কমপাস ২০২৬’ নামে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন। এআই, সাইবার নিরাপত্তা ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং নিয়ে ৬১৬টি গবেষণাপত্রের মধ্যে ২১২টি গৃহীত হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা গবেষণার গুরুত্ব ও বাস্তব সমস্যার সমাধানে প্রযুক্তির প্রয়োগের উপর জোর দিয়েছেন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা একাডেমিতে আজ শুক্রবার সকালে ‘আইইইই থার্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন কম্পিউটিং, অ্যাপ্লিকেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস (কমপাস ২০২৬)’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। এই দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার নিরাপত্তা, কম্পিউটার ভিশন ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং নিয়ে আলোচনা-বিবাদ চলবে। আইইইই কম্পিউটার সোসাইটি বাংলাদেশ চ্যাপ্টার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগ যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৬১৬টি গবেষণাপত্রের মধ্যে ২১২টি** গৃহীত হয়েছে এই সম্মেলনে।
- 📌 **উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে** ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) **অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী** বলেছেন, গবেষণার মান মূল্যায়ন করতে হবে গবেষণার প্রশ্নের গুরুত্ব, ফলাফলের পুনরুৎপাদনযোগ্যতা ও মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাবের উপর ভিত্তি করে।
- 📌 **ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক উপমা কবির** বলেছেন, আধুনিক গবেষণায় কম্পিউটিং, এআই, যোগাযোগ প্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তা বাস্তব সমস্যার সমাধানে কাজে লাগাতে হবে।
- 📌 **সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আবদুর রাজ্জাক** বলেছেন, এআই ও আধুনিক গবেষণার জন্য শক্তিশালী গ্রাফিকস প্রসেসিং ইউনিট (জিপিইউ)-ভিত্তিক উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং অবকাঠামো প্রয়োজন।
- 📌 **মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন** করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট ডালাসের অধ্যাপক লতিফুর খান।
📰 বিস্তারিত
‘কমপাস ২০২৬’ হলো কমপাসের তৃতীয় আসর। এই সম্মেলনে বুদ্ধিমান ব্যবস্থা, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং, ভিজ্যুয়াল কম্পিউটিং, ডেটা বিশ্লেষণ, নেটওয়ার্ক ও নিরাপত্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এবং বাস্তব ব্যবস্থায় ব্যবহৃত প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইইইই বাংলাদেশ সেকশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ইমামুল হাসান ভূঁইয়া।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। তারা গবেষণার গুরুত্ব ও বাস্তব সমস্যার সমাধানে প্রযুক্তির প্রয়োগের উপর জোর দিয়েছেন। বিশেষ করে, **সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আবদুর রাজ্জাক** বলেছেন, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সঙ্গে বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
আগামীকাল শনিবার সম্মেলনের শেষ দিনে মূল প্রবন্ধ, কারিগরি অধিবেশন ও প্লেনারি আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনে দেশ-বিদেশের গবেষকদের অংশগ্রহণের আশা করা হচ্ছে।
"গবেষণার প্রশ্নের গুরুত্ব, ফলাফলের পুনরুৎপাদনযোগ্যতা এবং মানুষের জীবনে গবেষণার ইতিবাচক প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলা একাডেমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, অধ্যাপক উপমা কবির, অধ্যাপক মো. আবদুর রাজ্জাক, অধ্যাপক লতিফুর খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬১৬টি গবেষণাপত্র জমা, ২১২টি গৃহীত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!