📅 ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

‘মোহামেডানের প্রতাপ’ প্রতাপ শঙ্কর হাজরার জীবনযাত্রা থেকে খেলাধুলার ইতিহাস: জন্ম থেকে আন্তর্জাতিক কিংবদন্তি হয়ে ওঠা গল্প

‘মোহামেডানের প্রতাপ’ প্রতাপ শঙ্কর হাজরার জীবনযাত্রা থেকে খেলাধুলার ইতিহাস: জন্ম থেকে আন্তর্জাতিক কিংবদন্তি হয়ে ওঠা গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের জাতীয় দলের ফুটবল ও হকি খেলোয়াড়, ক্রিকেটার ও হকি কোচ প্রতাপ শঙ্কর হাজরা ‘ক্রাউন সিমেন্ট অভিজ্ঞতার আলো’ অনুষ্ঠানে নিজের জীবনকাহিনি শেয়ার করেন। জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪২ সালের ৩ এপ্রিল (১৩৫০ সালের ১৩ চৈত্র) মুন্সিগঞ্জের দোগাছিতে। হাজরা পরিবারের ঐতিহ্য, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জাতীয় দলের খেলোয়াড় হিসেবে তার অবদান এবং শৈশবের স্মৃতির কথা বলেন তিনি

বাংলাদেশের ক্রীড়া ইতিহাসে অন্যতম কিংবদন্তি প্রতাপ শঙ্কর হাজরা ‘ক্রাউন সিমেন্ট অভিজ্ঞতার আলো’ অনুষ্ঠানে নিজের জীবনকাহিনির স্মৃতিচারণ শুরু করেন। তিনি একের ভেতরে তিন—বাংলাদেশের জাতীয় দলের ফুটবল ও হকি খেলোয়াড়, ক্রিকেটার এবং হকি কোচ। প্রথম আলোর বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ পুরস্কারে তিনি আজীবন সম্মাননা লাভ করেন। নিজেকে তিনি পরিচয় দেন ‘মোহামেডানের প্রতাপ’ হিসেবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **জন্ম ও পরিবার**: প্রতাপ শঙ্কর হাজরা ১৯৪২ সালের ৩ এপ্রিল (১৩৫০ সালের ১৩ চৈত্র) মুন্সিগঞ্জ জেলার দোগাছি উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পূর্বপুরুষরা ফরিদপুরের শিবচরে জমিদার ছিলেন এবং ‘হাজারী’ উপাধি পেয়েছিলেন, যা পরবর্তীকালে ‘হাজরা’ হয়ে যায়।
  • 📌 **শৈশব ও পরিবেশ**: শৈশবে তিনি কলকাতা ও কাশীতে বসবাস করেন। কাশীতে থাকাকালীন তার বয়স ছিল মাত্র আট-নয় বছর। তিনি স্মরণ করেন, কাশীর বানর দেখতে দেখতে ভয় পেয়েছিলেন।
  • 📌 **শিক্ষা ও পেশা**: বাবা প্রিয় শঙ্কর হাজরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএপাস করেন। তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে শুরু করলেও ঠাকুরমার পরামর্শে ওকালতি পড়েন। মা অন্নপূর্ণা হাজরা উচ্চমাধ্যমিক পড়তে পড়তে বিয়ে করেন।
  • 📌 **ক্রীড়া জীবন**: প্রতাপ শঙ্কর হাজরা ১৯৫২ সালে ঢাকার আরমানিটোলা গভর্নমেন্ট স্কুলে ভর্তি হন। শৈশবে আরমানিটোলার বাড়ির ছোট্ট লনে খেলাধুলা হতো। তিনি বলেন, বন্ধু-বান্ধব ও পাড়ার ছেলেরা বিকেলে এসে খেলতেন।
  • 📌 **জাতীয় দলের খেলোয়াড়**: তিনি পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জাতীয় দলের ফুটবল ও হকি খেলোয়াড় ছিলেন। ক্রিকেটেও অংশগ্রহণ করেছেন এবং হকির কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

📰 বিস্তারিত

প্রতাপ শঙ্কর হাজরা ‘ক্রাউন সিমেন্ট অভিজ্ঞতার আলো’ অনুষ্ঠানে নিজের জীবনকাহিনির স্মৃতিচারণ শুরু করেন। তিনি বলেন, “আমি একের ভেতরে তিন—বাংলাদেশের জাতীয় দলের ফুটবল ও হকি খেলোয়াড়, ক্রিকেটার এবং হকি কোচ।” তিনি প্রথম আলোর বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা লাভ করেন। নিজেকে তিনি ‘মোহামেডানের প্রতাপ’ হিসেবে পরিচয় দেন।

প্রতাপ শঙ্কর হাজরা ১৯৪২ সালের ৩ এপ্রিল (১৩৫০ সালের ১৩ চৈত্র) মুন্সিগঞ্জ জেলার দোগাছি উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বলেন, “আমার পূর্বপুরুষরা ফরিদপুরের শিবচরে জমিদার ছিলেন। মোগল আমলে এক হাজার সৈন্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা জমিদার খ্যাতি লাভ করেন। হাজারী উপাধি পেয়েছিলেন, যা পরবর্তীকালে হাজরা হয়ে যায়।”

শৈশবে তিনি কলকাতা ও কাশীতে বসবাস করেন। তিনি বলেন, “পঞ্চাশের দাঙ্গার সময় আমাদের পরিবারের সবাই কলকাতায় চলে যান। সেখান থেকে আমার মায়ের বড় বোনের বাড়ি কাশীতে যাই। সেখানে আমি নয় মাস বসবাস করি। পরে রাঁচিতে আমার পিসির বাড়িতে ছয় মাস থাকি। তারপর ঢাকায় ফিরে আসি।” তিনি স্মরণ করেন, কাশীতে থাকাকালীন তার বয়স ছিল মাত্র আট-নয় বছর। তিনি বলেন, “আজও বানর দেখলেই আমার সেই ঘটনা সাংঘাতিক মনে পড়ে, কী ভয় পেয়েছিলাম!”

তিনি আরমানিটোলা গভর্নমেন্ট স্কুলে ১৯৫২ সালে ভর্তি হন। তিনি বলেন, “আরমানিটোলার বাড়িতে ছিল টেনিস মাঠের মতো ছোট্ট লন। সেখানে আমরা সবাই খেলতাম। বন্ধু-বান্ধব ও পাড়ার ছেলেরা বিকেলে এসে খেলতেন।” তিনি আরো বলেন, “আমার বাবা প্রিয় শঙ্কর হাজরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএপাস করেন। তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে শুরু করলেও ঠাকুরমার পরামর্শে ওকালতি পড়েন। মা অন্নপূর্ণা হাজরা উচ্চমাধ্যমিক পড়তে পড়তে বিয়ে করেন।”

"আমি একের ভেতরে তিন—বাংলাদেশের জাতীয় দলের ফুটবল ও হকি খেলোয়াড়, ক্রিকেটার এবং হকি কোচ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মুন্সিগঞ্জ জেলা (দোগাছি উপজেলা), ঢাকা, কলকাতা, কাশী, রাঁচি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রতাপ শঙ্কর হাজরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৪২ (জন্মবছর), ৩ (জন্ম তারিখ), ১৩৫০ (বাংলা বছর), ১৯৫২ (ভর্তি বছর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖