📌 গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৬ প্রকাশে বাংলাদেশ মোবাইল অ্যাপ উন্নয়নে বিশ্বে ৬৭তম স্থানে উঠেছে। নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মধ্যে ২০তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার ১০টি দেশের তালিকায় দশম স্থানে রয়েছে। অবকাঠামো ও সৃজনশীল ক্ষেত্রে অগ্রগতি লক্ষ্য করা গেছে
বিশ্বের ১৩৭টি দেশের মধ্যে মোবাইল অ্যাপ উন্নয়নে বাংলাদেশের অবস্থান উন্নত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন (ডব্লিউআইপিও) প্রকাশিত গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৬-এ বাংলাদেশ মোবাইল অ্যাপ সৃজনক্ষেত্রে ৬৭তম স্থানে দাঁড়িয়েছে। এই সূচকে বাংলাদেশ ৬৭.৬ নম্বর পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মোবাইল অ্যাপ উন্নয়নে বাংলাদেশ বিশ্বে ৬৭তম স্থানে উঠেছে (৬৭.৬ নম্বর)।
- 📌 নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২০তম।
- 📌 মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ১০টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১০৫তম (সামগ্রিক) এবং ১০তম (মোবাইল অ্যাপ) স্থানে রয়েছে।
- 📌 ২০২৫ সালের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান ১০৬তম থেকে উন্নীত হয়েছে ১০৫তম।
- 📌 অবকাঠামো খাতে বাংলাদেশের স্কোর ৪০.২ (৮৪তম) এবং আইসিটি উপসূচকে ৬৫.৫ (৯৩তম)।
- 📌 গবরমেন্ট অনলাইন সেবায় বাংলাদেশ ৬৭তম স্থানে (৬৮.৪ নম্বর)।
- 📌 সৃজনশীল উদ্ভাবনে বাংলাদেশের স্কোর ১৬.৮ (৮৭তম) এবং ইনট্যাঞ্জিবল অ্যাসেটে ২০.২ (৮১তম)।
- 📌 শীর্ষ দক্ষিণ এশীয় দেশ ভারত (৩৮তম), কাজাখস্তান (৭৩তম), ভুটান (৭৪তম)।
- 📌 পাকিস্তান ৯৫তম, নেপাল ১০৪তম, বাংলাদেশ ১০৫তম স্থানে রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন (ডব্লিউআইপিও) ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৬-এ বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এই সূচকে বিশ্বের ১৩৭টি দেশের উদ্ভাবন ক্ষমতা ও সাফল্য মূল্যায়ন করা হয়। বাংলাদেশ ২১.৫ স্কোর পেয়ে ১০৫তম স্থানে রয়েছে। তবে মোবাইল অ্যাপ উন্নয়নে বাংলাদেশের পারদর্শিতা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য — ৬৭.৬ নম্বর পেয়ে বিশ্বে ৬৭তম স্থানে দাঁড়িয়েছে।
ডব্লিউআইপিও সূচকে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের বিশ্লেষণ দেখায়, অবকাঠামো বা ইনফোস্ট্রাকচার খাতে বাংলাদেশের মোট স্কোর ৪০.২ এবং বৈশ্বিক অবস্থান ৮৪তম। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) উপসূচকে বাংলাদেশ ৬৫.৫ নম্বর পেয়ে ৯৩তম স্থানে রয়েছে। আইসিটি সুবিধা বা অ্যাকসেসে বাংলাদেশ ৫৫.৪ নম্বর পেয়ে ১১৭তম এবং আইসিটি ব্যবহারে ৭২.৬ নম্বর পেয়ে ৯১তম স্থানে রয়েছে।
সৃজনশীল উদ্ভাবন বা ক্রিয়েটিভ আউটপুট খাতে বাংলাদেশের স্কোর ১৬.৮ এবং অবস্থান ৮৭তম। অদৃশ্য সম্পদ বা ইনট্যাঞ্জিবল অ্যাসেট উপসূচকে বাংলাদেশ ২০.২ নম্বর পেয়ে ৮১তম স্থানে রয়েছে। অনলাইন সৃজনশীলতা সূচকে বাংলাদেশ ২৩.৮ নম্বর পেয়ে ৯০তম স্থানে রয়েছে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় দক্ষিণ এশিয়ার অবস্থান বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভারত ৩৮তম, কাজাখস্তান ৭৩তম, ভুটান ৭৪তম, পাকিস্তান ৯৫তম এবং নেপাল ১০৪তম স্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ ১০৫তম স্থানে অবস্থান করছে। পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভিয়েতনাম ৪৩তম, থাইল্যান্ড ৪৪তম, মঙ্গোলিয়া ৭২তম এবং কম্বোডিয়া ৯৩তম স্থানে রয়েছে। উত্তর আফ্রিকা ও পশ্চিম এশিয়ায় সৌদি আরব ৪২তম, তিউনিসিয়া ৭১তম, মিসর ৮৩তম, আজারবাইজান ৮৫তম, লেবানন ৮৬তম এবং আলজেরিয়া ১১১তম স্থানে রয়েছে।
"গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৬-এ বাংলাদেশের মোবাইল অ্যাপ উন্নয়নে অগ্রগতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো এবং সৃজনশীল ক্ষেত্রে অগ্রগতি লক্ষ করা গেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ, দক্ষিণ এশিয়া, বিশ্বের ১৩৭টি দেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন (ডব্লিউআইপিও)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৭.৬ (মোবাইল অ্যাপ স্কোর), ১০৫ (সামগ্রিক অবস্থান), ২১.৫ (মোট স্কোর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!