📌 ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আদালতে অ্যাপলের হ্যাপটিক ফিডব্যাক প্রযুক্তি ব্যবহারে ট্যাকশন টেকনোলজির দুটি প্যাটেন্ট লঙ্ঘনের জন্য অ্যাপলকে ৫.৭ বিলিয়ন ডলার দাবি করা হয়েছে। জুরি অ্যাপলকে প্যাটেন্ট লঙ্ঘনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেছে, যা আইফোনের ভাইব্রেশন ফিডব্যাক সিস্টেমের সাথে সম্পর্কিত।
ক্যালিফোর্নিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় ফেডারেল আদালতে অ্যাপলকে একটি মামলায় ৫.৭ বিলিয়ন ডলার দাবি করা হয়েছে। অ্যাপলের আইফোনে ব্যবহৃত হ্যাপটিক ফিডব্যাক প্রযুক্তি (ভাইব্রেশন) ট্যাকশন টেকনোলজির দুটি প্যাটেন্ট লঙ্ঘন করেছে বলে আদালতের জুরি সিদ্ধান্ত দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ট্যাকশন টেকনোলজি প্যাটেন্ট অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫.৭ বিলিয়ন ডলার দাবি: অ্যাপলকে ট্যাকশন টেকনোলজির প্যাটেন্ট লঙ্ঘনের জন্য এই রকম বড় দাবি করা হয়েছে — যা আইফোনের ভাইব্রেশন সিস্টেমের সাথে সম্পর্কিত।
- 📌 ১৫ বছরের পর নতুন সিইও: এই আদালতের সিদ্ধান্ত আসার একই সময়ে অ্যাপলের সিইও পদে জন টার্নাস টিম কুককে প্রতিস্থাপন করেছেন।
- 📌 ২০২১ সাল থেকে চলা মামলা: ট্যাকশন টেকনোলজি ২০২১ সালে অ্যাপলকে মামলা দায়ের করেছিল, কিন্তু ২০২৩ সালে আদালত অ্যাপলের পক্ষে সিদ্ধান্ত দিয়েছিল। পরবর্তীতে অ্যাপিলস কোর্ট মামলাটি পুনরায় খোলার আদেশ দিয়েছিল।
- 📌 অ্যাপল আপিলের ঘোষণা: অ্যাপল এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের ঘোষণা দিয়েছে এবং দাবি করেছে তাদের ট্যাকটিক ইঞ্জিন প্যাটেন্টের সাথে সম্পূর্ণ আলাদা।
📰 বিস্তারিত
ট্যাকশন টেকনোলজির আইনজীবী ল্যান্স ইয়াং বলেছেন, “আমরা খুশি যে জুরি ট্যাকশনকে পক্ষে সিদ্ধান্ত দিয়েছে এবং তাদের প্যাটেন্ট অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে।” এই মামলার শুরু হয়েছিল ২০২১ সালে, যখন ট্যাকশন টেকনোলজি অ্যাপলকে মামলা দায়ের করেছিল। ২০২৩ সালে একটি ফেডারেল আদালত অ্যাপলের পক্ষে সিদ্ধান্ত দিয়েছিল, কিন্তু পরবর্তীতে অ্যাপিলস কোর্ট মামলাটি পুনরায় খোলার আদেশ দিয়েছিল।
ট্যাকশন টেকনোলজির মামলার মূল দাবি ছিল অ্যাপল তাদের প্যাটেন্ট লঙ্ঘন করছে। তারা বলেছিল, “অ্যাপল ট্যাকশন টেকনোলজির উদ্ভাবন ও সাফল্যের উপরে সুবিধা নিচ্ছে। তারা লাইসেন্স ছাড়াই বা অনুমতি ছাড়াই ট্যাকশন টেকনোলজির প্যাটেন্টযুক্ত প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। ট্যাকশন টেকনোলজি এই মামলা দায়ের করেছে অ্যাপলের প্যাটেন্ট লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে প্রতিকার চাইতে।” তারা আরও দাবি করেছিল যে অ্যাপল “কমপক্ষে বিশ্বাস করেছিল যে তাদের অভিযুক্ত প্রোডাক্টগুলি ট্যাকশন টেকনোলজির প্যাটেন্টের অধীনে পড়ে, কিন্তু তারা প্যাটেন্ট এবং লঙ্ঘনের প্রকৃতিকে অবগত না করে নিজেদেরকে অন্ধ করে দিয়েছে।”
অ্যাপল জানিয়েছে, তাদের ট্যাকটিক ইঞ্জিন প্যাটেন্টের সাথে ট্যাকশন টেকনোলজির প্রযুক্তি সম্পূর্ণ আলাদা। তারা বলেছে, “ট্যাকশন টেকনোলজির নিজস্ব পরীক্ষায় দেখা গেছে অ্যাপলের প্রোডাক্টগুলি তাদের প্যাটেন্টের সাথে মিলে না।” অ্যাপল এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের ঘোষণা দিয়েছে।
এই সিদ্ধান্ত আসার সময় অ্যাপল একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করছে। সেপ্টেম্বর মাসে টিম কুকের ১৫ বছরের সিইও পদের পর জন টার্নাস অ্যাপলের নতুন সিইও হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এই সময়ে অ্যাপল অন্যান্য প্রযুক্তি কোম্পানির তুলনায় তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি চালু করতে পিছিয়ে রয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় অ্যাপলের শেয়ার বাজারে ২ শতাংশ কমে গেছে।
"আমরা খুশি যে জুরি ট্যাকশনকে পক্ষে সিদ্ধান্ত দিয়েছে এবং তাদের প্যাটেন্ট অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জন টার্নাস, টিম কুক, ল্যান্স ইয়াং, ট্যাকশন টেকনোলজির আইনজীবী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫.৭ বিলিয়ন ডলার, ১৫ বছর, ২০২১, ২০২৩, ২ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!