📌 বাংলালিংক স্টারলিংকের ডিরেক্ট-টু-সেল (ডিটুসি) সেবা চালু করছে, যা বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো স্যাটেলাইট ভিত্তিক মোবাইল সংযোগ প্রদান করবে। এই সেবা দিয়ে সাগর, দ্বীপ, পাহাড়ি এলাকা ও দুর্গম অঞ্চলে মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতা ছাড়াই যোগাযোগ করা সম্ভব হবে
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো স্টারলিংকের ডিরেক্ট-টু-সেল (ডিটুসি) সেবা চালু করছে বাংলালিংক। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সাগর, দুর্গম দ্বীপ, উপকূল ও পাহাড়ি এলাকাসহ মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে থাকা এলাকায়ও মোবাইল সংযোগ পাবেন গ্রাহকেরা। আজ রোববার বাংলালিংক একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই তথ্য জানিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো** স্টারলিংকের ডিরেক্ট-টু-সেল (ডিটুসি) সেবা চালু করছে বাংলালিংক, যা দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে এই সেবা প্রদান করবে।
- 📌 **বাংলালিংকের মোবাইল নেটওয়ার্কের সঙ্গে স্টারলিংকের স্যাটেলাইট প্রযুক্তি** যুক্ত করে এই সেবা চালু করা হয়েছে, যার ফলে **সাগর, দ্বীপ, পাহাড়ি এলাকা ও দুর্গম অঞ্চলে** মোবাইল সংযোগ পাওয়া যাবে।
- 📌 **বিশেষ কোনো যন্ত্র বা ডিভাইস লাগবে না** — স্টারলিংকের সেবা ব্যবহার করতে হবে শুধুমাত্র **বাংলালিংকের সংযোগ ও ৪জি সক্ষম মুঠোফোন**।
- 📌 **প্রথমে এসএমএস, ডেটা মেসেজিং ও হোয়াটসঅ্যাপে কল** সেবা চালু হবে, পরবর্তীতে আরও বৈশিষ্ট্য যোগ করা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
- 📌 **ঘূর্ণিঝড়, বন্যা বা দুর্যোগের সময়** মোবাইল টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা বিদ্যুৎ বিঘ্নিত হলে ডিটুসি সেবা **প্রয়োজনীয় যোগাযোগের মাধ্যম** হিসেবে কাজ করবে।
- 📌 **বাংলালিংকের সিইও ইয়োহান বুসে** বলেছেন, এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল **প্রযুক্তি নয়, মানুষ** — বিশেষত সাগরের জেলে, দুর্গম এলাকার পরিবার ও দুর্যোগে আটকে পড়া মানুষদের যোগাযোগের চিন্তা থেকে মুক্তি দিতে।
📰 বিস্তারিত
বাংলালিংক স্টারলিংকের ডিরেক্ট-টু-সেল (ডিটুসি) সেবা চালু করার জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে অনুমোদন পেয়েছে। এই সেবা দিয়ে বাংলাদেশ **প্রথম দক্ষিণ এশীয় দেশ** হিসেবে স্যাটেলাইট ভিত্তিক মোবাইল সংযোগ প্রদান করছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই সেবা চালু হলে **সাগর, দ্বীপ, পাহাড়ি এলাকা ও দুর্গম অঞ্চলে** বসবাসকারী মানুষেরা, জেলে, পর্যটক ও দুর্যোগে আটকে পড়া ব্যক্তিরা **প্রিয়জনদের সঙ্গে যোগাযোগ** করতে পারবেন।
বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়োহান বুসে বলেছেন, ‘এই উদ্যোগের মূল কথা প্রযুক্তি নয়, মানুষ। সাগরের বুকে থাকা জেলে, দুর্গম এলাকার পরিবার কিংবা দুর্যোগে আটকে পড়া মানুষদের যেন যোগাযোগ নিয়ে চিন্তা করতে না হয়। স্টারলিংকের মাধ্যমে আমরা প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্কের সীমার বাইরে সংযোগ পৌঁছে দিচ্ছি। বাংলাদেশের আরও বেশি মানুষ, আরও বেশি জায়গা থেকে এখন যোগাযোগ করতে পারবেন।’
বাংলালিংকের সিইওর কথায়, **মোবাইল টাওয়ার বা অন্যান্য নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হলে, বিদ্যুৎ বিঘ্নিত হলে বা লোডশেডিংয়ের সময়েও** ডিটুসি সেবা ব্যবহার করে **প্রয়োজনীয় যোগাযোগ** করা সম্ভব হবে। প্রথমে এই সেবা দিয়ে **এসএমএস, ডেটা মেসেজিং ও হোয়াটসঅ্যাপে কল** সেবা চালু করা হবে। পরবর্তীতে আরও বৈশিষ্ট্য যোগ করা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
"এই উদ্যোগের মূল কথা প্রযুক্তি নয়, মানুষ। সাগরের বুকে থাকা জেলে, দুর্গম এলাকার পরিবার কিংবা দুর্যোগে আটকে পড়া মানুষদের যেন যোগাযোগ নিয়ে চিন্তা করতে না হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইয়োহান বুসে (বাংলালিংকের সিইও)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ (৪জি সক্ষম মুঠোফোন প্রয়োজন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!