📌 ১৯ বছর আগের একটি ছবিতে লিওনেল মেসি এক শিশুকে গোসল করানোর সময় হাসছেন। সেই শিশু হলেন আর্জেন্টিনার ফুটবলার ইয়ামাল। সাম্প্রতিক সময়ে ছবিটি ভাইরাল হওয়ায় ইয়ামাল তার বাবাকে ছবি প্রকাশ না করার জন্য আপত্তি জানিয়েছেন। মেসির গোসলের ছবি নিয়ে ইয়ামালের সাক্ষাৎকারের বিবরণ প্রকাশিত হয়েছে
১৯ বছর আগের একটি ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি সামাজিক মাধ্যমে আবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ২০০৭ সালের একটি ছবিতে লিওনেল মেসি বাথটাবে বসা এক শিশুকে গোসল করানোর সময় হাসছেন। সেই শিশুটি হলেন আর্জেন্টিনার বর্তমান ফুটবলার ইয়ামাল। সাম্প্রতিককালে এই ছবিটি ইউরো এবং কোপা আমেরিকা ফাইনালের আগে ভাইরাল হয়ে উঠলে ইয়ামালের পরিবার থেকে আপত্তি জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০০৭ সালের একটি ছবিতে লিওনেল মেসি এক শিশুকে গোসল করানোর সময় হাসছেন, সেই শিশু হলেন ইয়ামাল
- 📌 ইয়ামালের বাবা মুনির মাসরাউই ২০০৭ সালে ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন, পরে ইয়ামাল তাকে মুছে ফেলার জন্য বলেছিলেন
- 📌 ইয়ামাল বলেছেন, ‘সবাই শুধু সেটি নিয়ে কথা বলত, তুলনাটা সহজেই চলে আসত’
- 📌 মেসি ২০২২ বিশ্বকাপ, ২০২১ ও ২০২৪ কোপা আমেরিকা, ২০২২ ফিনালিসিমা — এই চারটি শিরোপা জিতেছেন আর্জেন্টিনার হয়ে
- 📌 ছবিটি স্প্যানিশ দৈনিক স্পোর্ত ও ইউনিসেফের একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের জন্য তোলা হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
২০০৭ সালের সেই ছবিতে লিওনেল মেসি বাথটাবে বসা এক শিশুকে গোসল করানোর সময় হাসছেন। সেই শিশুটি হলেন আর্জেন্টিনার বর্তমান ফুটবলার ইয়ামাল। ছবিটি তোলা হয়েছিল স্প্যানিশ দৈনিক স্পোর্ত ও ইউনিসেফের একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের জন্য। ছবির অধিকারী মুনির মাসরাউই, ইয়ামালের বাবা, ২০০৭ সালে ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন। কিন্তু ইয়ামাল পরে তার বাবাকে ছবিটি মুছে ফেলার জন্য বলেছিলেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর সাক্ষাৎকারে ইয়ামাল বলেছেন, ‘আমি তাকে (বাবাকে) বলেছিলাম যেন তিনি ছবিটি প্রকাশ না করেন। একবার তিনি ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন, আর আমি তাকে সেটি মুছে ফেলতে বলি। তুলনাটা খুব সহজেই চলে আসত। সবাই শুধু সেটি নিয়ে কথা বলত।’
২০০৭ সালে মেসি বার্সেলোনায় খেলতেন। তখনো তিনি পুরোপুরি মেসি হয়ে উঠতে পারেননি। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ইয়ামাল বুঝতে পেরেছেন মেসির মাহাত্ম্য। মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে ২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপ, ২০২১ ও ২০২৪ কোপা আমেরিকা এবং ২০২২ ফিনালিসিমা — এই চারটি শিরোপা জিতেছেন।
"আমি তাকে বলেছিলাম যেন তিনি ছবিটি প্রকাশ না করেন। একবার তিনি ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন, আর আমি তাকে সেটি মুছে ফেলতে বলি। তুলনাটা খুব সহজেই চলে আসত। সবাই শুধু সেটি নিয়ে কথা বলত"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: স্প্যানিশ দৈনিক স্পোর্ত ও ইউনিসেফের দাতব্য ক্যালেন্ডার, ফেসবুক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইয়ামাল, লিওনেল মেসি, মুনির মাসরাউই
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ বছর আগের (২০০৭ সাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!