📌 অ্যামাজন পুনর্গঠন কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুচরা ব্যবসার বিভিন্ন ইউনিট থেকে প্রায় এক হাজার কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। এআই বিনিয়োগ এবং কার্যকর পরিচালনার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি সাংগঠনিক পরিবর্তন আনে। যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও যুক্তরাজ্যের কর্মীরাও এই ছাঁটাইয়ের শিকার হন।
বিশ্বের বৃহত্তম ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন পুনর্গঠন কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুচরা ব্যবসার বিভিন্ন ইউনিট থেকে প্রায় এক হাজার কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। এআই বিনিয়োগ এবং ব্যবসার কার্যকর পরিচালনার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি সাংগঠনিক পরিবর্তন আনে। বিশেষভাবে ‘স্টোরস’ বিভাগের কর্মীদের মধ্যে এই ছাঁটাইয়ের প্রভাব বেশি পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অ্যামাজনের খুচরা ব্যবসা বিভাগের প্রায় ১০০০ কর্মী চাকরি হারান
- 📌 যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও যুক্তরাজ্যের কর্মীরাও ছাঁটাইয়ের শিকার হন
- 📌 গ্রাহকসেবা ও বিক্রেতা সহায়তা বিভাগের কর্মীরা বিশেষভাবে প্রভাবিত
- 📌 প্রতিষ্ঠানটি পুনর্গঠনকে ‘সীমিত পরিসরের সাংগঠনিক পরিবর্তন’ হিসেবে উল্লেখ করে
- 📌 ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৩০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রক্রিয়া চলছিল
- 📌 জেফ বেজোস করোনা মহামারির সময় অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগের কারণ উল্লেখ করেন
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) থেকে শুরু হওয়া ‘প্রাইম বিগ ডিল ডেজ’ বিশেষ বিক্রয় কর্মসূচির সময়ই অ্যামাজন নতুন করে কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। বুধবার (৭ অক্টোবর) পর্যন্ত চলমান এই বিক্রয় কর্মসূচির সময়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির ‘স্টোরস’ বিভাগের একাধিক ইউনিটে ছাঁটাইয়ের প্রভাব পড়েছে। এই বিভাগে গ্রাহকসেবা ও বিক্রেতা সহায়তা প্রদানের কাজে নিয়োজিত কর্মীরাও এই সিদ্ধান্তের আওতায় পড়েছেন।
অ্যামাজনের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানান, বিভাগের কিছু অংশে সাংগঠনিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। ব্যবসার বর্তমান অগ্রাধিকারগুলো আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই পুনর্গঠন করা হচ্ছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি সর্বশেষ ছাঁটাইয়ের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা প্রকাশ করেনি।
অ্যামাজন গত বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৩০ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের একটি বড় প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। এরপরও বিভিন্ন বিভাগে সীমিত পরিসরে কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। গত জুলাইয়ে প্রতিষ্ঠানটির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিভাগের কর্মীরাও ছাঁটাইয়ের শিকার হন।
"করোনাভাইরাস মহামারির সময় অনলাইনে কেনাকাটার চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি কর্মী নিয়োগ করেছিল। মহামারির সময় মানুষ ঘরে অবস্থান করে বিপুল পরিমাণ পণ্য অর্ডার করছিলেন। এতে অ্যামাজনের কার্যক্রমের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়। বাড়তি চাহিদা সামাল দিতে দ্রুত কর্মী নিয়োগ করতে হয়েছিল প্রতিষ্ঠানটিকে। পরবর্তী সময়ে সেই অতিরিক্ত জনবল সমন্বয়ের প্রয়োজন দেখা দেয়।"
অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী চেয়ারম্যান জেফ বেজোস ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, পুনর্গঠন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিনিয়োগে গুরুত্ব দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ, কাজের পদ্ধতি আরও কার্যকর করা এবং পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে অ্যামাজন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, যুক্তরাজ্য
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেফ বেজোস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০০ (কর্মী), ৩০ (হাজার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!