📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিশ্বের ৪০০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাংলাদেশের প্রথম হিসেবে আরই১০০ উদ্যোগে যোগ দিল আকিজবশির গ্রুপ

বিশ্বের ৪০০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাংলাদেশের প্রথম হিসেবে আরই১০০ উদ্যোগে যোগ দিল আকিজবশির গ্রুপ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আকিজবশির গ্রুপ বিশ্বের ৪০০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরই১০০ উদ্যোগে যোগ দিয়েছে। গ্রুপের বিভিন্ন কারখানায় নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি বছর হাজারো টন কার্বন নিঃসরণ কমাতে সহায়তা করছে।

বিশ্বের ৪০০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে আকিজবশির গ্রুপ আরই১০০ উদ্যোগে যোগ দিয়েছে। আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা ক্লাইমেট গ্রুপ পরিচালিত এই উদ্যোগে শতভাগ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আকিজবশির গ্রুপ বিশ্বের ৪০০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরই১০০ উদ্যোগে যোগ দিয়েছে
  • 📌 গ্রুপের ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত আকিজ সিরামিকসে ২৪ দশমিক ৩৯ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প রয়েছে, যা বছরে ২৮ হাজার ৫ মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে
  • 📌 এই প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে প্রায় ২ হাজার ৪৪০ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমানো সম্ভব হবে
  • 📌 হবিগঞ্জের আকিজবশির গ্লাস কারখানায় ১৮ দশমিক ২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প রয়েছে, যা ব্যাটারি সংরক্ষণব্যবস্থার মাধ্যমে দিনের বেলা ছাড়াও বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে
  • 📌 গ্রুপের জনতা জুট মিলসের পুরো বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করছে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প
  • 📌 আকিজ পার্টিকেল বোর্ড মিলসে ১ দশমিক ১ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করা হয়েছে, যা বছরে প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে
  • 📌 গ্রুপের মোট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৯০ মেগাওয়াট

📰 বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা ক্লাইমেট গ্রুপ পরিচালিত আরই১০০ উদ্যোগে বিশ্বের ৪০০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান যুক্ত রয়েছে। এই উদ্যোগের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো ২০৫০ সালের মধ্যে তাদের কার্যক্রমে শতভাগ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আরই১০০-এর সদস্যদের প্রতিবছর নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ব্যবহারের অগ্রগতি জানাতে হয় এবং তাদের তথ্য উদ্যোগটির নির্ধারিত কারিগরি মানদণ্ড অনুযায়ী যাচাই করা হয়।

আকিজবশির গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শেখ বশির উদ্দিন বলেছেন, আরই১০০-তে যোগ দেওয়া শুধু নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি নয়, বরং ব্যবসা পরিচালনায় বিদ্যুতের ব্যবহার ও টেকসই প্রবৃদ্ধির পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনারও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি আরও বলেছেন, ‘বাংলাদেশের প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই বৈশ্বিক উদ্যোগে যোগ দিতে পেরে আমরা গর্বিত। শতভাগ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ব্যবহারের লক্ষ্যে এটি আমাদের একটি অগ্রণী পদক্ষেপ।’

গ্রুপের ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত আকিজ সিরামিকসে ২৪ দশমিক ৩৯ মেগাওয়াটের ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প রয়েছে। এই প্রকল্প থেকে বছরে প্রায় ২৮ হাজার ৫ মেগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। প্রকল্পটি ১০ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে, ফলে কারখানায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডেও বিদ্যুৎ দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বছরে প্রায় ২ হাজার ৪৪০ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

হবিগঞ্জের আকিজবশির গ্লাস কারখানায় ১৮ দশমিক ২ মেগাওয়াটের ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা রয়েছে। এতে ব্যাটারি সংরক্ষণব্যবস্থাও যুক্ত করা হয়েছে, ফলে দিনের আলো না থাকলেও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করা যায়। এছাড়াও, এই কারখানায় ‘ওয়েস্ট হিট রিকভারি’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। কাচ উৎপাদনের সময় তৈরি হওয়া অতিরিক্ত তাপ কাজে লাগিয়ে বাষ্প ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। কারখানাটির মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের ২১ শতাংশ আসে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে।

আকিজবশির গ্রুপের জনতা জুট মিলসেও ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের ব্যবস্থা রয়েছে, যা মিলের পুরো বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করছে। ব্যাটারি সংরক্ষণব্যবস্থার ফলে দিনের আলো না থাকলেও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করা যায়। আকিজ পার্টিকেল বোর্ড মিলসে স্থাপন করা হয়েছে ১ দশমিক ১ মেগাওয়াটের ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ–ব্যবস্থা, যা বছরে প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। এতে বছরে ৭ হাজার ৪৫২ টন কার্বন নিঃসরণ কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

"আরই১০০-তে যোগ দেওয়া শুধু নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি নয়, বরং ব্যবসা পরিচালনায় বিদ্যুতের ব্যবহার ও টেকসই প্রবৃদ্ধির পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনারও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বাংলাদেশের প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই বৈশ্বিক উদ্যোগে যোগ দিতে পেরে আমরা গর্বিত। শতভাগ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ব্যবহারের লক্ষ্যে এটি আমাদের একটি অগ্রণী পদক্ষেপ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ময়মনসিংহ (ত্রিশাল), হবিগঞ্জ, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ বশির উদ্দিন (আকিজবশির গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০০+ প্রতিষ্ঠান (আরই১০০ সদস্য), ৯০ মেগাওয়াট (সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা), ২৪.৩৯ মেগাওয়াট (আকিজ সিরামিকস), ১৮.২ মেগাওয়াট (আকিজবশির গ্লাস)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖