📅 ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মেসির সাফল্যের রহস্য: কীভাবে ডায়েট বদল দিয়ে তিনি ফুটবলের শীর্ষে টিকে রইলেন?

মেসির সাফল্যের রহস্য: কীভাবে ডায়েট বদল দিয়ে তিনি ফুটবলের শীর্ষে টিকে রইলেন?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৩৭ বছর বয়সে বিশ্বজয়ী মেসি কীভাবে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে ফুটবলের শীর্ষে টিকে রইলেন? জলপাই তেল, ইয়েরবা মাতে থেকে শুরু করে পুষ্টিবিদ জিউলিয়ানো পোসেরের ডায়েট চার্টের গোপনীয়তা এখানে জানুন

৩৭ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতেছেন লিওনেল মেসি। কিন্তু এই অর্জনের পেছনে ছিল তার শরীরের যত্নের জন্য নিরলস পরিশ্রম। ফুটবলের ইতিহাসে তার নাম অমর হয়ে আছে, কিন্তু তার সাফল্যের পেছনে লুকিয়ে ছিল একটি গোপনীয়তা — খাদ্যাভ্যাসের বিপ্লব।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০১৪ সাল থেকে মেসির খাদ্যাভ্যাসে বিপ্লব: পিৎজা ও ফাস্ট ফুড থেকে দূরে সরে আসেন জলপাই তেল, হোল গ্রেইন ও তাজা শাকসবজির দিকে
  • 📌 পুষ্টিবিদ জিউলিয়ানো পোসেরেরের ডায়েট চার্টের মাধ্যমে ২০১৪-১৫ মৌসুমে ৫৮ গোল ও ২৩ অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়েন
  • 📌 কোমল পানীয় ছেড়ে ইয়েরবা মাতের অভ্যাস: কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা দল ৫০০ কেজি মাতে নিয়ে গিয়েছিল
  • 📌 মেসির প্রিয় খাবার: জলপাই তেলে রোস্ট করা মুরগির মাংস, রসুন, পেঁয়াজ ও গাজরের সঙ্গে
  • 📌 ২০১০ সালের পর থেকে চোটের সমস্যা দূর করতে শুরু করেন খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন

📰 বিস্তারিত

দুই দশক ধরে ফুটবলের শীর্ষে থাকার পেছনে মেসির প্রতিভা ও পরিশ্রমই নয়, তার খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ২০১৪ সালের আগে মেসির খাদ্যাভ্যাস ছিল বেশ বিশৃঙ্খল। পিৎজা, ফাস্ট ফুড ও কোমল পানীয় ছিল তার নিয়মিত খাদ্যতালিকার অংশ। কিন্তু এই অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে তিনি বারবার চোটের শিকার হন এবং মাঠে বমি করার মতো সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে।

২০১৪ সালে মেসি বুঝতে পারেন যে, তার শরীরের যত্ন নেওয়া দরকার। তখনই তিনি ইতালীয় পুষ্টিবিদ জিউলিয়ানো পোসেরেরের সাথে কাজ শুরু করেন। পোসেরের তার পুরো খাদ্যতালিকা পরিবর্তন করেন। তিনি মেসিকে পাঁচটি মূল খাদ্য উপাদানকে কেন্দ্র করে খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলেন: পানি, জলপাইয়ের তেল, হোল গ্রেইন, তাজা ফল ও তাজা শাকসবজি। লাল মাংস ও চিনির ব্যবহার কমিয়ে আনা হয়।

পোসেরেরের পরামর্শে মেসি কোমল পানীয় ছেড়ে দেন এবং ইয়েরবা মাতের অভ্যাস শুরু করেন। এই দক্ষিণ আমেরিকান ঐতিহ্যবাহী পানীয়ে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন থাকে। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা দল তাদের সাথে ৫০০ কেজি ইয়েরবা মাতে নিয়ে গিয়েছিল। মেসি নিজেও এই পানীয়ের প্রতি তার প্রিয়তা প্রকাশ করেছেন।

"ও প্রক্রিয়াজাত খাবার পুরোপুরি বাদ দিয়ে সেখানে ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার যুক্ত করেছে—খাদ্যশস্য, সবজি, মাছ আর জলপাইয়ের তেল। জিতেছিল সবকিছুই, তবু এই শ্রেষ্ঠত্ব দিনের পর দিন ধরে রাখার তীব্র ইচ্ছা ছিল ওর। ও বুঝেছিল, শরীরকে ধরে রাখতে গেলে কোথাও পরিবর্তন আনা দরকার। ও অসম্ভব বুদ্ধিমান আর প্রখর অনুভূতির একজন মানুষ।"

মেসির প্রিয় খাবারের মধ্যে রয়েছে জলপাই তেলে রোস্ট করা মুরগির মাংস। বার্সেলোনার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রেসিপিতে দেখা যায়, এই খাবারে ৩০ গ্রাম জলপাই তেল, রসুন, পেঁয়াজ, গাজর, লিক, আলু ও মুরগির রান ব্যবহার করা হয়। এই খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন মেসিকে ২০১৪-১৫ মৌসুমে ৫৮ গোল ও ২৩ অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়তে সাহায্য করে, যার ফলে তিনি ট্রেবল জিতেছিলেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বার্সেলোনা, আর্জেন্টিনা, ইতালি, কাতার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিওনেল মেসি, জিউলিয়ানো পোসেরের
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৭ বছর বয়স, ৫৮ গোল, ২৩ অ্যাসিস্ট, ৫০০ কেজি ইয়েরবা মাতে, ৩০ গ্রাম জলপাই তেল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖