📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১৮ বছর বয়সী রিও এনগোমোহা: লিভারপুলের অ্যানফিল্ডে ‘নির্মম’ উইঙ্গার হিসেবে চমক ফেলে ৭ গোলের ম্যাচে

১৮ বছর বয়সী রিও এনগোমোহা: লিভারপুলের অ্যানফিল্ডে ‘নির্মম’ উইঙ্গার হিসেবে চমক ফেলে ৭ গোলের ম্যাচে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 লিভারপুলের ১৮ বছর বয়সী উইঙ্গার রিও এনগোমোহা চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে ২ অ্যাসিস্ট দিয়ে দলকে ৪-৩ গোলে জিতিয়ে দেন। ১০ কোটি পাউন্ডের বদলি খেলোয়াড়দের চেয়ে তিনি একাকী প্রতিপক্ষকে ‘আনপ্লেয়েবল’ করে তুলেন

লিভারপুলের অ্যানফিল্ডে গতকালের চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে ১৮ বছর বয়সী রিও এনগোমোহা ‘নির্মম’ উইঙ্গার হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেন। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ২-০ পিছিয়ে থাকা লিভারপুলকে তিনি ৩-২ গোলে এগিয়ে নিয়ে যান এবং শেষ পর্যন্ত ৪-৩ গোলে জেতার মূল চালিকাশক্তি হন। ৭৪ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামার পর তিনি ম্যাচের সবচেয়ে বেশি আলোচিত খেলোয়াড়ে পরিণত হন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৭৪ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামার পর রিও এনগোমোহা ২ অ্যাসিস্ট দিয়ে লিভারপুলকে ৪-৩ গোলে জেতায় নিয়ে যান ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে।
  • 📌 ১০ কোটি পাউন্ডের বদলি খেলোয়াড়দের তুলনায় তিনি একাকী প্রতিপক্ষের রক্ষণকে ‘আনপ্লেয়েবল’ করে তুলেন।
  • 📌 ৭টি সফল ড্রিবলিং, ১২টি বক্স স্পর্শ এবং ২টি অ্যাসিস্ট দিয়ে তিনি চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়দের তালিকায় নিজের নাম লেখেন।
  • 📌 মাইকেল ওয়েনের রেকর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান টুর্নামেন্টে লিভারপুলের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে গোল করার রেকর্ড এনগোমোহা নিজের করে নেন।
  • 📌 বাবা নাইজেরিয়ান, মা গুয়াদেলুপিয়ান ইংল্যান্ডের বয়সভিত্তিক দল থেকে জাতীয় দলেও জায়গা পেয়েছেন তিনি।

📰 বিস্তারিত

গতকালের ম্যাচে লিভারপুলের কোচ আন্দনি ইরাওলা প্রথমে ফ্লোরিয়ান ভির্টৎস, তারপর আলেকসান্দার ইসাক এবং শেষে ব্র্যাডলি বারকোলাকে বদলি হিসেবে নামান। এই তিন খেলোয়াড়ের প্রত্যেকের দাম ১০ কোটি পাউন্ডের বেশি। কিন্তু তাদের কেউই আলো কাড়তে পারেননি। এর বিপরীতে, ৭৪ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামার পর রিও এনগোমোহা একাকী প্রতিপক্ষের রক্ষণকে ‘আনপ্লেয়েবল’ করে তুলেন। তার দুটি অ্যাসিস্টে লিভারপুল ৩-২ গোলে এগিয়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত ৪-৩ গোলে জেতে।

অ্যানফিল্ডের গ্যালারিতে তার নামের স্লোগান ‘রিও, রিও, রিও’ শুনতে পাওয়ায় বোঝা যায়, তিনি কতটা প্রভাব ফেলেছেন। ম্যাচ শেষে স্পিকারেও বাজে ব্রিটিশ ব্যান্ড ‘ডুরান ডুরান’ এর ‘রিও’ গান। লিভারপুলের গোলকিপার আলিসন বেকার মাঠে জড়িয়ে ধরেন ম্যাচসেরা এনগোমোহাকে।

এনগোমোহা ম্যাচে ২ অ্যাসিস্ট, ৩টি গোলের সুযোগ তৈরি এবং ৭টি সফল ড্রিবলিং করে চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়দের তালিকায় নিজের নাম লেখেন। তিনি চ্যাম্পিয়নস লিগের কোনো ম্যাচে ৫ বা তার বেশি ড্রিবল (৭টি), প্রতিপক্ষের বক্সে ১০ বা তার বেশি বল স্পর্শ (১২টি) এবং অ্যাসিস্ট (২টি) করার রেকর্ডও গড়েন।

"বল পেয়ে ওয়ান-অন-ওয়ান কিংবা টু-অন-ওয়ানের সুযোগ তৈরি হলে নিজের ওপর বিশ্বাস রাখি। আমি শুধু সামনে এগিয়ে যেতে চাই এবং আরও বেশি নির্মম হতে চাই।"

লিভারপুলের কোচ আন্দনি ইরাওলা বলেন, ‘রিওর বয়স এখনো মাত্র ১৮ বছর, সে এখনো পরিণত নয়। নিজের খেলায় আরও উন্নতি করতে পারবে এবং আমি আশা করি সে এভাবেই এগিয়ে যাবে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: লিভারপুল, ইংল্যান্ড (অ্যানফিল্ড)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রিও এনগোমোহা (১৮), আলিসন বেকার, আন্দনি ইরাওলা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৪ মিনিটে বদলি, ২ অ্যাসিস্ট, ৭ ড্রিবলিং, ১২ বক্স স্পর্শ, ১০ কোটি পাউন্ডের বদলি খেলোয়াড়

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖