📅 ৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জিদানের নবীন কোচিংয়ে ফ্রান্সের ফুটবলারদের ‘ফ্যাশন শো’ বন্ধ: কেন?

জিদানের নবীন কোচিংয়ে ফ্রান্সের ফুটবলারদের ‘ফ্যাশন শো’ বন্ধ: কেন?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফ্রান্সের নতুন কোচ জিনেদিন জিদান আন্তর্জাতিক বিরতিতে খেলোয়াড়দের ফ্যাশন প্রদর্শনী বন্ধ করেছেন। এফএফএফ মিডিয়া টিম ছাড়া অন্য কেউ ক্যাম্পে প্রবেশের সময় ছবি তোলা বা ভিডিও রেকর্ড করতে পারবেন না। ১৫ বছরের এই রীতি এখন থেকে শেষ হবে না, তবে পাপারাজ্জিদের ক্যামেরার সামনে পোজ দেওয়া বন্ধ হয়ে গেছে

ফ্রান্সের নতুন কোচ জিনেদিন জিদান আন্তর্জাতিক বিরতিতে খেলোয়াড়দের ‘ফ্যাশন শো’ রীতি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন। ক্লেয়ারফঁতেন ক্যাম্পে সাংবাদিক ও ফটোগ্রাফারদের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করার মাধ্যমে তিনি এই রীতি পরিবর্তন করেন। এফএফএফ মিডিয়া টিম ছাড়া অন্য কোনো মিডিয়া ক্যাম্পে প্রবেশের সময় ছবি বা ভিডিও ধারণ করতে পারবে না।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফ্রান্সের নতুন কোচ জিনেদিন জিদান ক্লেয়ারফঁতেন ক্যাম্পে সাংবাদিক ও ফটোগ্রাফারদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেন
  • 📌 শুধু ফরাসি ফুটবল ফেডারেশনের (এফএফএফ) মিডিয়া টিমই ক্যাম্পে প্রবেশ ও ছবি তোলার অনুমতি পাবে
  • 📌 ১৫ বছরের এই ‘ফ্যাশন শো’ রীতি জিদানের অধীনে পরিবর্তিত হয়েছে, তবে খেলোয়াড়রা নিজেদের পোশাক পরেই আসবেন
  • 📌 জুল কুন্দে ও ইব্রাহিমা কোনাতের মতো খেলোয়াড়রা এই রীতি নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন
  • 📌 কুন্দের একটি পোশাকের মূল্য ছিল প্রায় ১৬ লাখ টাকা, একটি ঘড়ির দাম ২ কোটি টাকারও বেশি

📰 বিস্তারিত

ফ্রান্সের ক্লেয়ারফঁতেন ক্যাম্পে আন্তর্জাতিক বিরতিতে খেলোয়াড়দের পোশাক প্রদর্শনী ছিল সাংবাদিক ও পাপারাজ্জিদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় দৃশ্য। খেলোয়াড়রা নামীদামি ব্র্যান্ডের পোশাক পরেই ক্যাম্পে আসতেন এবং সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে পোজ দিতেন। এই রীতি ২০১০ সাল থেকে শুরু হয়ে ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলেছে। সামির নাসরি, লোয়িক রেমি ও ফ্লোরাঁ মালুদাদের পরের প্রজন্মের খেলোয়াড়দের এই রীতি আরও জনপ্রিয় করেছে।

জুল কুন্দে ও ইব্রাহিমা কোনাতের মতো খেলোয়াড়রা এই রীতি নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন। কুন্দে প্রায় প্রতিটি আন্তর্জাতিক বিরতিতে নতুন পোশাক পরেই ক্যামেরার সামনে হাজির হতেন। ২০২৪ সালে তার একটি পোশাকের মূল্য ছিল প্রায় ১১ হাজার ৬৬০ ইউরো (১৬ লাখ ১৬ হাজার টাকা) এবং একটি অডেমার্স পিগে ঘড়ির দাম ছিল প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার ইউরো (২ কোটি ২১ লাখ টাকা)। এমবাপ্পের পোশাকের মূল্যও প্রায় ৫০ হাজার ইউরোর (৬৯ লাখ ৬ হাজার ৫০০ টাকা) বেশি ছিল।

জিদানের সিদ্ধান্তের মূল ভাবনা হলো, আলোচনার কেন্দ্র যেন খেলোয়াড়দের পোশাক না হয়ে মাঠের পারফরম্যান্স হয়। তবে খেলোয়াড়রা নিজেদের পছন্দমতো পোশাক পরেই ক্যাম্পে আসবেন, শুধু প্রবেশপথে সাংবাদিক ও ফটোগ্রাফারদের ক্যামেরা থাকবে না।

"মাঠই এখন প্রাধান্য পাবে জিদানের সিদ্ধান্তের পেছনে মূল ভাবনাটি সম্ভবত এখানেই, আলোচনার কেন্দ্র যেন খেলোয়াড়দের পোশাক নয়, মাঠের পারফরম্যান্স হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফ্রান্সের ক্লেয়ারফঁতেন ক্যাম্প
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জিনেদিন জিদান, জুল কুন্দে, ইব্রাহিমা কোনাতে
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর, ১১ হাজার ৬৬০ ইউরো, ১৬ লাখ ১৬ হাজার টাকা, ২ কোটি ২১ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖