📌 ম্যানচেস্টার সিটি প্রিমিয়ার লিগের ১১৫টি আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে ১১৪টি দোষী সাব্যস্ত হলেও শাস্তি পায়নি। ১২ সপ্তাহের তদন্তের পর স্বাধীন কমিশন এই রায় দিয়েছে। ক্লাবের মুখপাত্র জানান, তারা রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন করতে পারে
ম্যানচেস্টার সিটি প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের ১১৫টি অভিযোগে ১১৪টি দোষী সাব্যস্ত হলেও শাস্তি পায়নি। ইংল্যান্ডের শীর্ষ ফুটবল লিগের এই সফল ক্লাবের বিরুদ্ধে চার বছরের তদন্তের পর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে স্বাধীন কমিশন এই রায় ঘোষণা করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ম্যানচেস্টার সিটির ১১৫টি আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে ১১৪টি দোষ প্রমাণিত
- 📌 ২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে আর্থিক তথ্য লুকিয়ে রাখার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত
- 📌 ১২ সপ্তাহের শুনানির পর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে রায় ঘোষণা করা হয়
- 📌 ক্লাব শাস্তি পায়নি, রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে
- 📌 ম্যানচেস্টার সিটি ২০২৬-২৭ প্রিমিয়ার লিগে শীর্ষে, ৫ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে
- 📌 ২০২০ সালে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় ৩০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা পেয়েছিল, পরে ১৪০ কোটি টাকায় কমিয়ে দেওয়া হয়
📰 বিস্তারিত
ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ নতুন নয়। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রিমিয়ার লিগ ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে ১১৫টি অভিযোগ আনেন। এর মধ্যে ১১৪টি অভিযোগেই ক্লাবের দোষ প্রমাণিত হয়েছে। এই অভিযোগের মধ্যে ছিল ক্লাবের আর্থিক তথ্য লুকিয়ে রাখা এবং নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ। অভিযোগের মধ্যে কেবল একটিই ছিল যেটি ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়নি।
নিউইয়র্ক ভিত্তিক ‘দ্য অ্যাথলেটিক’ ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই অভিযোগের মধ্যে কেবল একটিই ছাড়া সবকটিতেই ম্যানচেস্টার সিটির দোষ প্রমাণিত হয়েছে। মামলার শুনানির জন্য গঠিত স্বাধীন কমিশন এই রায় দিয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলেও ম্যানচেস্টার সিটি শাস্তি পায়নি। তারা রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন করতে পারে।
ম্যানচেস্টার সিটির মুখপাত্র ‘দ্য অ্যাথলেটিক’কে বলেছেন, ‘প্রিমিয়ার লিগের প্রক্রিয়া এখনও চলমান। এর গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু বিষয় এখনো শেষ হওয়া বাকি। পুরো প্রক্রিয়াটি গোপনীয়তার মধ্যে রয়েছে।’ ক্লাবের মুখপাত্র আরও বলেন, ‘গত আট বছর ধরে ক্লাব যথাযথ প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। প্রিমিয়ার লিগের বোর্ড ও নির্বাহী বিভাগ পক্ষপাতহীন, স্বাধীন নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করবে।’
২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ম্যানচেস্টার সিটি ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়। তখন ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফা তাদের বিরুদ্ধে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা এবং ৩০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা আরোপ করে। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ৪২০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। তবে পাঁচ মাস পর ক্রীড়া আদালত সেই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে দিয়েছিল এবং জরিমানার অঙ্ক ১৪০ কোটি ২৫ লাখ টাকায় কমিয়ে দেয়।
"প্রিমিয়ার লিগের প্রক্রিয়া এখনও চলমান। এর গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু বিষয় এখনো শেষ হওয়া বাকি। পুরো প্রক্রিয়াটি গোপনীয়তার মধ্যে রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লন্ডন (প্রিমিয়ার লিগ), নিউইয়র্ক (দ্য অ্যাথলেটিক), লন্ডনের আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তি কেন্দ্র
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ম্যানচেস্টার সিটির মুখপাত্র
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৪টি দোষী সাব্যস্ত অভিযোগ, ১১৫টি অভিযোগ, ১২ সপ্তাহের শুনানি, ৩০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা (৪২০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা), ১৪০ কোটি ২৫ লাখ টাকা (কমিয়ে দেওয়া জরিমানা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!