📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলালিংকের দাবি: টাওয়ার ছাড়াই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে মুঠোফোনে যোগাযোগ চালুর অনুমোদন চাই

বাংলালিংকের দাবি: টাওয়ার ছাড়াই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে মুঠোফোনে যোগাযোগ চালুর অনুমোদন চাই

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, চর, দ্বীপ ও সমুদ্রে মুঠোফোন নেটওয়ার্ক পৌঁছাতে বাংলালিংক পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছিল ‘ডিরেক্ট-টু-সেল’ সেবা। সফল হওয়ায় এখন তারা বিটিআরসির কাছে বাণিজ্যিক অনুমোদনের আবেদন করেছে। প্রাথমিকভাবে এসএমএস ও লাইট ডেটা সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে

দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, চর, দ্বীপ ও সমুদ্রে মুঠোফোন নেটওয়ার্ক পৌঁছাতে পরীক্ষামূলকভাবে ‘ডিরেক্ট-টু-সেল’ (ডিটুসি) সেবা চালু করেছিল বাংলালিংক। সফল হওয়ায় এখন তারা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছে বাণিজ্যিকভাবে এই সেবা চালুর অনুমোদন চেয়েছে। স্টারলিংকের সঙ্গে অংশীদারত্বে পরিচালিত এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সাধারণ মুঠোফোনে স্যাটেলাইটভিত্তিক যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হবে বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাংলালিংক বিটিআরসির কাছে ‘ডিরেক্ট-টু-সেল’ সেবা বাণিজ্যিকভাবে চালুর অনুমোদন চেয়েছে
  • 📌 স্টারলিংকের সঙ্গে অংশীদারত্বে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছিল ডিটুসি সেবা
  • 📌 প্রাথমিকভাবে এসএমএস ও লাইট ডেটা সেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে
  • 📌 দেশে মোবাইল গ্রাহক প্রায় ১৯ কোটি ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ১২ কোটি
  • 📌 দেশে মোবাইল টাওয়ার রয়েছে ২১ হাজার ৩৬৯টি

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশে মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে রয়েছেন এমন এলাকায় যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে বাংলালিংক পরীক্ষামূলকভাবে ‘ডিরেক্ট-টু-সেল’ সেবা চালু করেছিল। প্রতিষ্ঠানটির দাবি অনুযায়ী, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সাধারণ মুঠোফোন ব্যবহার করেই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যোগাযোগ করা সম্ভব হবে। বিটিআরসি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগসহ সরকারি ও নিরাপত্তা সংস্থার কর্মকর্তাদের সামনে এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা প্রদর্শন করেছে বাংলালিংক।

পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চলতি বছরের এপ্রিলে শুরু হয়। গত মে মাসে বিটিআরসি দুই মাসের প্রুফ অব কনসেপ্ট (পিওসি) পরীক্ষার অনুমতি দেয়। বান্দরবান, সন্দ্বীপসহ বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা যাচাই করা হয়। বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তৈমুর রহমান জানান, পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফল হওয়ায় এখন বাণিজ্যিক অনুমোদনের জন্য বিটিআরসিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে দেশে মোবাইল গ্রাহক প্রায় ১৯ কোটি ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ১২ কোটি। দেশে মোবাইল টাওয়ার রয়েছে ২১ হাজার ৩৬৯টি। তবে দুর্গম এলাকায় টাওয়ার স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বেশি হওয়ায় অনেক এলাকায় নেটওয়ার্ক পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ডিটুসি প্রযুক্তি এই সীমাবদ্ধতা কিছুটা দূর করতে পারে বলে মনে করছে বাংলালিংক।

"পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে প্রচলিত এলটিই-সক্ষম মুঠোফোন কোনো বাড়তি যন্ত্র ছাড়াই সরাসরি ডিটুসি সেবায় যুক্ত হতে পারে। এই ভিত্তিতে বিদ্যমান নিয়ন্ত্রক কাঠামোর অধীনে বাণিজ্যিক অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: তৈমুর রহমান (বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার)
  • 🔢 মোবাইল গ্রাহক: প্রায় ১৯ কোটি
  • 🔢 ইন্টারনেট ব্যবহারকারী: প্রায় ১২ কোটি
  • 🔢 মোবাইল টাওয়ার: ২১ হাজার ৩৬৯টি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖