📌 নাহিদ রানার কোচ আলমগীর কবির বলেছেন, তিনি ঢাকা মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে নাহিদ রানাকে প্রথম দেখেছিলেন। ক্লেমন একাডেমিতে নাহিদের পেসের জোর দেখে তিনি অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। আলমগীর বলেছেন, নাহিদের পেস জন্মগত এবং কেউ তা বাড়াতে পারেন না
বাংলাদেশের দ্রুততম বোলার নাহিদ রানার কোচ আলমগীর কবিরের স্মৃতিচারণে উঠে এসেছে তার ‘অসম্ভব পেস’ নিয়ে একটি আশ্চর্যজনক গল্প। ‘সঙ্গে উৎপল শুভ্র’ অনুষ্ঠানে আলমগীর কবির বলেছেন, তিনি নাহিদ রানাকে প্রথম দেখেছিলেন রাজশাহী মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে। সেই মুহূর্ত থেকে তিনি বুঝতে পারলেন যে, এই বোলারকে পাওয়ার সৌভাগ্য তার।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **রাজশাহী মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে প্রথম দেখা**: আলমগীর কবির বলেছেন, নাহিদ রানাকে প্রথম দেখেছিলেন রাজশাহী মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে, যা তার জন্য একটি আশ্চর্যজনক অভিজ্ঞতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
- 📌 **ক্লেমন একাডেমিতে ‘অসম্ভব পেস’**: ক্লেমন ক্রিকেট একাডেমিতে নাহিদ রানার পেসের জোর দেখে আলমগীর কবির অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। বলগুলো বাউন্ডারিতে যাচ্ছিল এবং উইকেটকিপাররা ধরে পাচ্ছিল না।
- 📌 **জন্মগত পেসের গল্প**: আলমগীর কবির বলেছেন, পেস বোলিং জন্মগত একটি ক্ষমতা। কেউ তা বাড়াতে পারেন না, কিন্তু নাহিদ রানার পেসের জোর দেখে তিনি বুঝতে পারলেন যে, এটাই তার বিশেষত্ব।
- 📌 **১৮-১৯ বছর বয়সে কোচিং শুরু**: আলমগীর কবির নাহিদ রানাকে ১৮ থেকে ১৯ বছর বয়সে কোচিং শুরু করেছিলেন। সেই সময় থেকে তিনি নাহিদকে ‘র’ প্লেয়ার হিসেবে বিকশিত করতে শুরু করেছিলেন।
- 📌 **শরীফুলের সাথে প্রতিযোগিতা**: আলমগীর কবির বলেছেন, শরীফুল ইসলামও তার অন্যতম বিখ্যাত ছাত্র। তবে নাহিদ রানাকে তিনি ‘বাবা-মায়ের মতো’ ভালোবাসেন।
📰 বিস্তারিত
‘সঙ্গে উৎপল শুভ্র’ অনুষ্ঠানে আলমগীর কবির বলেছেন, নাহিদ রানাকে প্রথম দেখা হয়েছিল রাজশাহী মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে। তিনি বলেছেন, “আমি আশ্চর্যচকিত হয়ে গিয়েছিলাম। আমি ভাবিনি যে, আমি এমন একটা পেস বোলারকে পাব যিনি এমন জোরে বল করতে পারবেন।” ক্লেমন ক্রিকেট একাডেমিতে যখন নাহিদ রানার পেস দেখেছিলেন, তখন তিনি বুঝতে পারলেন যে, এটাই তার বিশেষত্ব। বলগুলো বাউন্ডারিতে যাচ্ছিল এবং উইকেটকিপাররা ধরে পাচ্ছিল না। আলমগীর কবির নিজে উইকেটকিপার হয়ে বল ধরার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু দুটো বলই মিস করেছিলেন।
আলমগীর কবির বলেছেন, “নাহিদ রানার পেস জন্মগত। কেউ কখনো পেস বোলারের পেস বাড়াতে পারেন না। কিন্তু নাহিদের পেসের জোর দেখে আমি বুঝতে পারলাম যে, এটাই তার বিশেষত্ব। আমি তার স্কিল এবং অন্যান্য দক্ষতা বিকশিত করতে শুরু করলাম।” তিনি বলেছেন, নাহিদ রানাকে ১৮ থেকে ১৯ বছর বয়সে কোচিং শুরু করেছিলেন। সেই সময় থেকে তিনি নাহিদকে ‘র’ প্লেয়ার হিসেবে বিকশিত করতে শুরু করেছিলেন।
আলমগীর কবির বলেছেন, নাহিদ রানার পেসের জোর দেখে তিনি অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, “নাহিদ রানার পেসের জোর দেখে আমি বুঝতে পারলাম যে, এটাই তার বিশেষত্ব। আমি তার স্কিল এবং অন্যান্য দক্ষতা বিকশিত করতে শুরু করলাম।” তিনি বলেছেন, নাহিদ রানাকে প্রথম দেখা হয়েছিল রাজশাহী মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে। সেই মুহূর্ত থেকে তিনি বুঝতে পারলেন যে, এই বোলারকে পাওয়ার সৌভাগ্য তার।
"আমি নিজে উইকেটকিপার হয়ে বল ধরার চেষ্টা করলাম, কিন্তু দুটো বলই মিস করলাম। বল বাউন্ডারি হয়ে যাচ্ছিল, বাই বাউন্ডারি। তখন বলটা যখন ধরলাম, বুঝলাম, এর ভেতরে কিছু একটা আছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স, ক্লেমন ক্রিকেট একাডেমি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলমগীর কবির, নাহিদ রানা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮-১৯ বছর বয়স, ১৪০+ কিলোমিটার/ঘন্টা পেস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!