📌 বিশ্বকাপ খেলোয়াড় হিসেবে খ্যাতি অর্জন করা নাইজেরিয়ান ফুটবলার মাইকেল বাবাতুন্দে এবার যোগ দিচ্ছেন ঢাকা আবাহনী লিমিটেডে। তাঁর আগমনে দেশের ঘরোয়া ফুটবলে যুক্ত হচ্ছে পঞ্চম বিদেশি তারকা, যিনি বিশ্বকাপের মূল পর্বে অংশ নিয়েছেন
বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ফুটবলার হিসেবে পরিচিত নাইজেরিয়ার মাইকেল বাবাতুন্দে এখন থেকে খেলবেন বাংলাদেশের ক্লাব ফুটবলের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী দল ঢাকা আবাহনী লিমিটেডে। বিশ্বকাপের মূল পর্বে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের মধ্যে তিনি পঞ্চম হিসেবে যোগ দিচ্ছেন বাংলাদেশের ক্লাব ফুটবলে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিশ্বকাপ খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত মাইকেল বাবাতুন্দে যোগ দিচ্ছেন ঢাকা আবাহনী লিমিটেডে
- 📌 তাঁর আগমনে দেশের ঘরোয়া ফুটবলে যুক্ত হচ্ছে পঞ্চম বিশ্বকাপ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বিদেশি ফুটবলার
- 📌 সর্বশেষ বিশ্বকাপ অভিজ্ঞতা নিয়ে বাংলাদেশে আসেন কোস্টারিকার দানিয়েল কলিনদ্রেস, যিনি ২০১৮ সালে বসুন্ধরা কিংসে খেলেছিলেন
- 📌 বাংলাদেশের ক্লাব ফুটবলে প্রথম বিশ্বকাপ তারকা আসেন ১৯৮৭ সালে, যাঁদের মধ্যে ছিলেন ইরানের কিংবদন্তি গোলরক্ষক নাসের হেজাজি
- 📌 সামির শাকির ও করিম মোহাম্মদ ছিলেন ১৯৮৭ মৌসুমে আবাহনীর বিদেশি খেলোয়াড়
📰 বিস্তারিত
বিশ্বকাপের ইতিহাসে নিজের নাম লেখানো ফুটবলার হিসেবে পরিচিত মাইকেল বাবাতুন্দে এবার যোগ দিচ্ছেন ঢাকা আবাহনী লিমিটেডে। ব্রাজিল বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে তাঁর গোলে সহায়তা করা এবং পরবর্তীতে আঘাত পাওয়ার ঘটনা এখনও আলোচিত। তাঁর আগমনে দেশের ঘরোয়া ফুটবলে যুক্ত হচ্ছে পঞ্চম বিদেশি খেলোয়াড়, যিনি বিশ্বকাপের মূল পর্বে অংশ নিয়েছেন।
বাংলাদেশের ক্লাব ফুটবলে বিশ্বকাপ অভিজ্ঞতার ইতিহাস বেশ পুরনো। ১৯৮৭ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলা তিন বিদেশি ফুটবলার আসেন ঢাকায়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ইরানের কিংবদন্তি গোলরক্ষক নাসের হেজাজি, যিনি ১৯৭৮ সালের বিশ্বকাপে ইরানের এক নম্বর গোলকিপার ছিলেন। হেজাজি মোহামেডান ক্লাবে কোচ ও খেলোয়াড় হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন, যদিও তাঁকে খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে দেখা গিয়েছিল মাত্র একবার।
সামির শাকির ও করিম মোহাম্মদ ছিলেন ইরাকের আল রশিদ ক্লাবের খেলোয়াড়। তাঁরা ১৯৮৭ সালে ঢাকায় আসেন সপ্তম এশিয়ান ক্লাব কাপের বাছাইপর্ব খেলতে। আল রশিদের অধিনায়ক সামির শাকিরের নেতৃত্বে দলটি ঢাকা মোহামেডানকে ৫-১ গোলে পরাজিত করে। পরবর্তীতে তাঁরা আবাহনীতে যোগ দেন। সামির শাকির পরবর্তীতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন এবং তাঁর নেতৃত্বেই বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালে সাফ ফুটবলে স্বর্ণপদক জয় করে।
"বিশ্বকাপ অভিজ্ঞতা নিয়ে আবাহনীতে যোগ দিতে পেরে আমি আনন্দিত। এই দলের সঙ্গে খেলে দেশের ফুটবলপ্রেমীদের আরও বেশি কিছু দেওয়ার চেষ্টা করব।"
বাংলাদেশের ক্লাব ফুটবলে বিশ্বকাপ অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় যোগ হচ্ছেন মাইকেল বাবাতুন্দে। তাঁর আগে কোস্টারিকার দানিয়েল কলিনদ্রেস ছিলেন সর্বশেষ বিশ্বকাপ খেলা বিদেশি ফুটবলার, যিনি ২০১৮ সালে বসুন্ধরা কিংসে খেলেছিলেন। কলিনদ্রেস পরবর্তীতে আবাহনীতে যোগ দেন এবং দলটির সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাইকেল বাবাতুন্দে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ (বিশ্বকাপ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বিদেশি ফুটবলার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ (বাবাতুন্দের বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!