📌 প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভাঙার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়া ম্যানচেস্টার সিটি এখন ইউরোপীয় ফুটবলের অস্তিত্ব সংকটে। প্রথম ইউরোপীয় ম্যাচে পিএসজির বিপক্ষে তারা বড় পরীক্ষার মুখোমুখি। শেখ মনসুরের অধীনে সিটি ১৫ বছরে অর্জিত ট্রফিগুলোর বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে
ম্যানচেস্টার সিটি ফুটবল ক্লাবের অস্তিত্বই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভাঙার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর ক্লাবটি ইউরোপীয় ফুটবলের শীর্ষ স্তরে নিজের অবস্থান রক্ষা করতে ব্যর্থ হলে প্রিমিয়ার লিগ থেকে বহিষ্কারও হতে পারে। এদিকে, চ্যাম্পিয়নস লিগের আজকের ম্যাচে পিএসজির বিপক্ষে তারা বড় পরীক্ষার মুখোমুখি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভাঙার দায়ে ম্যানচেস্টার সিটি দোষী সাব্যস্ত; শাস্তি হিসেবে বড় জরিমানা, পয়েন্ট কাটা বা লিগ থেকে বহিষ্কার সম্ভাব্য
- 📌 ২০০৯-২০১৮ সালের মধ্যে সিটি ১২০ কোটি ডলারের ‘ভুয়া’ বাণিজ্যিক চুক্তি করে আয় বাড়িয়েছিল
- 📌 আপিলের রায় না আসা পর্যন্ত প্রিমিয়ার লিগের অবস্থা অনিশ্চিত; ১৫ বছরের ট্রফিগুলোর বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ
- 📌 শেখ মনসুরের অধীনে ২০০৮ সাল থেকে সিটি ১৫ বছরে ২০২৩ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়সহ ট্রেবল জিতেছে
- 📌 পিএসজি টানা দুই মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছে; এবার তৃতীয় শিরোপার লড়াই চলছে
- 📌 পিএসজির সভাপতি নাসের আল খেলাইফি উয়েফার নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ইএফসি চেয়ারম্যান; সিটি আপিলের অধিকার আছে বলে মন্তব্য
- 📌 মাঠের বাইরে কাতার-আমিরাতের প্রভাব লড়াইয়ে সিটি-পিএসজির সংকট ইউরোপীয় ফুটবলের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলছে
📰 বিস্তারিত
ম্যানচেস্টার সিটি ফুটবল ক্লাবের অস্তিত্বই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। প্রিমিয়ার লিগের স্বাধীন কমিশনের রায়ে ক্লাবটি আর্থিক নিয়ম ভাঙার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। রায়ের ফল এতটাই ভয়াবহ যে, প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষ স্তর থেকে নামকরণের সম্ভাবনা রয়েছে। সিটি সমর্থকদের কাছে এটা দুঃস্বপ্নের মতো। এদিকে, চ্যাম্পিয়নস লিগের আজকের ম্যাচে পিএসজির বিপক্ষে তারা বড় পরীক্ষার মুখোমুখি।
সিটি গত রোববার লিভারপুলকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে লিগ টেবিলে শীর্ষে রয়েছে। টানা ছয় ম্যাচ জয়ের পরেও, মাঠের বাইরের অবস্থা বিপজ্জনক। প্রিমিয়ার লিগের রায় অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে সিটি আমিরাতের বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে ‘ভুয়া’ বাণিজ্যিক চুক্তি করে আয় বাড়িয়েছিল। এই অঙ্ক ৯০ কোটি পাউন্ড (১২০ কোটি ডলার)। শাস্তি হিসেবে বড় জরিমানা, পয়েন্ট কাটা বা প্রিমিয়ার লিগ থেকে বহিষ্কার সম্ভাব্য।
শেখ মনসুরের অধীনে ২০০৮ সালে সিটি কিনে নেওয়ার পর থেকে ক্লাবটি রূপকথার মতো সাফল্য অর্জন করেছে। ২০২৩ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়সহ প্রিমিয়ার লিগ ও এফএ কাপের ট্রেবল জেতা ছিল সেই সাফল্যের চূড়া। কিন্তু এখন প্রশ্ন উঠেছে গত ১৫ বছরের সাফল্যের বৈধতা নিয়ে। পিএসজি, যারা একসময় সিটির সাফল্য অনুসরণ করতে চেয়েছিল, এখন ইউরোপের রাজা। তারা টানা দুই মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছে এবং এবার তৃতীয় শিরোপার লড়াই চলছে।
পিএসজির সভাপতি নাসের আল খেলাইফি উয়েফার নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং ইএফসি চেয়ারম্যান। তিনি সিটির প্রধান নির্বাহী ফেরান সরিয়ানোর পাশে দাঁড়িয়েছেন। বলেছেন, ‘তাঁর ক্যারিয়ার চমৎকার। ম্যানচেস্টার সিটি অনেক ইতিবাচক কাজ করেছে। তবে বিচার করার অবস্থানে আমি নেই। আমার মনে হয়, আপিল করার অধিকার তাদের আছে।’ কথাগুলো ভদ্রতার সাথে বলা হলেও, এর পেছনে পিএসজির স্বার্থ লুকিয়ে আছে।
মাঠের বাইরে কাতার-আমিরাতের প্রভাব লড়াইয়ে সিটি-পিএসজির সংকট ইউরোপীয় ফুটবলের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলছে। আজকের ম্যাচ ৯০ মিনিটেই শেষ হবে, কিন্তু নেপথ্যে চলতে থাকা এই লড়াই কবে শেষ হবে, তা কেউ জানে না।
"তাঁর ক্যারিয়ার চমৎকার। ম্যানচেস্টার সিটি অনেক ইতিবাচক কাজ করেছে। তবে বিচার করার অবস্থানে আমি নেই। আমার মনে হয়, আপিল করার অধিকার তাদের আছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ম্যানচেস্টার (ইংল্যান্ড), প্যারিস (ফ্রান্স)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ মনসুর, নাসের আল খেলাইফি, ফেরান সরিয়ানো, সিটি সমর্থকরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ কোটি পাউন্ড (১২০ কোটি ডলার), ১৫ বছর, ৩-০ গোল, ৯০ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!