📌 সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় স্থানীয় একটি পক্ষের আপত্তিতে মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত হয়। বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে নিরাপত্তা ও দ্রুত আয়োজন দাবি করেছে
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় স্থানীয় একটি পক্ষের আপত্তিতে ৫ অক্টোবর স্থগিত হয়ে যায় মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। স্বপ্নচূড়া স্পোর্টিং ক্লাব ও সিলেটের জারা স্পোর্টিং ক্লাবের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল এই ম্যাচ। স্থানীয় প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টিকারী একটি ছোট গোষ্ঠী খেলার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়ে মেয়েদের নিরাপত্তা ও খেলার সুযোগে বাধা সৃষ্টি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫ অক্টোবর সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় স্বপ্নচূড়া স্পোর্টিং ক্লাব ও সিলেটের জারা স্পোর্টিং ক্লাবের মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ স্থগিত হয় স্থানীয় আপত্তির কারণে
- 📌 বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন, ‘মেয়েদের খেলায় বাধা দেওয়া হবে না, তাদের পাশে দাঁড়াবো’
- 📌 সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শারমিন আক্তার রত্না দাবি করেন, ‘বাধা সৃষ্টিকারীদের সামাজিক হেনস্তা ও জবাবদিহি করতে হবে’
- 📌 স্বপ্নচূড়া স্পোর্টিং ক্লাবের কোচ রাকিব ভূঁইয়া জানান, ‘প্রশাসন ম্যাচ বাতিলের দায়িত্ব আমাকে দিয়েছে, কিন্তু আমি চাইনি’
- 📌 অধিনায়ক সাবানা আক্তার প্রশ্ন তুলেন, ‘আমরা কীভাবে আবার ফুটবলে এগিয়ে যাব যদি এভাবে পিছিয়ে রাখা হয়?’
📰 বিস্তারিত
৫ অক্টোবর সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল স্বপ্নচূড়া স্পোর্টিং ক্লাব ও সিলেটের জারা স্পোর্টিং ক্লাবের মেয়েদের ফুটবল ম্যাচ। কিন্তু স্থানীয় একটি পক্ষের আপত্তি ও প্রশাসনের অনিশ্চয়তার কারণে ম্যাচ স্থগিত হয়। বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা আজ রাজধানীর ধানমন্ডির শহীদ রিয়া গোপ মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে সংবাদ সম্মেলন করে তীব্র প্রতিবাদ জানায়। সংস্থার সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন, ‘একটি ছোট গোষ্ঠী খেলার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। মেয়েদের হুমকি দেওয়ার ঘটনাও উদ্বেগজনক। বাংলাদেশে মেয়েদের খেলাকে বাধা দেওয়া হবে না, তাদের পাশে দাঁড়াবো এবং বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়া হবে না।’
সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শারমিন আক্তার রত্না বলেন, ‘শুধু প্রতিবাদ জানিয়ে থেমে থাকা যথেষ্ট নয়। বাধা সৃষ্টিকারীদের সামাজিক হেনস্তা ও জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তারা কেন এ ধরনের আচরণ করছে, সে বিষয়ে সামাজিকভাবে জবাবদিহি করতে হবে।’
স্বপ্নচূড়া স্পোর্টিং ক্লাবের কোচ রাকিব ভূঁইয়া বলেন, ‘আমি আগেই ম্যাচ আয়োজনের বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে জানিয়েছিলাম এবং লিখিত আবেদনও জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু ৪ অক্টোবর রাতে আমাকে জানানো হয়, একটি পক্ষ খেলা বন্ধের দাবি তুলেছে। পরদিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে নেই এবং ম্যাচ আয়োজনের পর কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে আমাকে দায়িত্ব নিতে হবে। আমি ম্যাচ বাতিল করতে চাইনি, কিন্তু সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা ও খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব হয়নি।’
অধিনায়ক সাবানা আক্তার বলেন, ‘হাওরাঞ্চলের মেয়েরা কতটা বাধা পেরিয়ে এগিয়ে আসছে, সে কথাই তুলে ধরছি। নৌকায় দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে বা হেঁটে অনুশীলনে আসা সত্ত্বেও ম্যাচ খেলতে না পারার হতাশা প্রকাশ পেয়েছে। আমাদের এভাবে যদি পিছিয়ে রাখা হয়, তাহলে আমরা আবার ফুটবলে এগিয়ে যাব কীভাবে?’
"একটি ছোট গোষ্ঠী খেলার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। মেয়েদের হুমকি দেওয়ার ঘটনাও উদ্বেগজনক। বাংলাদেশে মেয়েদের খেলাকে বাধা দেওয়া হবে না, তাদের পাশে দাঁড়াবো এবং বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়া হবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা স্টেডিয়াম, সিলেটের জারা স্পোর্টিং ক্লাব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা, শারমিন আক্তার রত্না, রাকিব ভূঁইয়া, সাবানা আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ অক্টোবর, ৪ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!