📌 কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করবে বলে মনে করেন সাবেক মেটা এআই প্রধান ক্লারা শিহ। তিনি বলেছেন, এআই তৈরিকারী, ব্যবহারকারী এবং ব্যবস্থাপনা কর্মীদের মধ্যে বিভাজন ঘটবে। এআইয়ের প্রভাব তরুণদের কর্মজীবনে বেশি পড়ছে বলে সতর্ক করেছেন তিনি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্রুত বিকাশের ফলে ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে বিপ্লব ঘটবে বলে মনে করছেন সাবেক মেটা ও সেলসফোর্সের প্রধান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষজ্ঞ ক্লারা শিহ। তিনি বলেছেন, এআইয়ের প্রভাবের কারণে কর্মীদের তিনটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত হবে। এআই তৈরিকারী, এআই ব্যবহারকারী এবং এআই ব্যবস্থাপনা কর্মীদের মধ্যে এই বিভাজন ঘটবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভবিষ্যতে কর্মীদের তিন শ্রেণিতে বিভক্ত হবে: এআই তৈরিকারী, এআই ব্যবহারকারী ও এআই ব্যবস্থাপনা কর্মী
- 📌 তৃতীয় শ্রেণির কর্মী (যেমন: উবার চালক, ডোরড্যাশ ডেলিভারি কর্মী) ইতিমধ্যেই বাস্তবে উপস্থিত
- 📌 এআই ব্যবহারকারী শ্রেণির কর্মীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে, তরুণদের কর্মসংস্থানে প্রভাব পড়ছে
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রে কলেজ গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে বেকারত্ব বা অপ্রয়োজনীয় চাকরিতে নিয়োগের হার বেড়েছে
- 📌 ক্লারা শিহ ‘নিউ ওয়ার্ক ফাউন্ডেশন’ প্রতিষ্ঠা করেছেন তরুণদের কর্মজীবন প্রস্তুতির জন্য
📰 বিস্তারিত
সেলসফোর্স ও মেটার সাবেক প্রধান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষজ্ঞ ক্লারা শিহ সিবিএস নিউজের এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এআইয়ের প্রভাবের কারণে কর্মজীবন তিনটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত হবে। প্রথম শ্রেণিতে থাকবেন যারা এআই তৈরি করবেন, দ্বিতীয় শ্রেণিতে যারা এআই ব্যবহার করবেন এবং তৃতীয় শ্রেণিতে যারা এআই ব্যবস্থাপনা ও তদারকি করবেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, তৃতীয় শ্রেণির কর্মী ইতিমধ্যেই বাস্তবে উপস্থিত। উদাহরণস্বরূপ তিনি উবার চালক, ডোরড্যাশের ডেলিভারি কর্মী এবং ক্রমবর্ধমানভাবে গ্রাহকসেবা প্রতিনিধিদের কথা উল্লেখ করেছেন। এসব কর্মীর কাজের বড় অংশ এখন অ্যালগরিদম ও এআই-ভিত্তিক ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
শিহ বলেন, অধিকাংশ মানুষ মনে করেন তারা এআই ব্যবহারকারী শ্রেণিতে পড়বেন, কিন্তু বাস্তবে এই শ্রেণির কর্মীর সংখ্যা অনেক কম এবং তা আরও সংকুচিত হচ্ছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক তথ্য উল্লেখ করে বলেন, দেশটির সাম্প্রতিক কলেজ গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে প্রতি দুজনের একজন বেকার বা তাদের ডিগ্রির প্রয়োজন ছাড়াই কাজে নিয়োজিত। তিনি বলেন, এআই পণ্য ও ব্যবসা তৈরির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলো দেখেছে যে, কলেজ থেকে বের হওয়া কর্মীদের তুলনায় এআই শুরু থেকেই অনেক বেশি সক্ষমতা দেখাচ্ছে। ফলে নিয়োগের ধরনেও পরিবর্তন এসেছে।
এআইয়ের প্রভাব নিয়ে আরও সতর্কবার্তা দিয়ে ক্লারা শিহ বলেন, যথাযথ উদ্যোগ না নিলে যুক্তরাষ্ট্রের বড় শহরগুলোর বিভিন্ন খাতে উৎপাদনশিল্পের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তিনি তরুণদের কর্মজীবন প্রস্তুতির জন্য ‘নিউ ওয়ার্ক ফাউন্ডেশন’ নামে একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানও প্রতিষ্ঠা করেছেন।
"তরুণ ও নতুন স্নাতকদের কর্মসংস্থানে এআইয়ের প্রভাব বেশি পড়ছে। আমি যেসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছি, সেখানে এন্ট্রি-লেভেল কর্মীদের নিয়োগ কমে গেছে। এআই শুরু থেকেই অনেক বেশি সক্ষমতা দেখাচ্ছে, ফলে নিয়োগের ধরন পরিবর্তিত হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক তথ্য)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্লারা শিহ (সাবেক মেটা ও সেলসফোর্সের প্রধান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষজ্ঞ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ (প্রতি দুজনের একজন বেকার বা অপ্রয়োজনীয় চাকরিতে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!