📌 আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলার মামলার রায় ঘোষণা হবে ২২ ডিসেম্বর। মামলায় সাত স্বাস্থ্যকর্মী আসামি, তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত চিকিৎসক লিওপোলদো লুকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১২ বছরের কারাদণ্ডের দাবি উঠেছে
আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলার মামলার রায় ঘোষণা হবে ২২ ডিসেম্বর। মামলার শুনানি শেষ হয়ে গেছে এবং বিচারের শেষ দিনে ম্যারাডোনার মেয়ে দালমা ম্যারাডোনা এবং আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দালমা ম্যারাডোনা আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, ‘আমি আশা করি, আমার বাবা তাঁর প্রাপ্য ন্যায়বিচার পাবেন। অন্য সবার মতো তিনিও ন্যায়বিচারের যোগ্য।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২২ ডিসেম্বর আদালত ঘোষণা করবে ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলার মামলার রায়
- 📌 মামলায় সাত স্বাস্থ্যকর্মী আসামি, তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত চিকিৎসক লিওপোলদো লুকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১২ বছরের কারাদণ্ডের দাবি
- 📌 মামলার শুনানিতে ৭০ জনেরও বেশি সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়া হয়
- 📌 ম্যারাডোনা ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর ৬০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ এবং ফুসফুসে পানি জমার কারণে
- 📌 মামলায় অভিযোগ, ম্যারাডোনার শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা না করে তাকে ব্যক্তিগত বাসায় সুস্থ হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় শুরু হওয়া মামলার শুনানি শেষ হয়ে গেছে। এই মামলায় সাতজন স্বাস্থ্যকর্মী আসামি হিসেবে অভিযুক্ত। তাদের মধ্যে ম্যারাডোনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক লিওপোলদো লুকে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। তিনি আদালতে বলেন, ‘আমি নির্দোষ।’
২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর মারা যান ম্যারাডোনা। হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ এবং ফুসফুসে পানি জমার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়। মস্তিষ্কে ছোট একটি অস্ত্রোপচারের পর সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য বুয়েনস এইরেসের উত্তরে তিগ্রে এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় ছিলেন তিনি। সেখানে বিছানায় তাঁর নিথর দেহ পাওয়া যায়।
মামলার শুনানিতে ৭০ জনেরও বেশি সাক্ষীর জবানবন্দি নেওয়া হয়। কৌঁসুলিরা সাত আসামির মধ্যে ছয়জনের জন্য চার থেকে ১২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের দাবি করেছেন। সর্বোচ্চ ১২ বছরের কারাদণ্ডের দাবি করা হয়েছে লুকের বিরুদ্ধে। প্রসিকিউশনের অভিযোগ, ম্যারাডোনার শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা না করে তাঁকে হাসপাতালে না রেখে ব্যক্তিগত বাসায় সুস্থ হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের প্রায় সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি ছিল। হাসপাতালের উপযোগী শয্যা, ডিফিব্রিলেটর বা দ্রুত পৌঁছাতে পারে এমন অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থাও ছিল না বলে অভিযোগ করেছেন কৌঁসুলিরা।
মামলায় সাক্ষ্য দেওয়া কয়েকজন চিকিৎসাবিশেষজ্ঞের দাবি, মৃত্যুর আগে ম্যারাডোনার শুশ্রূষার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা তাঁর গুরুতর শারীরিক সমস্যাগুলো যথাযথভাবে আমলে নেননি। তাঁর শরীরে পানি জমেছিল, হৃদ্স্পন্দন অস্বাভাবিক দ্রুত হয়ে গিয়েছিল এবং শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিল। এসব লক্ষণ দেখা দেওয়ার পরও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
"আমি আশা করি, আমার বাবা তাঁর প্রাপ্য ন্যায়বিচার পাবেন। অন্য সবার মতো তিনিও ন্যায়বিচারের যোগ্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আর্জেন্টাইন (বুয়েনস এইরেসের উত্তরে তিগ্রে এলাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দিয়েগো ম্যারাডোনা, দালমা ম্যারাডোনা, লিওপোলদো লুকে, কৌঁসুলিরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ ডিসেম্বর (রায়ের তারিখ), ২৫ নভেম্বর (মৃত্যু তারিখ), ৬০ বছর (বয়স), ৭০ জন (সাক্ষী), ১২ বছর (সর্বোচ্চ কারাদণ্ড)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!