📌 ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো পর্তুগালের জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে সৌদি আরবে ফিরেছেন। কোচ জর্জ জেসুসের সিদ্ধান্তে রাগান্বিত হয়ে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, আর ফিরবেন কি জানা নেই। বিশ্বকাপের পরপরই অবসর নেবার কথা থাকলেও কোচের পদে জর্জ জেসুসের নিয়োগে তিনি আবার মাঠে ফিরেছিলেন। কিন্তু বেঞ্চে বসে থাকার সিদ্ধান্তে রাগান্বিত হয়ে তিনি দল ছেড়ে চলে গেছেন
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো পর্তুগালের জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে সৌদি আরবে ফিরে গেছেন। ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন যে, অভিমান থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোচ জর্জ জেসুসের সাথে সম্পর্কের ভাঙন এবং দলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ার কারণে তিনি এই পদক্ষেপ নেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২২ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষে রোনালদো পর্তুগালের জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে সৌদি আরবে ফিরেছেন।
- 📌 কোচ জর্জ জেসুস রোনালদোকে প্রথম ম্যাচে ৬৭ মিনিট মাঠে রাখলেও পরবর্তী ম্যাচে পুরো সময় বেঞ্চে বসিয়ে রেখেছিলেন।
- 📌 ১৮ বছর পর প্রথমবারের মতো কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের পুরো সময় বেঞ্চে বসে কাটিয়েছেন রোনালদো।
- 📌 ২০০৮ সালের ইউরো থেকে এটিই তার প্রথম অভিজ্ঞতা যেখানে তিনি কোনো ম্যাচে মাঠে নামেননি।
- 📌 কোচ ও ফেডারেশনের প্রধান রোনালদোর সাথে আলোচনা করলেও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেননি।
- 📌 সৌদি আরবের আল নাসর ক্লাবের কোচ হিসেবে জর্জ জেসুসের সাথে এক বছর কাজ করার পর রোনালদো আবারও জাতীয় দলের ক্যাম্পে ফিরেছিলেন।
📰 বিস্তারিত
গতকাল রাতের কথা। সবাই যখন গভীর ঘুমে, রোনালদো ফেসবুকে এক পোস্ট দিয়ে ঘোষণা দেন যে, তিনি পর্তুগালের জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে সৌদি আরবে ফিরছেন। তার পোস্টের সুর থেকে বোঝা যায়, অভিমান থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোচ জর্জ জেসুসের সাথে সম্পর্কের ভাঙন এবং দলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ার কারণে তিনি এই পদক্ষেপ নেন।
২২ বছরের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে রোনালদো তিনটি শিরোপা জিতেছেন এবং পর্তুগালকে বিশ্বমঞ্চে ত্রাস দিয়েছেন। কিন্তু বিশ্বকাপের পরপরই অবসর নেবার কথা থাকলেও, জর্জ জেসুসের কোচিং পদে নিয়োগের পর তিনি আবার মাঠে ফিরেছিলেন। জেসুসের সাথে এক বছর কাজ করার পর রোনালদোকে সৌদি আরবের আল নাসর ক্লাবের কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
কোচ জেসুসের সাথে আলোচনা করার পর রোনালদো আবারও জাতীয় দলের ক্যাম্পে ফিরেছিলেন। কিন্তু প্রথম ম্যাচে তিনি ৬৭ মিনিট মাঠে ছিলেন এবং কোনো উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারেননি। পরবর্তী ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে তিনি পুরো সময় বেঞ্চে বসে ছিলেন। এই সিদ্ধান্তে রোনালদো খুব রাগান্বিত হন। শেষ মুহূর্তে তিনি মাঠে নামার কথা থাকলেও, ২-১ গোলে জয়ের ম্যাচে তিনি পুরো সময় বেঞ্চে ছিলেন।
১৮ বছর আগে ২০০৮ সালের ইউরোতে তিনি কোনো ম্যাচে মাঠে নামেননি। সেই সময় কোচ লুইস ফেলিপে স্কলারি তাকে মাঠে নামাননি। সেই অভিজ্ঞতা থেকে রোনালদো বুঝতে পারছিলেন যে, কোচের সাথে সম্পর্ক ভাঙার সম্ভাবনা রয়েছে।
কোচ জেসুস এবং ফেডারেশনের প্রধান রোনালদোর সাথে আলোচনা করলেও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেননি। কোচ সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘রোনালদোকে নিয়ে জোর করে কথা বলানোর কিছু নেই। বরং আমি সামনের ম্যাচ নিয়ে চিন্তিত, রোনালদোকে নিয়ে নই’। এই কথাগুলো রোনালদোর ইগোকে আরও জোরালো করে তুলেছিল।
"কোচের সিদ্ধান্তে আমি আর মেনে নিতে পারছি না। আমি আর ফিরবো না, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পর্তুগালের জাতীয় দলের ক্যাম্প, সৌদি আরব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, কোচ জর্জ জেসুস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ বছর (ক্যারিয়ার), ৬৭ মিনিট (মাঠে সময়), ১৮ বছর (১৮ বছর আগের অভিজ্ঞতা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!