📅 ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এআই তৈরি অবাস্তব সৌন্দর্য মানদণ্ড: তরুণ প্রজন্মের মানসিক চাপের কারণ

এআই তৈরি অবাস্তব সৌন্দর্য মানদণ্ড: তরুণ প্রজন্মের মানসিক চাপের কারণ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 এআই প্ল্যাটফর্মে তৈরি ৩০০ ছবি বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৯৩% পুরুষ ছবি তরুণ ও চর্বিহীন। নারীদের ৮৭% ছবি অতিরিক্ত পাতলা ও রিভেলিং পোশাক পরা। গবেষকরা সতর্ক করে দিয়েছেন, এআই তৈরি অবাস্তব রূপের কারণে তরুণদের আত্মবিশ্বাস ভেঙে পড়ছে এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে

এআই প্রযুক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবাস্তব সৌন্দর্য মানদণ্ড তৈরি করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে চরম মানসিক চাপ সৃষ্টি করছে। গবেষণা থেকে দেখা গেছে, এআই দিয়ে তৈরি ছবিগুলোতে পুরুষদের ৯৩.৩ শতাংশ তরুণ, ৬৮.৪ শতাংশ চর্বিহীন এবং ৫৪.২ শতাংশ পেশিবহুল। অন্যদিকে, নারীদের ৮৭.৫ শতাংশ ছবিতে অতিরিক্ত পাতলা শরীর এবং রিভেলিং পোশাক পরা দেখা যায়। এসব ছবি মানুষের বাস্তব শরীরের সাথে কোনো মিল রাখে না, বরং সম্পূর্ণ কৃত্রিম রূপ উপস্থাপন করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইউনিভার্সিটি অব টরন্টোর গবেষণায় ৩০০টি এআই-প্রকৃত ছবি বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৯৮.৪ শতাংশ অ্যাথলেট ছবি অত্যন্ত পেশিবহুল এবং চর্বিহীন
  • 📌 নারীদের ৮৭.৫ শতাংশ ছবিতে রিভেলিং পোশাক পরা এবং অতিরিক্ত পাতলা শরীর উপস্থাপিত হয়েছে
  • 📌 শিশু ও তরুণদের মধ্যে এআই তৈরি অবাস্তব রূপের কারণে মানসিক চাপ এবং নিজের শরীর নিয়ে অসন্তোষের প্রবণতা বেড়েছে
  • 📌 কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা সতর্ক করেছেন, এআই ছবিগুলোকে লেবেল না করে ছড়িয়ে দেওয়ায় শিশুরা বেশি প্রভাবিত হচ্ছে
  • 📌 সেন্টার ফর অ্যাপিয়ারেন্স রিসার্চের গবেষণা দেখায়, এআই ছবির সাথে নিজেকে তুলনা করার ফলে তরুণদের আত্মবিশ্বাস ভেঙে পড়ছে

📰 বিস্তারিত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি ছবিগুলো মানুষের বাস্তব জীবনের সাথে কোনো মিল রাখে না। গবেষণায় দেখা গেছে, এআই প্ল্যাটফর্মগুলো অ্যাথলেটদের ছবি তৈরিতে ৯৩.৪ শতাংশ পুরুষের ছবি তৈরি করে, যেখানে নারী অ্যাথলেটদের ছবি খুব কমই দেখা যায়। এছাড়া, এআই তৈরি ছবিগুলোতে কোনো ধরনের শারীরিক অক্ষমতা বা বলিরেখা দেখা যায় না। এআই নিজে থেকে কোনো বৈচিত্র্য তৈরি করে না, বরং ইন্টারনেটে প্রচলিত বৈষম্যমূলক ছবি বিশ্লেষণ করে শিখে থাকে। ফলে, এআই মানুষের শরীরকে একমুখী ও অবাস্তব ছাঁচে ফেলে উপস্থাপন করছে।

কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মিয়া পেরুমাল এবং মার্কেটিং ফ্রিল্যান্সার কেলি ওয়াটস জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই তৈরি ছবিগুলোকে লেবেল না করে ছড়িয়ে দেওয়ায় শিশুরা বেশি প্রভাবিত হচ্ছে। ১২ বছর বয়সী কিশোরীরাও এআই তৈরি রূপকে নিজের ‘স্বপ্নের শরীর’ হিসেবে গ্রহণ করে চরম মানসিক কষ্টে ভুগছে। সেন্টার ফর অ্যাপিয়ারেন্স রিসার্চের সাইকোলজির অধ্যাপক ফিলিপা ডিডরিচস বলেন, মানুষের সহজাত প্রবণতা হলো নিজেকে অন্যদের সাথে তুলনা করা। কিন্তু এআই তৈরি অবাস্তব ছবির সাথে তুলনা করার ফলে তরুণদের আত্মবিশ্বাস ভেঙে পড়ে।

গবেষকরা আরও জানান, এআই তৈরি অবাস্তব ছবির কারণে তরুণদের স্বাস্থ্যকর শারীরিক চর্চা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার এবং খাবারের ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়েছে। কার্ডিফ বিজনেস স্কুলের গবেষক জো লি এবং হান্না ম্যারিয়টের গবেষণায় দেখা গেছে, যখন মানুষ বুঝতে পারে কোনো মডেল কৃত্রিম, তখন তারা সেই ছবি থেকে নিজেদের মানসিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে নেয় এবং নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখায়।

"এআই নিজে থেকে কোনো ছবি বা বৈচিত্র্য তৈরি করে না। এটি ইন্টারনেটে থাকা কোটি কোটি পুরোনো ডেটা ও বৈষম্যমূলক ছবি বিশ্লেষণ করে শিখছে। আমাদের সমাজে আগে থেকে প্রচলিত মেদহীন ও নিখুঁত সৌন্দর্যের অন্ধ পক্ষপাত এআই অ্যালগরিদমগুলো পুনরুৎপাদন করে আমাদের সামনে ফেরত দিচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো গবেষক, মিয়া পেরুমাল, কেলি ওয়াটস, ফিলিপা ডিডরিচস, জো লি, হান্না ম্যারিয়ট
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০টি ছবি বিশ্লেষণ, ৯৩.৩% পুরুষ ছবি তরুণ, ৮৭.৫% নারী ছবি অতিরিক্ত পাতলা, ৯৮.৪% অ্যাথলেট ছবি চর্বিহীন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖