📌 উশুতে ৫২ কেজি শ্রেণিতে সেমিফাইনালে হেরে যাওয়ায় ব্রোঞ্জ পদক পেলেও জিন্নাত আক্তার বাংলাদেশের ৪০ বছর পর এশিয়ান গেমসের ব্যক্তিগত ইভেন্টে প্রথম পদক জিতেছেন। তিনি চীনের প্রতিপক্ষের কাছে ৪-০ পয়েন্টে পরাজিত হন
এশিয়ান গেমসের উশু প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের কন্যা জিন্নাত আক্তার ব্রোঞ্জ পদক নিয়ে দেশে ফিরেছেন। তবে সোনা বা রুপা পাওয়ার স্বপ্নে তিনি ব্রোঞ্জেই সন্তুষ্ট থাকতে বাধ্য হন। আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসের মেয়েদের ৫২ কেজি ওজন শ্রেণির সেমিফাইনালে চীনের প্রতিনিধি উ দি’র কাছে পরাজিত হন জিন্নাত। প্রথম রাউন্ডে মাত্র ১ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড সময়ে তিনি দুবার পড়ে যান এবং ৪-০ পয়েন্টে হেরে যান। ফলে পরের দুই মিনিট খেলার প্রয়োজনও পড়ে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন জিন্নাত আক্তার — ৪০ বছর পর বাংলাদেশের এশিয়ান গেমসের ব্যক্তিগত ইভেন্টে প্রথম পদক
- 📌 চীনের প্রতিপক্ষের কাছে ৪-০ পয়েন্টে পরাজিত হন জিন্নাত সেমিফাইনালে
- 📌 মাত্র ১ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড সময়ে দুবার পড়ে যান জিন্নাত
- 📌 ১৯৮৬ সালের পর প্রথম ব্যক্তিগত ইভেন্টে পদক জিতেছেন বাংলাদেশ
- 📌 উশুর অনুশীলনের অভাব উল্লেখ করেছেন জিন্নাত — বলেছেন, চীনের মতো সুযোগ পেলে পরের এশিয়ান গেমসে সোনা বা রুপা পেতে পারতেন
📰 বিস্তারিত
জিন্নাত আক্তার প্রাথমিক রাউন্ডে ‘বাই’ পেয়ে সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিলেন। এরপর ইন্দোনেশিয়ান প্রতিপক্ষ থারিসা দিয়ে ফ্লোরেন্তিনা ডিসকোয়ালিফাইড হওয়ায় সেমিফাইনালে নামতে হয়নি। এই সুযোগে জিন্নাত সেরা চার খেলোয়াড়ের মধ্যে জায়গা করে নেন এবং ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেন।
পদক জয়ের পর জিন্নাত বাংলাদেশের উশু প্রতিযোগিতার সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের নিজস্ব ভেন্যু নেই। নিয়মিত অনুশীলন করতে পারছি না। ধারাবাহিক অনুশীলন দরকার। চীনের খেলোয়াড়েরা সারা বছর অনুশীলন করে বলেই তারা বিশ্বের সেরা। আমরা যদি তাদের মতো অনুশীলনের সুযোগ, মাঠ ও কোচ পাই, তাহলে পরের এশিয়ান গেমসে সোনা বা রুপা নিয়ে দেশে ফিরতে পারতাম।’
১৯৮৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের কোনো খেলোয়াড় এশিয়ান গেমসের ব্যক্তিগত ইভেন্টে পদক জিতেছেন। এর আগে মোশাররফ হোসেন বক্সিংয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছিলেন।
"আমাদের নিজস্ব ভেন্যু নেই। নিয়মিত অনুশীলন করতে পারছি না। ধারাবাহিক অনুশীলন দরকার।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আইচি-নাগোয়া, এশিয়ান গেমস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জিন্নাত আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২ কেজি (ওজন শ্রেণি), ১ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড (সময়), ৪-০ (পয়েন্ট), ৪০ বছর (বাংলাদেশের প্রথম পদক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!