📌 প্রিমিয়ার লিগের ১১৫টি আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে ম্যানচেস্টার সিটি ১১৪টি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। ক্লাবের সামনে ক্রীড়াগত ও আর্থিক শাস্তির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যদিও শাস্তির বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি
ম্যানচেস্টার সিটি প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে সর্বাধিক আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। একটি স্বাধীন কমিশন ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টি অভিযোগে ক্লাবটিকে দোষী ঘোষণা করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটিকে বড় ধরনের ক্রীড়াগত ও আর্থিক শাস্তির মুখে পড়তে যাচ্ছে। তবে শাস্তির প্রকৃতি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ম্যানচেস্টার সিটি ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টি আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে
- 📌 অভিযোগের মূল বিষয় ছিল ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ক্লাবের সঠিক আর্থিক তথ্য গোপন করা ও খেলোয়াড়-স্টাফদের পারিশ্রমিকের অসত্য উপস্থাপন
- 📌 অভিযোগের ভিত্তি ছিল ২০১৮ সালে জার্মান সংবাদমাধ্যম ‘ডের স্পিগেল’-এ প্রকাশিত তথ্য
- 📌 ম্যানচেস্টার সিটির মুখপাত্র জানান, প্রিমিয়ার লিগের আইনি প্রক্রিয়া চলমান এবং তারা ২০২৩ সালের অবস্থানের ওপর অবিচল রয়েছে
- 📌 ক্লাবটি দাবি করে, তাদের কাছে নির্দোষ প্রমাণের যথেষ্ট তথ্য রয়েছে
- 📌 ২০২০ সালে উয়েফা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে সিটিকে শাস্তি দিয়েছিল, যা পরে বাতিল হয়
📰 বিস্তারিত
প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ চার বছর ধরে তদন্ত চালিয়ে ২০২৩ সালের শুরুতে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে। এই তদন্তের মূল বিষয় ছিল ম্যানচেস্টার সিটির ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সঠিক আর্থিক তথ্য গোপন করা এবং খেলোয়াড় ও স্টাফদের পারিশ্রমিকের বিস্তারিত অসত্য উপস্থাপন। এই সিদ্ধান্তের পর ক্লাবের একজন মুখপাত্র জানান, প্রিমিয়ার লিগের আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলমান এবং তা কঠোর গোপনীয়তার অধীন। ফলে ক্লাবটি ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেওয়া অবস্থানের ওপরই অবিচল রয়েছে।
ম্যানচেস্টার সিটি বরাবরই এইসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে এবং তাদের কাছে নির্দোষ প্রমাণের যথেষ্ট তথ্য রয়েছে বলে দাবি করেছে। ২০০৮ সালে শেখ মনসুরের মালিকানাধীন আবু ধাবি ইউনাইটেড গ্রুপ ক্লাবের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এই আর্থিক বিতর্কের সূত্রপাত। এর আগে ২০২০ সালে উয়েফাও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে সিটিকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ ও জরিমানা করেছিল, যা পরে ‘কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্ট’ (সিএএস)-এ বাতিল হয়। তবে প্রিমিয়ার লিগের নিয়ম অনুযায়ী সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও অভিযোগ গঠনের সুযোগ থাকায় এবার ক্লাবটি চূড়ান্ত শাস্তির মুখে পড়তে যাচ্ছে।
"প্রিমিয়ার লিগের আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলমান এবং তা কঠোর গোপনীয়তার অধীন। ফলে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেওয়া অবস্থানের ওপরই ক্লাব অবিচল রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইংল্যান্ড (প্রিমিয়ার লিগ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ মনসুর, ম্যানচেস্টার সিটি ক্লাবের মুখপাত্র
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টি দোষী সাব্যস্ত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!