📌 বিল গেটস বলেছেন, কোডার, বায়োলজিস্ট ও এনার্জি এক্সপার্টের চাকরি এআই করতে পারবে না। বাংলাদেশে আরও অনেক পেশা আছে যেখানে এআই এখনো অক্ষম। এআই ও জব এক্সপার্ট হুমায়ুন শরিফ বলেছেন, ছিনতাই, পকেটমার, তেলবাজি, চাঁদাবাজি, মববাজি, দালালি, ঘটকালি, মাস্তানি, কাবাডি খেলা, ঘর মোছা — এসব পেশায় এআই এখনো শিক্ষানবিশ
বিল গেটসের মতে, কোডার, বায়োলজিস্ট এবং এনার্জি এক্সপার্টের চাকরি এআই এখনো করতে পারছে না। কিন্তু বাংলাদেশে এআইয়ের অক্ষমতার তালিকা আরো দীর্ঘ। এআই ও জব এক্সপার্ট হুমায়ুন শরিফের মতে, বাংলাদেশের অনেক পেশায় এআই এখনো প্রবেশ করতে পারছে না। তিনি বলেছেন, ছিনতাই, পকেটমার, তেলবাজি, চাঁদাবাজি, মববাজি, দালালি, ঘটকালি, মাস্তানি, কাবাডি খেলা, ঘর মোছা — এসব পেশায় এআই এখনো শিক্ষানবিশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিল গেটস বলেছেন, কোডার, বায়োলজিস্ট ও এনার্জি এক্সপার্টের চাকরি এআই এখনো করতে পারছে না।
- 📌 বাংলাদেশে ১৫টি পেশা আছে যেখানে এআই এখনো অক্ষম — ছিনতাই, পকেটমার, তেলবাজি, চাঁদাবাজি, মববাজি, দালালি, ঘটকালি, মাস্তানি, কাবাডি খেলা, ঘর মোছা, নারকেল পাড়া, ডাব পাড়া, মোহাম্মদপুরের ছিনতাই, মিরপুরের ক্লিনিক ভেঙে সমান করা।
- 📌 হুমায়ুন শরিফ বলেছেন, এআই পকেটমারকে জিজ্ঞেস করবে ‘অনুমতি আছে কি?’ কিন্তু পকেটমার জানে কোন পকেটে কী থাকে।
- 📌 তেলবাজ ‘স্যার, আপনিই আমাদের একমাত্র ভরসা’ বলতে হয়, কিন্তু এআই সত্যি কথা বলে ফেলবে, ‘আপনার প্রতিশ্রুতি এখনো পূরণ হয়নি’।
- 📌 চাঁদাবাজ চাঁদা আদায় করতে হয় গলার স্বরে, চোখের চাহনিতে — এআই সব সময় এক সুরে কথা বলে।
- 📌 মববাজি করতে হয় দল বেঁধে রাস্তায় নামা, চিৎকার করা — এআই একলা।
- 📌 দালাল দুই পক্ষকে আলাদা কথা বলে, কিন্তু এআই সবাইকে একই তথ্য দেবে।
- 📌 কাবাডি খেলোয়াড়ের মতো দৌড়, ধরা, শ্বাস আটকানো — এআইয়ের শ্বাস নেই।
- 📌 ঘর মোছা, চুল আঁচড়ানো — এসব কাজে এআই সাহায্য করতে পারে, কিন্তু নিজে করতে গেলে লোকেরা হাসবে।
📰 বিস্তারিত
বিল গেটসের মতে, কোডিং, জীববিজ্ঞান গবেষণা এবং জ্বালানি বিশেষজ্ঞের চাকরি এআই এখনো করতে পারছে না। কিন্তু বাংলাদেশের পেশাগুলোর তালিকা আরো বিস্তৃত। এআই ও জব এক্সপার্ট হুমায়ুন শরিফের মতে, বাংলাদেশের অনেক পেশায় এআই এখনো অক্ষম। তিনি বলেছেন, ছিনতাইকারী ছিনতাই করতে লাগে সাহস, অস্ত্র, মরিয়া ভাব এবং স্থানীয় মাস্তানদের সঙ্গে সংযোগ — এসব এআই পারবে না।
পকেটমার পকেট মারতে হয় নরম হাতে, ভিড়ের মধ্যে। এআই পকেটে হাত দিয়ে জিজ্ঞেস করবে, ‘অনুমতি আছে কি?’ কিন্তু পকেটমার জানে কোন পকেটে কী থাকে। এআই সবাইকে স্ক্যান করে, কিন্তু হাত বাড়ায় না। তেলবাজ ‘স্যার, আপনিই আমাদের একমাত্র ভরসা’ বলতে হয়, কিন্তু এআই সত্যি কথা বলে ফেলবে, ‘আপনার প্রতিশ্রুতি এখনো পূরণ হয়নি’।
চাঁদাবাজ চাঁদা আদায় করতে হয় গলার স্বরে, চোখের চাহনিতে। এআই সব সময় এক সুরে কথা বলে। আর চাঁদাবাজ দরকার পড়লে ভাঙচুর করে, আগুন দেয়। চট্টগ্রামে তো ব্যবসায়ীর বাড়ির সামনে চাঁদাবাজ গোলাগুলিও করেছে। মব ও হরতাল বাহিনীর সদস্য মব মানে দল বেঁধে রাস্তায় নামা, চিৎকার করা — এআই একলা। সে একসঙ্গে অনেকজন হতে পারে না।
দালাল জমি-বাড়ি-চাকরির দালাল দুই পক্ষকে আলাদা কথা বলে। এআই সবাইকে একই তথ্য দেবে। দুই পক্ষই চলে যাবে। ঘটক ঘটক একটু বাড়িয়ে বলে, একটু গোপন করে — এআই সোজাসুজি বলবে, ‘ছেলের আয় এত, মেয়ের যোগ্যতা এত’। দুই পরিবার রাগ করে চলে যাবে। পাড়ার মাস্তান পাড়ায় একটু দাপট, ঝগড়া মিটানো, কখনো চাঁদা — এআই বলবে, ‘দ্বন্দ্ব নিরসনের জন্য মধ্যস্থতা করছি’। কেউ শুনবে না।
"বাঙালি ভাই ও বোনেরা, এআই আপনাদের বেকার করতে পারবে না! আরেকটা আছে। নারকেলগাছ থেকে নারকেল পাড়া, ডাব পাড়া। এআই এটা করবে, সে ভরসা আজও কেউ দিচ্ছে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (বিশেষত চট্টগ্রাম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিল গেটস, হুমায়ুন শরিফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন (কাবাডি খেলোয়াড়ের দল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!