📌 বাংলাদেশের দুই শিক্ষার্থী ফারিয়া ইসলাম ও হাবিবুর রহমানের ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন কোপাইলট’ প্রকল্প এআই ফর ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এর চূড়ান্ত পাঁচটি প্রকল্পের মধ্যে নির্বাচিত হয়েছে। ১১ অক্টোবর কম্বোডিয়ায় অনুষ্ঠিত ফোরামে প্রকল্পটি উপস্থাপিত হবে এবং বিজয়ী প্রকল্পটি নভেম্বরে তুরস্কের কপ৩১-এ প্রদর্শিত হবে
বাংলাদেশের দুই শিক্ষার্থী ফারিয়া ইসলাম ও মো. হাবিবুর রহমানের ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন কোপাইলট’ প্রকল্প বিশ্বের চোখে এআই-ভিত্তিক জলবায়ু সমাধানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতিভার স্বীকৃতি পেয়েছে। এই প্রকল্পটি ‘এআই ফর ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এর চূড়ান্ত পাঁচটি প্রকল্পের মধ্যে নির্বাচিত হয়েছে। প্রকল্পটি জলবায়ু দুর্যোগের পূর্বাভাস ও প্রস্তুতির ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে সীমিত সম্পদকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন কোপাইলট’ প্রকল্পটি এআই ফর ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এর চূড়ান্ত পাঁচটি প্রকল্পের মধ্যে নির্বাচিত হয়েছে
- 📌 প্রকল্পটি তৈরি করেছেন ফারিয়া ইসলাম (ইউল্যাব) ও হাবিবুর রহমান (ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়) — তারা ১১ অক্টোবর কম্বোডিয়ায় অনুষ্ঠিত ফোরামে প্রকল্প উপস্থাপন করবেন
- 📌 বিজয়ী প্রকল্পটি নভেম্বরে তুরস্কের কপ৩১-এ উপস্থাপন করা হবে
- 📌 প্রকল্পের লক্ষ্য: তিনটি নদীর পানির উচ্চতা ও চরম পরিস্থিতির পূর্বাভাস দিতে এআই ব্যবহার করা
- 📌 ফারিয়া ইসলাম বলেছেন, “এটি বাংলাদেশের তরুণদের বৈশ্বিক জলবায়ু সমাধানে অবদানের স্বীকৃতি”
📰 বিস্তারিত
বন্যা ও জলবায়ু দুর্যোগের পূর্বাভাস ও প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্পটি বিশ্বের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। ফারিয়া ইসলাম ও হাবিবুর রহমানের ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন কোপাইলট’ প্রকল্পটি এআই ফর ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এর চূড়ান্ত পাঁচটি প্রকল্পের মধ্যে একটি। এই পুরস্কারটি ইউনাইটেড নেশনস ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (ইউএনএফসিসিসি) ও ক্লাইমেট টেকনোলজি সেন্টার অ্যান্ড নেটওয়ার্ক (সিটিসিএন) যৌথভাবে প্রদান করছে।
১৩ ও ১৪ অক্টোবর কম্বোডিয়ায় অনুষ্ঠিত এআই ফর ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামে প্রকল্পের দলনেতা ফারিয়া ইসলাম প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য দিকগুলি তুলে ধরবেন। এই ফোরামে শীর্ষ পাঁচটি প্রকল্পের মধ্যে নির্বাচিত প্রকল্পগুলোর যাচাই-বাছাই শেষে বিজয়ী প্রকল্পের নাম ঘোষণা করা হবে। বিজয়ী প্রকল্পটি নভেম্বরে তুরস্কের কপ৩১-এ উপস্থাপন করা হবে।
ফারিয়া ইসলামের মতে, প্রকল্পটি দুর্যোগের পূর্বাভাস ও প্রস্তুতির ক্ষেত্রে সীমিত সম্পদকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে। প্রকল্পের মাধ্যমে তিনটি নদীর পানির উচ্চতা পরিমাপ করা স্টেশনগুলোর পরবর্তী তিন দিনের সম্ভাব্য উচ্চতা জানার পাশাপাশি চরম পরিস্থিতির সম্ভাবনা সম্পর্কে আগাম ধারণা পাওয়া সম্ভব।
"এটি শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়। বাংলাদেশের মতো একটি স্বল্পোন্নত দেশের তরুণদেরও বৈশ্বিক জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান তৈরি করতে পারেন, এই স্বীকৃতি আমার জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।"
হাবিবুর রহমান বলেছেন, “প্রকল্পটিতে আমরা প্রত্যেকে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করেছি। আমি গবেষণা ও উপাত্ত সংগ্রহের দিকে মনোযোগ দিয়েছি। আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল সীমিত সম্পদ, অল্প সময় এবং একই সঙ্গে পড়াশোনার দায়িত্ব সামলানো। প্রকল্প সেরা পাঁচে জায়গা করে নেওয়ায় আমি গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। এটি আমার প্রথম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা। তাই এই স্বীকৃতি আমার কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কম্বোডিয়া (ফোরাম), তুরস্ক (কপ৩১)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফারিয়া ইসলাম, মো. হাবিবুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫টি (চূড়ান্ত প্রকল্প), ১১ অক্টোবর (ফোরাম তারিখ), ৩১তম (কপ৩১)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!