📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১:০১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ক্যানসার ও মানসিক চাপের পরও ফিরে এল টেস্ট স্কোয়াডে: অস্ট্রেলিয়ার ৩৪ বছর বয়সী ম্যাডিনসনের অসাধারণ যাত্রা

ক্যানসার ও মানসিক চাপের পরও ফিরে এল টেস্ট স্কোয়াডে: অস্ট্রেলিয়ার ৩৪ বছর বয়সী ম্যাডিনসনের অসাধারণ যাত্রা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট স্কোয়াডে ফিরে এলেন ক্যানসার ও দীর্ঘ বিরতির পর ৩৪ বছর বয়সী ম্যাডিনসন। নির্বাচকরা তাঁর গত সপ্তাহের ওয়ানডে কাপের ভালো ইনিংসকে মূল্যায়ন করে টেস্ট দলে জায়গা দিয়েছেন। কিন্তু তাঁর পেছনে রয়েছে কঠিন জীবনের গল্প — ক্যানসার, মানসিক স্বাস্থ্যের সংগ্রাম ও দীর্ঘ চিকিৎসা

অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট স্কোয়াডে ফিরে এলেন ক্যানসার ও দীর্ঘ বিরতির পর ৩৪ বছর বয়সী নিক ম্যাডিনসন। দক্ষিণ আফ্রিকায় টেস্ট সিরিজের জন্য নির্বাচকরা তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করেছেন, যেখানে তাঁর সর্বশেষ টেস্ট খেলার পর দশ বছর কেটে গেছে। কিন্তু তাঁর পেছনে রয়েছে এমন একটি জীবনগল্প, যা ক্রিকেটের বাইরে মানবিক সংগ্রামের কাহিনীতে পরিণত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩৪ বছর বয়সী ম্যাডিনসন ১০ বছর পর টেস্ট স্কোয়াডে ফিরেছেন, সর্বশেষ টেস্ট খেলার পর দশ বছর কেটে গেছে তাঁর।
  • 📌 গত ১৮ মাসে কোনো প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেননি ম্যাডিনসন, কিন্তু গত সপ্তাহের ওয়ানডে কাপের ইনিংস তাঁকে টেস্ট দলে ফিরিয়ে আনে।
  • 📌 ২০২৪-২৫ সালে টেস্টিকুলার ক্যানসার আক্রান্ত হন ম্যাডিনসন, কেমোথেরাপির পরও ফিরে আসেন ক্রিকেটে।
  • 📌 ৩ টেস্ট খেলে মানসিক স্বাস্থ্যের কারণে বিরতি নেন ২০১৬ সালে, পরে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরে ২০১৮ ও ২০২১ সালে আবার আলোচিত হন।
  • 📌 ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ফিরে এলেন টি-টুয়েন্টিতে, এরপর ৫০ ওভারের ক্রিকেটে ফিরে ২৫ সেপ্টেম্বর নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়ে ১২৬ রান করেন।

📰 বিস্তারিত

অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার স্পোর্টস ব্রডকাস্টার স্যাম টাগওয়েলের মন্তব্য ছিল, ‘আমরা এখন আনুষ্ঠানিকভাবে এক চরম হাস্যকর পর্যায়ে পৌঁছে গেছি’। কারণ, ৩৪ বছর বয়সী ম্যাডিনসনকে টেস্ট স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যিনি সর্বশেষ টেস্ট খেলেছিলেন ২০১৬ সালে। নির্বাচকদের হাতে বিকল্পের অভাব ছিল না — জেক ওয়েদারাল্ড, স্যাম কনস্টাস, নাথান ম্যাকসুয়েনি, পিটার হ্যান্ডসকম্ব, জেসন সাংহা ও ক্যাম্পবেল কেলাওয়ের মতো ক্রিকেটাররা ছিলেন। কিন্তু নির্বাচকরা তাঁদের বাদ দিয়ে ম্যাডিনসনকে বেছে নেন।

ম্যাডিনসনের টেস্ট দলে ফিরে আসার পেছনে রয়েছে গত সপ্তাহের ওয়ানডে কাপের ইনিংস। নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়ে ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে তিনি ১১ চার ও ৮ ছক্কায় ১২৬ রান করেন। কিন্তু ক্যানসার ও দীর্ঘ বিরতির পর এই ইনিংস কি যথেষ্ট ছিল টেস্ট দলে ফিরে আসার জন্য? নির্বাচকদের সেটি জানার আগে তাঁর জীবনের গল্পে ঘুরে আসা যেতে পারে।

২০২৪-২৫ মৌসুমের শেষে ম্যাডিনসনের জীবনে নেমে আসে কঠিন সময়। টেস্টিকুলার ক্যানসার আক্রান্ত হন তিনি। অস্ত্রোপচার করেও কাজ হয়নি, ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ে শরীরে। স্ত্রী বিয়াঙ্কা তখন দ্বিতীয় সন্তানের অপেক্ষায় ছিলেন। বড় সন্তানকে দেখাশোনা করতে ম্যাডিনসন চাকরি ছেড়ে দিতে হয়। কেমোথেরাপির ফলস্বরূপ, তাঁর মাথার চুল উধাও হয়ে যায়, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ঘুমও উধাও। শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, দিনের বড় অংশ কাটত ঘুমিয়ে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘বাড়ির কোনো কাজই করতে না পারায় আমার অপরাধবোধ হতো’।

ক্যানসারই ম্যাডিনসনের ক্রিকেটজীবনের একমাত্র বাধা ছিল না। ২০১৬ সালে অভিষেকের মাত্র তিন টেস্ট খেলার পর মানসিক স্বাস্থ্যের কারণে বিরতি নেন তিনি। পরে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরে ২০১৮-১৯ ও ২০২১-২২ মৌসুমে আলোচনায় আসেন। অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের দরজাও খুলে যায়। কিন্তু ২০১৯ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ান মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে। চোটও কম ভোগেননি — ২০১৮ সালে ঝাই রিচার্ডসনের বলে হাত ভেঙে যান, ২০২৩ সালে এসিএল চোটে পড়েন। সেই চোটে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকে দূরে থাকতে হয়েছিল এক বছরের বেশি সময়।

২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ফিরে এলেন ম্যাডিনসন টি-টুয়েন্টিতে। এরপর গত মাসে ফিরে এলেন ৫০ ওভারের ক্রিকেটে। নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়ে দ্বিতীয় ম্যাচেই ১২৬ রান করেন ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে। তাঁর ব্যাটিং গড় ২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত শেফিল্ড শিল্ডে ৫২.৩৭ ছিল — শুধু ক্যামেরন গ্রিনের গড় ছিল বেশি। কিন্তু ক্যানসার ও দীর্ঘ বিরতির পর ফিরে আসা এই ইনিংস কি যথেষ্ট ছিল টেস্ট দলে ফিরে আসার জন্য?

‘বাড়ির কোনো কাজই করতে না পারায় আমার অপরাধবোধ হতো। ক্রিকেট দূরের কথা, স্বাভাবিক জীবনযাপনই কঠিন হয়ে উঠেছিল।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: অস্ট্রেলিয়া (সিডনি, ভিক্টোরিয়া, নিউ সাউথ ওয়েলস), দক্ষিণ আফ্রিকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিক ম্যাডিনসন, স্যাম টাগওয়েল, জেক ওয়েদারাল্ড, স্যাম কনস্টাস, নাথান ম্যাকসুয়েনি, পিটার হ্যান্ডসকম্ব, জেসন সাংহা, ক্যাম্পবেল কেলাও
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪ বছর (বয়স), ১০ বছর (টেস্ট বিরতি), ১৮ মাস (প্রথম শ্রেণির বিরতি), ১১ চার ও ৮ ছক্কা (১২৬ রান), ২০২৪-২৫ (ক্যানসার আক্রান্ত), ২০১৬ (অভিষেক)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖