📌 ইংরেজ প্রিমিয়ার লিগের দীর্ঘতম তদন্তে ম্যানচেস্টার সিটি ক্লাবকে ১১৪টি আর্থিক নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে আনুষ্ঠানিকভাবে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। ২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুমে ক্লাবের ৮৩ কোটি ৬৯ লাখ পাউন্ডের ছদ্মবেশী অর্থায়ন পরিকল্পনা উন্মোচিত হয়েছে। প্রিমিয়ার লিগের প্রধান নির্বাহী রিচার্ড মাস্টার্স বলেছেন, এই সিদ্ধান্তে প্রমাণিত হয়েছে ক্লাবটি দশ বছর ধরে নিয়ম ভেঙেছে
ইংরেজ প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ তদন্তের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ম্যানচেস্টার সিটিকে ১১৫টি আর্থিক নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে ১১৪টি ক্ষেত্রেই দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ ২৯ সেপ্টেম্বর একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই খবর নিশ্চিত করেছে। এই তদন্তে উন্মোচিত হয়েছে ক্লাবটি ২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুম পর্যন্ত প্রিমিয়ার লিগের নিয়ম লঙ্ঘন করে আসছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ম্যানচেস্টার সিটিকে ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টি ক্ষেত্রে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে
- 📌 ২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুমে ক্লাবের ৮৩ কোটি ৬৯ লাখ পাউন্ডের ছদ্মবেশী অর্থায়ন পরিকল্পনা উন্মোচিত
- 📌 ভুয়া বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে ক্লাবটি আয় বাড়িয়ে দেখানো ও খরচ কমিয়ে দেখানোর চেষ্টা করেছিল
- 📌 প্রিমিয়ার লিগের প্রধান নির্বাহী রিচার্ড মাস্টার্স বলেছেন, এই সিদ্ধান্তে প্রমাণিত হয়েছে ক্লাবটি দশ বছর ধরে নিয়ম ভেঙেছে
- 📌 তদন্তে সহযোগিতা না করার মাত্র একটি অভিযোগ ছাড়া বাকি সবকটিতে দোষী সাব্যস্ত
📰 বিস্তারিত
২৪ সেপ্টেম্বর দ্য অ্যাথলেটিক এবং বিবিসি প্রথম এই খবর প্রকাশ করেছিল। প্রিমিয়ার লিগের একটি স্বাধীন কমিশন জানিয়েছে, ম্যানচেস্টার সিটি ২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুমে তাদের বেশ কিছু বাণিজ্যিক সহযোগীর সঙ্গে ‘ভুয়া চুক্তি’ করেছিল। এই চুক্তিগুলোকে প্রায় ৮৩ কোটি ৬৯ লাখ পাউন্ডের এক ‘ছদ্মবেশী অর্থায়ন পরিকল্পনা’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগগুলো চারটি প্রধান ক্যাটাগরিতে শতাধিক নিয়ম লঙ্ঘনের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল।
প্রিমিয়ার লিগের প্রধান নির্বাহী রিচার্ড মাস্টার্স বলেছেন, ‘মূল সিদ্ধান্তটি প্রকাশ করে দিয়েছে যে সেই সময়ে ম্যানচেস্টার সিটিতে আসলে কী ঘটেছিল। এতে বিস্তারিত উঠে এসেছে কীভাবে ক্লাবটি প্রায় এক দশক ধরে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রিমিয়ার লিগের নিয়ম ভেঙেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে এই মামলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল, তাও এতে প্রমাণিত হলো। যদিও এই প্রক্রিয়াটি দীর্ঘ ও কঠিন ছিল, তবে লিগ সব সময় স্বাধীনভাবে সত্য উদ্ঘাটনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিল।’
মাস্টার্স আরও বলেছেন, প্রিমিয়ার লিগের সুনাম বজায় রাখাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। ‘ক্লাবগুলোর নিজেদের অনুমোদন করা নিয়মগুলো যেন বজায় থাকে এবং প্রতিযোগিতার নিরপেক্ষতা রক্ষা পায়, তা নিশ্চিত করা প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। সব ক্লাব ও সমর্থকদের জন্য লিগটিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং ফেয়ার রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এই দায়িত্বটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখি।’
"মূল সিদ্ধান্তটি প্রকাশ করে দিয়েছে যে সেই সময়ে ম্যানচেস্টার সিটিতে আসলে কী ঘটেছিল। এতে বিস্তারিত উঠে এসেছে কীভাবে ক্লাবটি প্রায় এক দশক ধরে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রিমিয়ার লিগের নিয়ম ভেঙেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইংরেজ প্রিমিয়ার লিগ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রিচার্ড মাস্টার্স (প্রিমিয়ার লিগের প্রধান নির্বাহী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৪টি দোষী সাব্যস্ত অভিযোগ, ৮৩ কোটি ৬৯ লাখ পাউন্ডের ছদ্মবেশী অর্থায়ন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!