📌 বিশ্বকাপ জেতার পর লিওনেল মেসি বাংলাদেশে বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে দেখলেন, সেখানে তার ‘ফুটবলার’ পরিচয় নয় বরং ‘গৃহস্থালি’ দায়িত্বের মুখোমুখি হতে হয়। বন্ধুর গিন্নির আদেশে তিনি ডিম-টমেটো কিনতে বাজারে গেলেন এবং সেখানে নিজের ফুটবলার সত্তা বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলেও বন্ধুরা তাঁকে ‘জামাল ভাই’ হিসেবে চিনতে শুরু করলেন
বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন লিওনেল মেসি বাংলাদেশে বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে এক অপ্রত্যাশিত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন। সেখানে তাঁর ‘ফুটবলার’ পরিচয় নয় বরং ‘গৃহস্থালি’ দায়িত্বের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। বিশ্বকাপের ট্রফি দেখাতে এসেছিলেন বন্ধুদের, কিন্তু বন্ধুর গিন্নি চাঁদনী তাঁকে ডাক দিলেন রান্নাঘরে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিশ্বকাপ জেতার পর মেসি বাংলাদেশে বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে দেখলেন, সেখানে তাঁর ‘ফুটবলার’ পরিচয় নয় বরং ‘গৃহস্থালি’ দায়িত্বের মুখোমুখি হতে হয়।
- 📌 বন্ধুর গিন্নি চাঁদনী তাঁকে রান্নাঘরে ডাক দিলেন এবং বললেন, ‘আমাকে সাহায্য করো, ডিম-টমেটো কিনতে যাও’।
- 📌 বাজারে টমেটো বাছাই করার সময় মেসির ফুটবলার সত্তা জেগে উঠল এবং তিনি টমেটো নিয়ে ‘জাগলিং’ করার চেষ্টা করলেন।
- 📌 ক্যাশ কাউন্টারে দাঁড়িয়ে মেসিকে একজন ছেলে চিনতে চাইলেন এবং বললেন, ‘আপনি কি সেই ফ্রি-কিক স্পেশালিস্ট?’
- 📌 বন্ধুরা মেসিকে ‘জামাল ভাই’ হিসেবে চিনতে শুরু করলেন এবং তিনি বাড়ি ফিরে গৃহস্থালির কাজে লাগলেন।
📰 বিস্তারিত
বিশ্বকাপ জয়ের পর লিওনেল মেসির জীবনটা একদম বদলে গেছে, এমনটাই বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীরা ভেবেছিলেন। কিন্তু বাংলাদেশে বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে তিনি দেখলেন, সেখানে তাঁর ‘ফুটবলার’ পরিচয় নয় বরং ‘গৃহস্থালি’ দায়িত্বের মুখোমুখি হতে হয়। বন্ধু রবিনের নিজস্ব মহল্লায় মেসি তাঁর বিশ্বকাপের ট্রফি দেখাতে এসেছিলেন। কিন্তু চাঁদনী তাঁকে ডাক দিলেন রান্নাঘরে এবং বললেন, ‘লিও! একটু এদিকে এসো তো’।
মেসি বন্ধুর গিন্নির আদেশ মেনে রান্নাঘরে গেলেন। চাঁদনী তাঁকে বললেন, ‘আলমারির ওপরের ট্রফিটায় নিচে ধুলা জমছে। আর হ্যাঁ, ফ্রিজে ডিম শেষ, টমেটোও নেই। স্পোর্টস ব্যাগটা কাঁধে নাও, জলদি সুপারশপ থেকে নিয়ে এসো’। মেসি বাধ্য ছেলের মতো স্পোর্টস ব্যাগ ঝুলিয়ে বাজারের দিকে হাঁটা দিলেন।
বাজারে টমেটো বাছাই করার সময় মেসির ফুটবলার সত্তা জেগে উঠল। তিনি একটা টমেটো হাতে নিয়ে সেটির শেপ আর ব্যালান্স পরীক্ষা করতে লাগলেন। পাশে দাঁড়ানো এক বিক্রেতা অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখলেন, মেসি টমেটো নিয়ে বাঁ পায়ের পাতায় হালকা হালকা ‘জাগলিং’ করার চেষ্টা করছেন। বিক্রেতা চেঁচিয়ে উঠলেন, ‘আরে ভাই! টমেটো নিয়ে “টিকিটাকা” খেলছেন কেন? নষ্ট হয়ে যাবে তো!’
মেসি দ্রুত নিজের আবেগ সামলে নিয়ে বিড়বিড় করলেন, ‘সরি ভাই, ফার্স্ট টাচটা একটু ভারী হয়ে গিয়েছিল’। ডিম আর টমেটো কিনে মেসি যখন ক্যাশ কাউন্টারে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন কাউন্টারের ছেলেটি তাঁর দিকে একটু সন্দেহজনক চোখে তাকাল। ‘স্যার, আপনাকে খুব চেনা চেনা লাগছে। আপনি কি সেই ফ্রি-কিক স্পেশালিস্ট...’ মেসি ভয় পেয়ে মাস্কটা আরও ওপরে টেনে বললেন, ‘না না, আমি তো আর্জেন্টিনার এক সাধারণ বাসিন্দা। ঘুরতে এসেছি আপনাদের দেশে!’
"আমি লিওনেল মেসি! আটটি ব্যালন ডি’অর, বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক! আমার কিনা ডিম-টমেটোর বাজারে যেতে হবে?"
ছেলেটি হেসে বলল, ‘আরে না ভাই! আমি ভাবছিলাম আপনি বোধ হয় আমাদের পাড়ার সেই টুর্নামেন্টের রেফারি জামাল ভাই! মাস্কে হুবহু এক লাগছে’। মেসি মনে মনে স্বস্তির নিশ্বাস ফেললেন। ফুটবল–বিশ্ব তাঁকে চেনে শতাব্দীর সেরা খেলোয়াড় হিসেবে; কিন্তু টুপি আর মাস্ক পরলে বাংলাদেশের গলিঘরের মানুষ তাঁকে চিনতে শুরু করলেন ‘জামাল ভাই’ হিসেবে!
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (বন্ধুর বাড়ি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিওনেল মেসি, রবিন, চাঁদনী, বিক্রেতা, ক্যাশ কাউন্টারের ছেলে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর (বার্সেলোনায় থাকা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!