📌 ম্যানচেস্টার সিটির কোচ এনজো মারেসকার আর্থিক অনিয়মের রায়ের পরও ক্লাবের প্রতি অবিচল আস্থা প্রকাশ করেছেন। তিনি আপিলে জয় নিশ্চিত বলে দাবি করেছেন এবং বলেছেন, ক্লাবের ১৫ বছরের অর্জনকে ‘কলঙ্কিত’ করার চেষ্টা করবেন না। সাবেক চেলসি কোচ গার্দিওলার অধীনে সিটির সাফল্য সম্পর্কে তিনি গর্বিত বক্তব্য দিয়েছেন
ম্যানচেস্টার সিটির কোচ এনজো মারেসকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরও ক্লাবের প্রতি অবিচল আস্থা প্রকাশ করেছেন। প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে সর্বাধিক অভিযোগের মুখে দাঁড়িয়ে থাকা সিটির এই নতুন কোচ আপিলে জয় নিশ্চিত বলে দাবি করেছেন। গত জুনে পেপ গার্দিওলার স্থলাভিষিক্ত হয়ে এনজো মারেসকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, এবং তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ক্লাবের প্রতি তাঁর পুরোপুরি বিশ্বাস রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মারেসকার বলেছেন, “আমি ক্লাবের ওপর পুরোপুরি আস্থা রাখি। পৃথিবীতে আর কোনো ক্লাবে আমি যেতে চাইতাম না”।
- 📌 সিটি ২০০৯-২০১৮ সালের মধ্যে ৯০ কোটি পাউন্ডের ভুয়া আয় সৃষ্টির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে।
- 📌 মারেসকার বলেছেন, “আমি আপিলে জয় নিশ্চিত। ক্লাবের মানুষের ওপর আমার বিশ্বাস আছে বলে এখানে যোগ দিয়েছি”।
- 📌 গার্দিওলার অধীনে সিটির ট্রফি জয়ের দিনগুলোকে “কলঙ্কিত” করার চেষ্টা করবেন না মারেসকার।
- 📌 সাবেক অধিনায়ক ভিনসেন্ট কোম্পানি বলেছেন, “সিটিতে ১১ বছর খেলার স্মৃতি নিয়ে আমি গর্বিত”।
- 📌 মারেসকার লিভারপুলের মুখোমুখি প্রথম ম্যাচে ভয় পাচ্ছেন না, বলেছেন, “আমি মোটেও চিন্তিত নই”।
📰 বিস্তারিত
ম্যানচেস্টার সিটিকে প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসের সর্বাধিক অভিযোগের মুখে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায়, ক্লাবের কোচ এনজো মারেসকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরও ক্লাবের প্রতি অবিচল আস্থা প্রকাশ করেছেন। গত সপ্তাহেই সিটি ১০০টিরও বেশি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর, মারেসকার আজ সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, “আমি ক্লাবের ওপর পুরোপুরি আস্থা রাখি। আমি ক্লাবের মানুষের ওপর বিশ্বাস করেই এখানে যোগ দিয়েছি। পৃথিবীতে আর কোনো ক্লাবে আমি যেতে চাইতাম না।”
সিটি ২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে বিভিন্ন স্পনসর প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ভুয়া চুক্তি করে প্রায় ৯০ কোটি পাউন্ডের আয় সৃষ্টি এবং ব্যয় কমিয়ে দেখিয়েছে। এই অভিযোগ অস্বীকার করে সিটি আপিল করেছে। মারেসকার বলেছেন, “আমি ক্লাবের সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের বিশ্বাস করি। যখন আমরা আপিলে জিতব, তখনই এ বিষয়ে কথা বলার সঠিক সময় হবে।”
মারেসকার গার্দিওলার অধীনে সিটির ট্রফি জয়ের দিনগুলোকে “কলঙ্কিত” করার চেষ্টা করবেন না। তিনি বলেছেন, “তখনকার কোচ পেপ, খেলোয়াড় এবং ক্লাবের প্রতিটি মানুষের আত্মত্যাগ ও পরিশ্রম আমি কাছ থেকে দেখেছি। সুতরাং এই উচ্চতায় পৌঁছাতে ক্লাব কতটা রক্ত-ঘাম ঝরিয়েছে, তা আমার খুব ভালো করেই জানা আছে।”
গত মৌসুম শেষে গার্দিওলা সরে দাঁড়ানোর পর, সিটি নতুন মৌসুমে উড়ন্ত সূচনা করেছে। লিগের প্রথম পাঁচ ম্যাচ জিতে শীর্ষে রয়েছে মারেসকারের দল। পরের সপ্তাহে পিএসজির বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে ইতিহাদে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে গার্দিওলার। মারেসকার বলেছেন, “গার্দিওলা ১০ বছর কাটানোর পর যেকোনো সময় আসতে পারে। আমি মনে করি এটা তার জন্য চমৎকার হবে, সমর্থকদের জন্য এবং আমাদের সবার জন্যই হবে আনন্দের।”
মাঠের বাইরের এই আইনি লড়াইয়ের আঁচ ক্লাবের দীর্ঘ ১৫ বছরের অর্জনের গায়ে লাগুক, তা একেবারেই চান না মারেসকার। তিনি বলেছেন, “পরিবেশটা হয়তো একটু বেশিই তপ্ত থাকবে। কিন্তু এ ধরনের ম্যাচ খেলতেই তো ম্যানেজার হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি! আমি মোটেও চিন্তিত নই। খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুমের পরিবেশ দারুণ। লিগের শীর্ষে আছি আমরা, তাই আনন্দিত ও রোমাঞ্চিত থাকার যথেষ্ট কারণ আছে তাদের।”
সাবেক অধিনায়ক ভিনসেন্ট কোম্পানি আর্থিক অনিয়মের রায় নিয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “আমি ক্লাবটিতে ১১ বছর খেলেছি। প্রতিটি বছরই আমার ভালো লেগেছে। আমরা যা অর্জন করেছি, মাঠে যা করেছি, সেসব নিয়ে আমি সত্যিই গর্বিত। একজন খেলোয়াড় হিসেবে এসব বিষয়ের সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা ছিল না। আর এখন বায়ার্ন মিউনিখের কোচ হিসেবে বিষয়টি নিয়ে আমি খুব বেশি ভাবছি না।”
"আমি ক্লাবের ওপর পুরোপুরি আস্থা রাখি। পৃথিবীতে আর কোনো ক্লাবে আমি যেতে চাইতাম না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ম্যানচেস্টার সিটি, ইংল্যান্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এনজো মারেসকার, ভিনসেন্ট কোম্পানি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০টি অভিযোগ, ৯০ কোটি পাউন্ড, ১৫ বছর অর্জন, ১১ বছর খেলা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!