📌 বাংলাদেশের স্যাটেলাইট বিএস-১ মহাকাশে ভারতের পুরোনো স্যাটেলাইটের ধ্বংসাবশেষের সংঘর্ষের ঝুঁকি থেকে রক্ষা পায়। নাসার সতর্কবার্তা পেয়ে বিএসসিএলের প্রকৌশলীরা স্যাটেলাইটটিকে সামান্য সরিয়ে নেয় এবং ঝুঁকিপূর্ণ সময় অতিক্রম করে।
বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বিএস-১ (বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১) মহাকাশে ভারতের নিষ্ক্রিয় স্যাটেলাইট ইনস্যাট-১এর ধ্বংসাবশেষের সংঘর্ষের ঝুঁকি থেকে রক্ষা পায়। নাসার সতর্কবার্তা পেয়ে বিএসসিএলের প্রকৌশলীরা স্যাটেলাইটটিকে সামান্য সরিয়ে নেয় এবং ঝুঁকিপূর্ণ সময় অতিক্রম করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৯ আগস্ট সন্ধ্যায় নাসা বাংলাদেশের স্যাটেলাইট বিএস-১-এর দিকে ছুটে আসা ভারতের ইনস্যাট-১এর ধ্বংসাবশেষের সতর্কবার্তা পাঠায়।
- 📌 ২০০৯ সালের মহাকাশে সংঘর্ষের ঘটনা স্মরণ করিয়ে দেয় নাসা — রাশিয়ার কসমস-২২৫১ ও যুক্তরাষ্ট্রের ইরিডিয়াম-৩৩ স্যাটেলাইট দুটি ধ্বংস হয়।
- 📌 গাজীপুরের গ্রাউন্ড স্টেশনে চার দিন উদ্বেগের মধ্যে কাটে প্রকৌশলীদের। বিএসসিএলের এমডি মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান বলেন, "হাতে সময় কম ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিপদ হয়নি।"
- 📌 ১৩ আগস্ট প্রকৌশলীরা বিএস-১ কে সামান্য বাঁ দিকে সরিয়ে নেয় এবং ঝুঁকিপূর্ণ সময় অতিক্রম করে স্যাটেলাইটটিকে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে নেয়।
- 📌 ২০২১ ও ২০২৫ সালেও বিএস-১-এর সংঘর্ষের ঝুঁকি ছিল।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) এর গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশনে গত ৯ আগস্ট সন্ধ্যায় নাসা থেকে একটি সতর্কবার্তা আসে। বার্তায় জানানো হয়, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ (বিএস-১) এর দিকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে আসছে ভারতের ইনস্যাট-১এ নামের একটি পুরোনো স্যাটেলাইটের ধ্বংসাবশেষ। সংঘর্ষের সম্ভাবনা থাকায় প্রকৌশলীদের উদ্বেগের মধ্যে চার দিন কাটতে হয়।
বিএসসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, "ওই কয়েকটি দিন খুবই উদ্বেগের মধ্যে কেটেছে। হাতে সময় কম ছিল, আবার বিএস-১ কে সরানোর সুযোগও ছিল সীমিত।" তিনি জানান, নাসার স্পেস ট্র্যাকার মহাকাশে নজর রাখে এবং কোনো স্যাটেলাইটের সঙ্গে ধ্বংসাবশেষের সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিলে সতর্ক করে।
ইমাদুর রহমান আরও বলেন, "স্যাটেলাইটটি নতুন কোনো অবস্থানে নিলে ঝুঁকি তৈরি হবে কি না, তা হিসাব করতে হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ১৩ আগস্ট প্রকৌশলীরা বিএস-১ কে সামান্য বাঁ দিকে সরিয়ে নেয়। ধ্বংসাবশেষটি অতিক্রম করা পর্যন্ত অপেক্ষা করা হয়। ঝুঁকিপূর্ণ সময় পার হওয়ার পর স্যাটেলাইটটিকে আবার আগের অবস্থানে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।"
"ওই কয়েকটি দিন খুবই উদ্বেগের মধ্যে কেটেছে। হাতে সময় কম ছিল, আবার বিএস-১ কে সরানোর সুযোগও ছিল সীমিত।"
— মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান, বিএসসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুরের গ্রাউন্ড স্টেশন, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান (বিএসসিএলের এমডি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ আগস্ট, ১৩ আগস্ট, ৮৫২ মিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!