📅 ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এএলএস রোগী মস্তিষ্কের ইমপ্লান্ট দিয়ে চিন্তা করে কথা বলছে: নিউরালিংকের বিপ্লবী প্রযুক্তি

এএলএস রোগী মস্তিষ্কের ইমপ্লান্ট দিয়ে চিন্তা করে কথা বলছে: নিউরালিংকের বিপ্লবী প্রযুক্তি

📷 ছবি: আমাদের সময়

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আমাদের সময় ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 এএলএস রোগী টেরি মস্তিষ্কে নিউরালিংকের ইমপ্লান্ট বসিয়ে চিন্তা করে কৃত্রিম কণ্ঠে কথা বলছেন। প্রযুক্তিটি এখনও পরীক্ষামূলক, কিন্তু ভবিষ্যতে বাকশক্তি হারানো রোগীদের যোগাযোগের নতুন পথ খুলতে পারে

মস্তিষ্কের ইমপ্লান্টের মাধ্যমে চিন্তা করে কথা বলতে সক্ষম হয়েছে এএলএস রোগী টেরি। নিউরালিংকের বিপ্লবী প্রযুক্তি এই রোগীদের জন্য নতুন আশা তৈরি করছে। টেরি ২০২৪ সালে বালবার-অনসেট অ্যামিওট্রফিক ল্যাটেরাল স্ক্লেরোসিসে আক্রান্ত হন এবং বাকশক্তি হারান। কিন্তু মস্তিষ্কের ইমপ্লান্টের মাধ্যমে তিনি এখনও যোগাযোগ করতে পারছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 টেরি মস্তিষ্কে নিউরালিংকের ‘এন১’ ব্রেন-কম্পিউটার ইন্টারফেস ইমপ্লান্ট বসিয়ে চিন্তা করে কৃত্রিম কণ্ঠে কথা বলছেন
  • 📌 ২০২৪ সালে বালবার-অনসেট এএলএস আক্রান্ত হওয়ার পর টেরি বাকশক্তি হারান, কিন্তু মুখ ও শরীরের নড়াচড়া করার ক্ষমতা বজায় রেখেছেন
  • 📌 ইমপ্লান্টের ক্ষুদ্র ইলেকট্রোড মস্তিষ্কের সংকেত শনাক্ত করে, সফটওয়্যার তা বিশ্লেষণ করে কৃত্রিম কণ্ঠে রূপান্তর করে
  • 📌 ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’ কথাটি চিন্তা করে বলার পর তার স্ত্রী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন
  • 📌 প্রযুক্তিটি এখনও পরীক্ষামূলক এবং যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ অনুমোদন পায়নি

📰 বিস্তারিত

অ্যামিওট্রফিক ল্যাটারাল স্ক্লেরোসিস (এএলএস) রোগীরা মোটর নিউরন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে কথা বলা, গিলতে পারা, হাঁটা ও শ্বাস নেওয়ার মতো কাজে সমস্যা ভোগ করেন। বিশেষ করে বালবার-অনসেট এএলএসে ঠোঁট, জিহ্বা ও গলার পেশিগুলো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কথা বলা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। টেরি নিউরালিংকের ‘ভয়েস’ ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তৃতীয় অংশগ্রহণকারী। তার মস্তিষ্কের কথা বলার সঙ্গে সম্পর্কিত অংশে ‘এন১’ ইমপ্লান্ট বসানো হয়েছে। এই ইমপ্লান্ট মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক সংকেত শনাক্ত করে এবং সফটওয়্যার সেই সংকেত বিশ্লেষণ করে কৃত্রিম কণ্ঠে রূপান্তর করে।

প্রযুক্তিটি কার্যকর করতে প্রথমে টেরিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তিনি মুখ ও ঠোঁটের নড়াচড়া অনুকরণ করে প্রশিক্ষণ নেন। পরবর্তীতে তিনি মুখ না নড়িয়েই মনে মনে শব্দ বলার অনুশীলন করেন। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তার মস্তিষ্কের সংকেতের সঙ্গে নির্দিষ্ট শব্দের সম্পর্ক শনাক্ত করতে সফটওয়্যারটিকে প্রস্তুত করা হয়। এখন তিনি শুধু মনে মনে শব্দ বা বাক্যটি বলার চেষ্টা করলেই সিস্টেম তা শনাক্ত করে কৃত্রিম কণ্ঠে উচ্চারণ করতে পারে।

নিউরালিংকের প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, টেরি তার স্ত্রী লরির সঙ্গে কথা বলছেন। একপর্যায়ে তিনি চিন্তার মাধ্যমে বলেন, “আমি তোমাকে ভালোবাসি”। কৃত্রিম কণ্ঠে কথাটি শোনার পর তার স্ত্রী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে তাকে জড়িয়ে ধরেন। বর্তমানে টেরি নিজে কথা বলতে না পারলেও মস্তিষ্কের ইমপ্লান্টের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারছেন এবং প্রযুক্তিটি আরও উন্নত করতে নিউরালিংককে সহায়তা করছেন।

"আমি তোমাকে ভালোবাসি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (নিউরালিংকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: টেরি (এএলএস রোগী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৪ (এএলএস আক্রান্ত হওয়ার বছর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖