📌 ফোর্বসের সর্বশেষ তালিকায় দেখা গেছে, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসি এখনো ফুটবলের অর্থনীতিতে একচেটিয়া রাজত্ব করছেন। রোনালদোর আয় ৩০ কোটি ডলার, মেসির ১৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার। নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের মধ্যে কিলিয়ান এমবাপ্পে তৃতীয় স্থানে উঠেছেন ১০ কোটি ডলারের আয় নিয়ে
ফুটবলের মাঠে নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের দাপট বাড়লেও অর্থনীতিতে এখনো পুরাতন যুগের দুজন সিংহের একচেটিয়া রাজত্ব অব্যাহত। ফোর্বসের সর্বশেষ প্রকাশিত ২০২৬ সালের সর্বোচ্চ আয়কারী ফুটবলারদের তালিকায় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসি যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে দাঁড়িয়েছেন। এই দুজনই টানা ১২তমবার (গত ১৩ বছরের মধ্যে) শীর্ষে অবস্থান করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **রোনালদো** ৩০ কোটি ডলার আয় করে বিশ্বের সর্বোচ্চ আয়কারী ফুটবলার হিসেবে দাঁড়িয়েছেন, যা গত বছরের ২৮ কোটি ডলার থেকে ২ কোটি বেশি। এর মধ্যে ২৫ কোটি ডলার মাঠ থেকে এবং ৫ কোটি ডলার মাঠের বাইরের ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে আসছে।
- 📌 **মেসি** ১৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার আয় করে দ্বিতীয় স্থানে রইলেন। মাঠের বাইরের আয় (সাড়ে ৭ কোটি ডলার) মাঠের আয় (৭ কোটি ডলার) থেকে বেশি। গত বছরের তুলনায় আয় বেড়েছে ১.৫ কোটি ডলার।
- 📌 **কিলিয়ান এমবাপ্পে** তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছেন ১০ কোটি ডলারের আয় নিয়ে। গত বছরের তুলনায় ৫০ লাখ ডলার বেশি আয় করেছেন।
- 📌 **শীর্ষ দশ ফুটবলারের মোট আয়** এ বছর প্রায় ৯৪ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা গত বছরের ৯৪ কোটি ৫০ লাখ ডলারের তুলনায় সামান্য কম। তবে রোনালদো ও মেসির মোট আয় (৪৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার) শীর্ষ দশের মোট আয়ের প্রায় অর্ধেক।
- 📌 **রোনালদো** প্রথম সক্রিয় ক্রীড়াবিদ হিসেবে ২০০ কোটি ডলার আয়ের মাইলফলক পেরিয়েছেন। মেসিও এগিয়ে যাচ্ছেন সেই দিকে।
📰 বিস্তারিত
ফুটবলের মাঠে নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের যেমন দাপট বাড়ছে, তেমনি মাঠের বাইরে অর্থনীতিতে পুরাতন যুগের দুজন সিংহের একচেটিয়া রাজত্ব অব্যাহত। ফোর্বসের সর্বশেষ তালিকায় দেখা গেছে, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসি এখনো ফুটবলের অর্থনীতিতে একচেটিয়া রাজত্ব করছেন। রোনালদো ৩০ কোটি ডলার আয় করে বিশ্বের সর্বোচ্চ আয়কারী ফুটবলার হিসেবে দাঁড়িয়েছেন। এর মধ্যে ২৫ কোটি ডলার আসছে সৌদি আরবের আল নাসর ক্লাব থেকে বেতন-বোনাসের মাধ্যমে, আর বাকি ৫ কোটি ডলার আসছে বিভিন্ন পণ্য প্রচারের মাধ্যমে। গত বছরের তুলনায় রোনালদোর আয় বেড়েছে ২ কোটি ডলার।
মেসির গল্প আলাদা। তিনি নিজের নামকেই ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে তোলার পরিবর্তে বড় বড় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক এবং ব্যবসায়িক বিনিয়োগে মনোনিবেশ করেছেন। ফোর্বসের হিসাব অনুযায়ী, মেসির মোট আয় ১৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এর মধ্যে ইন্টার মায়ামি ক্লাব থেকে প্রায় ৭ কোটি ডলার আসছে, আর মাঠের বাইরের আয় সাড়ে ৭ কোটি ডলার। মেসির মাঠের বাইরের আয় মাঠের আয় থেকে বেশি। গত বছরের তুলনায় মেসির আয় বেড়েছে ১.৫ কোটি ডলার।
রোনালদো প্রথম সক্রিয় ক্রীড়াবিদ হিসেবে ২০০ কোটি ডলার আয়ের মাইলফলক পেরিয়েছেন। তিনি নিজের নামকে একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলেছেন। ‘সিআর সেভেন’ ব্র্যান্ডের অধীনে তিনি বিভিন্ন পণ্য ও ব্যবসায়িক উদ্যোগ পরিচালনা করেন। অন্যদিকে, মেসিও এগিয়ে যাচ্ছেন সেই দিকে।
শীর্ষ দশ ফুটবলারের মোট আয় এ বছর প্রায় ৯৪ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা গত বছরের ৯৪ কোটি ৫০ লাখ ডলারের তুলনায় সামান্য কম। তবে রোনালদো ও মেসির মোট আয় (৪৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার) শীর্ষ দশের মোট আয়ের প্রায় অর্ধেক। গত বছরের তুলনায় বেশিরভাগ ফুটবলারের আয় বেড়েছে, তবে ফ্রান্সের সাবেক স্ট্রাইকার করিম বেনজেমা তালিকায় থাকা বাদ পড়ার কারণে মোট আয় সামান্য কমেছে। বেনজেমার জায়গায় বায়ার্ন মিউনিখের হ্যারি কেইন তালিকায় এসেছেন।
"ফুটবলের অর্থনীতিতে এখনো রোনালদো ও মেসির একচেটিয়া রাজত্ব অব্যাহত। নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের আয় বাড়লেও তাদের সাথে তুলনা করা যায় না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র (ফোর্বসের তালিকা), সৌদি আরব (রোনালদোর ক্লাব), কাতার (মেসির ক্লাব)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ কোটি ডলার (রোনালদোর আয়), ১৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার (মেসির আয়), ১০ কোটি ডলার (এমবাপ্পের আয়), ২০০ কোটি ডলার (রোনালদোর মাইলফলক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!