📅 ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এআই ব্যবসায়ে ১০ তরুণ বিলিয়নিয়ার: ৭ জনের সম্পদ বাড়ে ১৬৯ বিলিয়ন ডলারে

এআই ব্যবসায়ে ১০ তরুণ বিলিয়নিয়ার: ৭ জনের সম্পদ বাড়ে ১৬৯ বিলিয়ন ডলারে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফোর্বসের সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী, এআই ব্যবসায়ে ১০ জন তরুণ বিলিয়নিয়ারের সম্পদ ১৬৯ বিলিয়ন ডলার। তাদের মধ্যে ৭ জন নতুন করে তালিকায় জায়গা পেয়েছেন। এআই সফটওয়্যার, শেয়ারবাজার অ্যাপ এবং এআই প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান থেকে এসেছে তাদের সম্পদ

ফোর্বসের সর্বশেষ ‘ফোর হান্ড্রেড’ তালিকায় এআই ব্যবসায়ে ১০ জন তরুণ বিলিয়নিয়ারের সম্পদ ১৬৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এদের মধ্যে ৭ জন নতুন করে তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এআই সফটওয়্যার, শেয়ারবাজার অ্যাপ এবং এআই প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান থেকে এসেছে তাদের বিপুল সম্পদ। ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী, এই ১০ জনের সম্মিলিত সম্পদের মূল্য ২০২৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৬৯ বিলিয়ন ডলার।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৫ সালে ফোর্বস তালিকায় ৪০ বছরের কম বয়সী বিলিয়নিয়ার ছিল ৪ জন, এবছর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১০ জন
  • 📌 এআই সফটওয়্যার, শেয়ারবাজার অ্যাপ এবং এআই প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান থেকে এসেছে তাদের সম্পদ
  • 📌 সবচেয়ে ধনী তরুণ বিলিয়নিয়ার লুকাস ওয়ালটন, সম্পদ ৪৪.৪ বিলিয়ন ডলার, ওয়ালমার্টের উত্তরাধিকারী
  • 📌 শেয়ারবাজার অ্যাপ রবিনহুডের সহপ্রতিষ্ঠাতা ভ্লাদ তেনেভের সম্পদ ৭.১ বিলিয়ন ডলার
  • 📌 অ্যানথ্রপিক প্রতিষ্ঠানের সহপ্রতিষ্ঠাতা টম ব্রাউন ও ড্যানিয়েলা আমোদেইয়ের সম্পদ ১৫.৫ বিলিয়ন ডলার করে
  • 📌 সার্জ এআই প্রতিষ্ঠাতা এডউইন চেনের সম্পদ ১৮ বিলিয়ন ডলার, এআই প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মালিক

📰 বিস্তারিত

ফোর্বসের ‘ফোর হান্ড্রেড’ তালিকায় ৪০ বছরের কম বয়সী বিলিয়নিয়ারদের সংখ্যা এবছর উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৫ সালে এই সংখ্যা ছিল মাত্র ৪ জন, কিন্তু এবছর ১০ জন তরুণ বিলিয়নিয়ার তালিকায় স্থান পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ৭ জন নতুন করে তালিকায় জায়গা পেয়েছেন। এআই ব্যবসায়ের কারণে তাদের সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে। এআই সফটওয়্যার, মডেল প্রশিক্ষণের তথ্য সরবরাহ এবং স্বয়ংক্রিয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি তৈরি করে তারা বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছে।

সবচেয়ে ধনী তরুণ বিলিয়নিয়ার লুকাস ওয়ালটন। তিনি ওয়ালমার্টের প্রতিষ্ঠাতা স্যাম ওয়ালটনের নাতি এবং জন ওয়ালটনের একমাত্র সন্তান। তাঁর বাবার কাছ থেকে পাওয়া ওয়ালমার্টের শেয়ারই তাঁর সম্পদের প্রধান উৎস। শিকাগোভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বিল্ডার্স ভিশন পরিচালনা করছেন তিনি, যা পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, টেকসই খাদ্য এবং সমুদ্র সংরক্ষণে বিনিয়োগ করে।

শেয়ারবাজার অ্যাপ রবিনহুডের সহপ্রতিষ্ঠাতা ভ্লাদ তেনেভের সম্পদ ৭.১ বিলিয়ন ডলার। তিনি বুলগেরিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় সহপ্রতিষ্ঠাতা বাইজু ভাটের সাথে পরিচিত হন। ২০১৩ সালে রবিনহুড প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়াও তিনি গণিতভিত্তিক যুক্তি নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান হারমোনিকের চেয়ারম্যান।

অ্যানথ্রপিক প্রতিষ্ঠানের সহপ্রতিষ্ঠাতা টম ব্রাউন ও ড্যানিয়েলা আমোদেইয়ের সম্পদ ১৫.৫ বিলিয়ন ডলার করে। ব্রাউন ওপেনএআইয়ের প্রথম কর্মীদের একজন ছিলেন। তিনি ওপেনএআই থেকে ছাড়া পেয়ে অ্যানথ্রপিক প্রতিষ্ঠা করেন। ড্যানিয়েলা আমোদেই স্ট্রাইপে কাজ করার পর ওপেনএআইয়ে নিরাপত্তা ও নীতিবিষয়ক দায়িত্ব পালন করেছেন।

এডউইন চেনের সম্পদ ১৮ বিলিয়ন ডলার। তিনি সার্জ এআই প্রতিষ্ঠা করেছেন, যা এআই প্রশিক্ষণের তথ্য সরবরাহ করে। চেন ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে গণিত, ভাষাবিজ্ঞান ও কম্পিউটার বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। গুগল, ফেসবুক ও টুইটারে কাজ করেছেন তিনি।

"এআই ব্যবসায়ে তরুণদের সম্পদ বৃদ্ধির হার দ্রুত বাড়ছে। এআই মডেল প্রশিক্ষণ, শেয়ারবাজার অ্যাপ এবং নতুন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান থেকে এসেছে এই সম্পদ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লুকাস ওয়ালটন, ভ্লাদ তেনেভ, টম ব্রাউন, ড্যানিয়েলা আমোদেই, এডউইন চেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬৯ বিলিয়ন ডলার (সম্মিলিত সম্পদ), ১০ জন তরুণ বিলিয়নিয়ার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖