📌 কলেজে পড়া দুই ভাই সাবিক ও শাফি বিন সুলতান করোনা কালে তৈরি রোবট থেকে শুরু করে এজেন্টিকহায়ার নামে একটি স্টার্টআপ গড়ে তোলেন এবং ৩০ হাজার ডলার বিনিয়োগ পান। তাদের উদ্যোগটি এআই ভিত্তিক চাকরির প্রাথমিক বাছাইয়ে কাজ করবে
কলেজে পড়া দুই ভাই সাবিক বিন সুলতান ও শাফি বিন সুলতান করোনা কালে তৈরি রোবট থেকে শুরু করে এখন এজেন্টিকহায়ার নামে একটি স্টার্টআপের মাধ্যমে ৩০ হাজার ডলারের বিনিয়োগ পেয়েছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তারা চাকরিদাতাদের জন্য এআই ভিত্তিক প্রাথমিক চাকরি বাছাইয়ের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 করোনা কালে তৈরি রোবট থেকে শুরু করে সাবিক ও শাফি বিন সুলতান এজেন্টিকহায়ার স্টার্টআপ গড়ে তোলেন
- 📌 সিঙ্গাপুরের ইয়ুথ ফাউন্ডার সামিটে অংশ নিয়ে ৩০ হাজার ডলার বিনিয়োগ পান
- 📌 এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে চাকরির প্রাথমিক বাছাইয়ের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছেন তারা
- 📌 এজেন্টিকহায়ারকে বিনিয়োগ করেছেন প্রাইম ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, গার্ডিয়ান লাইফ ইনস্যুরেন্সসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান
- 📌 আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের ইয়ুথ ফেলোশিপে অংশগ্রহণ করেন
📰 বিস্তারিত
দুই ভাইয়ের বাবা সুলতান মহিউদ্দিন ভূঁইয়া ও মা রোখশানা আফরোজের সন্তান সাবিক ও শাফি বিন সুলতান। ছোটবেলায় তারা খেলনা গাড়ির কলকবজা খুলে আবার জোড়া লাগানোর চেষ্টা করতেন। করোনা কালে বাবা সুলতান মহিউদ্দিন ভূঁইয়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে আলাদা ঘরে আইসোলেশনে থাকলে তারা একটি লাইন-ফলোয়িং রোবট তৈরি করেন। এই রোবটের মাধ্যমে খাবার বাবার কাছে পৌঁছে দিত। এই সময়েই তারা ইউটিউব ও গিটহাব থেকে সি++, জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা ও ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে শুরু করেন।
২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ডেলাওয়ারের ডায়মন্ড চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তারা ‘ব্লুশিল্ড ফিল্টার’ প্রকল্পের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পদার্পণ করেন। কার্বন ন্যানোপার্টিকেল দিয়ে পানি পরিশোধনের ধারণা নিয়ে তারা সেরা পাঁচে স্থান পান। এরপর তারা সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের ইয়ুথ ফেলোশিপে অংশগ্রহণ করেন। এই ১০ দিনের কর্মসূচিতে ২০০ শিক্ষার্থীর সাথে কাজ করার মাধ্যমে তারা নেতৃত্ব ও উদ্ভাবনের প্রতি আগ্রহ জন্মান।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সিঙ্গাপুরের ইয়ুথ ফাউন্ডার সামিট (ওয়াইএফএস) কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তারা এজেন্টিকহায়ার স্টার্টআপের জন্ম দেন। এশিয়ার ১১টি দেশের ৭০ জনেরও বেশি তরুণদের মধ্যে তারা সেরা তিনটি স্টার্টআপের মধ্যে স্থান পান। এই কর্মসূচিতে তাদের সহায়তা করেছিল ওয়েভস্পার্কস, সিঙ্গাপুর ম্যানেজমেন্ট ইউনিভার্সিটি এবং বিয়ন্ডএক্স ল্যাব।
"এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে চাকরির প্রাথমিক বাছাইয়ের কাজটি এখন থেকে সহজ হবে। আমরা চাকরিদাতাদের জন্য একটি সুবিধাজনক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছি যাতে তারা সহজেই প্রার্থীদের বাছাই করতে পারেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাবিক বিন সুলতান, শাফি বিন সুলতান, সুলতান মহিউদ্দিন ভূঁইয়া, রোখশানা আফরোজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ হাজার ডলার বিনিয়োগ, ২০০ শিক্ষার্থী, ১০ দিনের কর্মসূচি, ১১টি দেশ, ৭০ জন তরুণ, ৩টি সেরা স্থান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!