📅 ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

লিওনেল মেসির নামের বিভ্রান্তি থেকে শুরু হয়েছিল আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের কষ্টময় গল্প

লিওনেল মেসির নামের বিভ্রান্তি থেকে শুরু হয়েছিল আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের কষ্টময় গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আর্জেন্টিনার জাতীয় ফুটবল দল মেসিকে খুঁজে পেতে কষ্ট পেয়েছিল তার নামের বিভ্রান্তির কারণে। ফোন ডিরেক্টরিতে 'লিওনার্দো' হিসেবে লিপিবদ্ধ থাকায় প্রথমে তাকে খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে বার্সেলোনায় তার অসাধারণ ফর্মের কারণে মেসি আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়ে পরিণত হন।

আর্জেন্টিনার জাতীয় ফুটবল দলের ইতিহাসে অন্যতম কষ্টময় গল্পের শুরু হয়েছিল একটা নামের বিভ্রান্তি দিয়ে। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) কর্মকর্তা ওমর সৌতো ফোন ডিরেক্টরিতে নাম খুঁজছিলেন। রোজারিওর পরিবারের নাম লিপিবদ্ধ ছিল 'লিওনার্দো' হিসেবে। কিন্তু ওপাশ থেকে সংশোধন এল, 'ওর নাম লিওনার্দো নয়, লিওনেল'। সেই লিওনেল মেসি আজ বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে অন্যতম মহান খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত। কিন্তু তার নিজের দেশের জাতীয় দলের সাথে তার সম্পর্কের শুরু ছিল কঠিন এবং বিভ্রান্তির মধ্য দিয়ে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা ফোন ডিরেক্টরিতে 'লিওনার্দো' হিসেবে লিপিবদ্ধ মেসির নামের বিভ্রান্তি থেকে শুরু হয়েছিল তার জাতীয় দলের সাথে সম্পর্কের কষ্টময় গল্প
  • 📌 ২০০৩ সালে ফিনল্যান্ডে অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে ৩-২ গোলে হারার পর আর্জেন্টাইন সাংবাদিক ও লেখক সের্হিও লেভিনস্কি মেসিকে 'বার্সেলোনার জিনিয়াস' হিসেবে উল্লেখ করেন
  • 📌 ২০০৫ সালে নেদারল্যান্ডসে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে মেসি মাঠে নামার মাত্র ৪৭ সেকেন্ডের মধ্যে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন, যা তার জাতীয় দলের সাথে সম্পর্কের আরো জটিল করে তোলে
  • 📌 ২০১১ সালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে মেসির এক গোলের জয়ে আর্জেন্টিনার সমর্থকরা তাকে প্রথমবারের মতো অন্য চোখে দেখতে শুরু করেন
  • 📌 ২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে মেসি সহজ সুযোগ নষ্ট করলেও, ২০১৬ কোপা আমেরিকার ফাইনালে টাইব্রেকারে মিসের পরেও তার সঙ্গে আর্জেন্টাইনদের বন্ধন গাঢ় হয়ে ওঠে

📰 বিস্তারিত

আর্জেন্টিনার জাতীয় ফুটবল দলের ইতিহাসে লিওনেল মেসির নামের বিভ্রান্তি ছিল কষ্টের একটি দীর্ঘ যাত্রার শুরু। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) কর্মকর্তা ওমর সৌতো ফোন ডিরেক্টরিতে 'লিওনার্দো' হিসেবে লিপিবদ্ধ মেসির নামের কারণে প্রথমে তাকে খুঁজে পেতে সমস্যা হয়েছিল। মেসির পরিবারের একজন সদস্য সংশোধন করে বলেছিলেন, 'ওর নাম লিওনার্দো নয়, লিওনেল'। এই বিভ্রান্তি ছিল মেসির জাতীয় দলের সাথে সম্পর্কের প্রথম বাধা।

২০০৩ সালে ফিনল্যান্ডে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে ৩-২ গোলে হেরে যাওয়ার পর আর্জেন্টাইন সাংবাদিক ও লেখক সের্হিও লেভিনস্কি মেসিকে 'বার্সেলোনার জিনিয়াস' হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি লিখেছেন, স্পেনের তরুণ সেস্ক ফ্যাব্রেগাস মেসিকে আর্জেন্টিনার সেরা খেলোয়াড় হিসেবে উল্লেখ করে বলেছিলেন, 'তোমরা হেরেছ, কারণ তোমাদের সেরা খেলোয়াড়টা রয়ে গেছে আমাদের বার্সেলোনায়'।

মেসির জাতীয় দলের সাথে সম্পর্কের আরো জটিলতা দেখা দেয় ২০০৫ সালে নেদারল্যান্ডসে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে। মেসি মাঠে নামার মাত্র ৪৭ সেকেন্ডের মধ্যে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। লেভিনস্কি লিখেছেন, 'যে ছেলে দেশে খেলে না, তাকে দলে ডাকার বিরুদ্ধে ছিল তীব্র প্রতিরোধ। স্পেনে থাকে বলে ওকে বিদেশি ভাবা হতো'।

মেসির জাতীয় দলের সাথে সম্পর্কের এই কষ্টময় যাত্রা অবশেষে ২০১১ সালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে তার এক গোলের জয়ে পরিবর্তিত হয়। লেভিনস্কির ভাষায়, 'ও ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল, এমনকি বমিও করেছে। তবু শেষ পর্যন্ত জিতিয়েই ছেড়েছে। সমর্থকেরা সেই প্রথম ওকে অন্য চোখে দেখল'।

"এত রকম সময়ের ভেতর দিয়ে গেছে ও, যেন প্রতিটা একেবারে আলাদা আলাদা যুগ। শুরুতে জাতীয় দলে ভীষণ কষ্ট পেয়েছে। সত্যিই সবকিছু সয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আর্জেন্টিনা, ফিনল্যান্ড, স্পেন, নেদারল্যান্ডস, কলম্বিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিওনেল মেসি, সের্হিও লেভিনস্কি, ওমর সৌতো
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৭ সেকেন্ড, ৩ গোল, ২০০৩, ২০০৫, ২০১১

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖