📌 ম্যানচেস্টার সিটি ক্লাবের স্পনসরশিপের ৮৭% টাকা ভুয়া ছিল। প্রকৃত স্পনসরদের কাছ থেকে মাত্র ১২ কোটি পাউন্ড পেয়েছিল ক্লাবটি, কিন্তু নথিতে ৯৫ কোটি পাউন্ডের মতো আয় দেখিয়েছিল। প্রিমিয়ার লিগের তদন্তে এই জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া গেছে
ম্যানচেস্টার সিটি ফুটবল ক্লাবের স্পনসরশিপের আয়ের বিশাল অংশ ছিল ভুয়া। প্রিমিয়ার লিগের স্বাধীন তদন্ত কমিশনের অনুসন্ধান থেকে জানা গেছে, ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ক্লাবটি নথিতে ৯৪৯.৯৪ মিলিয়ন পাউন্ড স্পনসরশিপ আয় দেখিয়েছিল, কিন্তু প্রকৃত স্পনসরদের কাছ থেকে মাত্র ১১৯.২৫ মিলিয়ন পাউন্ড পেয়েছিল। অর্থাৎ, প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে সাড়ে ৮৭ টাকা ছিল মালিকপক্ষের নিজস্ব অর্থ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ম্যানচেস্টার সিটি ২০০৯-২০১৮ সালের মধ্যে ৯৪৯.৯৪ মিলিয়ন পাউন্ড স্পনসরশিপ আয় দেখিয়েছিল, কিন্তু প্রকৃত আয় ছিল মাত্র ১১৯.২৫ মিলিয়ন পাউন্ড
- 📌 স্পনসরশিপের ৮৭% টাকা ভুয়া ছিল — মালিকেরা নিজেদের পকেট থেকে ৮৩০.৬৯ মিলিয়ন পাউন্ড যোগ করেছিলেন
- 📌 প্রিমিয়ার লিগের ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টি ম্যানচেস্টার সিটিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে
- 📌 ২০১৭-১৮ মৌসুমে সর্বাধিক ভুয়া আয় দেখানো হয়েছিল — ১৪ কোটি ৫৭ লাখ পাউন্ডের মধ্যে প্রকৃত আয় ছিল মাত্র ১ কোটি ১০ লাখ পাউন্ড
- 📌 স্পনসরশিপের পাশাপাশি খেলোয়াড় ও কোচদের গোপন চুক্তি ও ইমেজ রাইটসের অর্থ গোপন করে মোট আর্থিক অনিয়মের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯২ কোটি পাউন্ড
📰 বিস্তারিত
প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক স্বচ্ছতা নীতি (এফএফপি) লঙ্ঘন করে ম্যানচেস্টার সিটি ক্লাবটি নিজেদের প্রকৃত আয়কে বহুগুণ বাড়িয়ে দেখিয়েছিল। স্পনসরশিপের এই কারচুপির পাশাপাশি গোপন চুক্তি ও ইমেজ রাইটসের অর্থ গোপন করার মাধ্যমে ক্লাবটি অস্বাভাবিকভাবে বাজেট বৃদ্ধি করে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা নেয়। তদন্তে দেখা গেছে, ২০১৬-১৭ মৌসুমে ১৪ কোটি আয়ের মধ্যে ১২.৯৫ কোটি এবং ২০১৫-১৬ মৌসুমে ১৩.৬১ কোটির মধ্যে ১২ কোটি পাউন্ড ছিল ভুয়া।
স্বাধীন কমিশনের অনুসন্ধানে ম্যানচেস্টার সিটির মালিকপক্ষের এই অবৈধ কার্যকলাপের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তারা ইউরোপীয় ফুটবলের আর্থিক নিয়ম ফাঁকি দিয়ে নিজেদের বাজেটকে কৃত্রিমভাবে বৃদ্ধি করে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা নেয়। প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষের তদন্তে ক্লাবটির বিরুদ্ধে আনীত ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টি দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ম্যানচেস্টার সিটি স্পনসরশিপের আড়ালে নিজেদের অর্থ যোগ করে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করেছিল। এই অনিয়মের কারণে ক্লাবটি ফুটবল বাজারে অস্বাভাবিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পেয়েছিল।
"প্রকৃত স্পনসরদের কাছ থেকে ক্লাবটির পকেটে ঢুকেছিল মাত্র ১২ কোটি পাউন্ডের মতো, অথচ তারা কাগজপত্রে আয় দেখায় প্রায় ৯৫ কোটি পাউন্ড। অর্থাৎ আয়ের প্রতি ১০০ টাকার সাড়ে ৮৭ টাকাই আসল স্পনসরদের কাছ থেকে আসেনি; ভুয়া চুক্তির আড়ালে সেই টাকা সরাসরি ঢেলেছেন ক্লাবটির মালিকেরা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ম্যানচেস্টার সিটি (ইংল্যান্ড), প্রিমিয়ার লিগ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ম্যানচেস্টার সিটি মালিকপক্ষ, স্পনসরদের, খেলোয়াড় ও কোচদের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৪৯.৯৪ মিলিয়ন পাউন্ড (নথিতে স্পনসরশিপ আয়), ১১৯.২৫ মিলিয়ন পাউন্ড (প্রকৃত স্পনসরশিপ আয়), ৮৩০.৬৯ মিলিয়ন পাউন্ড (ভুয়া আয়), ৯২ কোটি পাউন্ড (মোট আর্থিক অনিয়ম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!