📌 মহাকাশ যাত্রার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৫২টি দেশের ৭৪৬ জন মানুষ মহাশূন্যে পাড়ি জমিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের নভোচারীদের সংখ্যা সর্বাধিক, নারীদের অংশগ্রহণ এখনো পুরুষদের তুলনায় কম। বাণিজ্যিক মহাকাশ পর্যটনের কারণে মহাকাশে যাত্রা করার সুযোগ বেড়েছে
মহাকাশ যাত্রার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত পৃথিবীর ৫২টি দেশের ৭৪৬ জন মানুষ মহাশূন্যে পাড়ি জমিয়েছেন। এই সংখ্যা অন্তর্ভুক্ত করেছে পেশাদার নভোচারীদের পাশাপাশি বাণিজ্যিক পর্যটকদের। কার্মান লাইন নামে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০০ কিলোমিটার উচ্চতায় অবস্থিত সীমান্তের ভিত্তিতে এই সংখ্যা গণনা করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯৫৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৫২টি দেশের ৭৪৬ জন মানুষ মহাকাশে ভ্রমণ করেছেন
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের নভোচারীদের সংখ্যা সর্বাধিক — মোটের ৩৬৯ জন
- 📌 রাশিয়া ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নভোচারীদের সংখ্যা ১৩৮ জন, চীনের ২৯ জন
- 📌 মহাকাশে যাত্রা করেছেন মোট ১১২ জন নারী — যা মোটের মাত্র ১৫ শতাংশ
- 📌 বাণিজ্যিক মহাকাশ পর্যটনের কারণে নারী যাত্রীদের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সের মধ্যে থাকা ব্যক্তিরাই মোট যাত্রীদের ৮৫ শতাংশ জুড়ে রয়েছেন
- 📌 সর্বকনিষ্ঠ মহাকাশ যাত্রী ২০২১ সালে ১৮ বছর বয়সে, সর্বপ্রবীণ ২০২৪ সালে ৯০ বছর বয়সে মহাকাশে গিয়েছিলেন
📰 বিস্তারিত
মহাকাশ যাত্রার ইতিহাসে প্রথম নারী হিসেবে সোভিয়েত নভোচারী ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা ১৯৬৩ সালের জুন মাসে মহাকাশে পা রাখেন। এর প্রায় ২০ বছর পর মার্কিন নভোচারী স্যালি রাইড মহাকাশে যাত্রা করেন। তবে বাণিজ্যিক মহাকাশ পর্যটনের কারণে নারী যাত্রীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২০ সালের পর থেকে ব্লু অরিজিনের সাব–অরবিটাল রকেটে বাণিজ্যিক যাত্রী বা অতিথি হিসেবে অংশ নেওয়া নারীদের সংখ্যা মোট নারী মহাকাশ যাত্রীদের অর্ধেকেরও বেশি।
বয়সের দিক থেকে দেখা যায়, বেশিরভাগ মহাকাশ যাত্রী তাদের প্রথম অভিযানের সময় ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সের মধ্যে ছিলেন। এই বয়সের ব্যক্তিরাই মোট যাত্রীদের ৮৫ শতাংশ জুড়ে রয়েছেন। বাণিজ্যিক ফ্লাইটের সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে এই বয়সের পরিসর আরও প্রসারিত হয়েছে। সর্বকনিষ্ঠ মহাকাশ যাত্রী হিসেবে ২০২১ সালে ১৮ বছর বয়সে মহাকাশে যাত্রা করেন অলিভার ডেমেন। অন্যদিকে, ২০২৪ সালে ৯০ বছর ৮ মাস বয়সে মহাকাশে যাত্রা করে সবচেয়ে প্রবীণ নভোচারীর খেতাব অর্জন করেন এড ডোয়াইট।
মহাকাশ অনুসন্ধানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা দ্রুত এগিয়ে চলছে। মহাকাশ প্রযুক্তির দ্রুত রূপান্তর ও বাণিজ্যিক প্রসারের মাধ্যমে মানুষের মহাশূন্যে যাওয়ার সুযোগ আগামী দিনে আরও অনেক বেড়ে যাবে বলে বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন।
"মহাকাশ প্রযুক্তির দ্রুত রূপান্তর ও বাণিজ্যিক প্রসারের মাধ্যমে মানুষের মহাশূন্যে যাওয়ার সুযোগ আগামী দিনে আরও অনেক বেড়ে যাবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহাকাশ (কার্মান লাইন, ১০০ কিলোমিটার উচ্চতা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা, স্যালি রাইড, অলিভার ডেমেন, এড ডোয়াইট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২টি দেশ, ৭৪৬ জন মানুষ, ৩৬৯ জন যুক্তরাষ্ট্রের নভোচারী, ১১২ জন নারী, ১৫ শতাংশ, ৩০-৪০ বছর বয়সের ৮৫ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!