📌 ইতালির কোচ রবার্তো মানচিনির দ্বিতীয় অধ্যায়ে নেশনস লিগে শুরু থেকেই কঠিন পরীক্ষায় পড়েছে দল। নিজেদের মাঠে বেলজিয়ামের কাছে ২-০ গোলে পরাজিত হয়ে ইতালি দুঃস্বপ্নের শুরু করেছে। মিকা গোডটস ও দোদি লুকেবাকিওর গোলে ইতালির আজ্জুরি দলের প্রথম ম্যাচেই কঠিন পরাজয় হয়
রবার্তো মানচিনির দ্বিতীয় অধ্যায়ে ইতালির নেশনস লিগের শুরু দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। নিজেদের মাঠে বেলজিয়ামের কাছে ২-০ গোলে পরাজিত হয়ে ইতালির আজ্জুরি দল প্রথম ম্যাচেই কঠিন পরীক্ষায় পড়েছে। ফ্রান্স ও তুরস্কের সঙ্গে একই গ্রুপে থাকা ইতালির সামনে শুরু থেকেই কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২-০ গোলে হার: ইতালি নিজেদের মাঠে বেলজিয়ামের কাছে দুঃস্বপ্নের শুরু করেছে। মিকা গোডটস ও দোদি লুকেবাকিওর গোলে ইতালির পরাজয় হয়।
- 📌 মানচিনির দ্বিতীয় অধ্যায়ের কঠিন শুরু: ২০২৩ সালে দায়িত্ব ছেড়ে যাওয়ার পর আবার কোচ হিসেবে ফিরে এসেছেন মানচিনি। কিন্তু শুরু থেকেই দলের জন্য কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
- 📌 চোটে পড়া খেলোয়াড়দের অভাব: আলেসান্দ্রো বাস্তোনি নিষিদ্ধ, ফেদেরিকো দিমারকো, মার্কো পালেস্ত্রা, ব্রায়ান ক্রিস্তান্তে ও নিকোলো জানিওলো চোটে ছিলেন না।
- 📌 বেলজিয়ামের নতুন কোচ: মার্ক ফন বোমেল বেলজিয়ামের নতুন কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে লিয়ান্দ্রো ত্রসার, জেরেমি ডোকু ও আন্দ্রে ওনানা চোটে ছিলেন না।
- 📌 দুই গোলের গল্প: মিকা গোডটসের গোল ও দোদি লুকেবাকিওর নিখুঁত শটে ইতালির পরাজয় হয়।
📰 বিস্তারিত
নিজেদের মাঠে বেলজিয়ামের কাছে ২-০ গোলে পরাজিত হয়ে ইতালির নেশনস লিগের শুরু দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। রবার্তো মানচিনির দ্বিতীয় অধ্যায়ে ইতালির আজ্জুরি দল প্রথম ম্যাচেই কঠিন পরাজয় স্বীকার করেছে। মিকা গোডটস ও দোদি লুকেবাকিওর গোলে ইতালির পরাজয় হয়।
ম্যাচের শুরু থেকেই ইতালির জন্য কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। আলেসান্দ্রো বাস্তোনি নিষিদ্ধ থাকায় দলের অভাব ছিল। ফেদেরিকো দিমারকো, মার্কো পালেস্ত্রা, ব্রায়ান ক্রিস্তান্তে ও নিকোলো জানিওলো চোটে ছিলেন না। সুইজারল্যান্ড বাদ দিয়ে ইতালির হয়ে অভিষেক পেয়েছেন আলেসান্দ্রো রোমানো। বেলজিয়ামেরও নতুন কোচ মার্ক ফন বোমেল দায়িত্ব পালন করছেন। তবে লিয়ান্দ্রো ত্রসার, জেরেমি ডোকু ও আন্দ্রে ওনানা চোটে ছিলেন না।
ম্যাচের শুরুতে জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা বাঁ প্রান্তে খেলছিলেন। দ্য কেতেলারের কোণাকুণি শট রুখতে সক্ষম হন তিনি। ফ্রাঞ্চেস্কো পিয়ো এসপোশিতোর শট পোস্টের গোড়ায় লেগে ফিরে আসে, যদিও পরে অফসাইডের পতাকা ওঠে। কিন্তু প্রথম গোল খেয়ে বসে ইতালি। রোমানোর ভুল পাস কেটে নিয়ে কেভিন ডি ব্রুইনা বল বাড়িয়ে দেন গোডটসকে। ডি-বক্সে ঢুকে জিয়ানলুকা মানচিনিকে কাটিয়ে কাছের পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান গোডটস।
পরের মুহূর্তেই আবার বিপদ। দিয়েগো কোপ্পোলার ভুল পাস থেকে দে কেতেলারে ও নিকোলাস রাসকিনের পরপর দুই শট ঠেকান দোন্নারুম্মা। ম্যানচেস্টার সিটির গোলরক্ষক না থাকলে এই ম্যাচে ইতালির বিপদ আরও বাড়ত। গোডটসের হেডে অবিশ্বাস্য প্রতিক্রিয়ায় বল ঠেকান দোন্নারুম্মা, পরে তাঁর বাঁকানো শটও পোস্টের পাশ দিয়ে বের করে দেন।
বিরতির ঠিক পর পরই ঘুরে দাঁড়ানোর সেরা সুযোগটি পায় আজ্জুরিরা। কামবিয়াগির ক্রসে মোইজে কিনের ভলি ছয় গজ দূর থেকে কষ্টসৃষ্টে ঠেকিয়ে দেন সেন লামেন্স। এরপর পিও এস্পোসিতোর শটও ঠেকান বেলজিয়ান গোলকিপার। ইতালি তখন গোলের জন্য মরিয়া। আর ঠিক তখনই আসে দ্বিতীয় আঘাত। নিজেদের অর্ধ থেকে দৌড় শুরু করেছিলেন দোদি লুকেবাকিও। বল নিয়ে এগিয়ে এসে ভেতরে ঢুকে বক্সের বাইরে থেকেই বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে বল পাঠান দূরের নিচের কোণায়। ২-০।
"দুই গোলের ব্যবধানে হারার পর ইতালির জন্য এই পরাজয় দুঃস্বপ্নের মতো লাগছে। আমাদের খেলোয়াড়দের অভাব ছিল এবং তা আমাদের বিপদে ফেলেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইতালি (ইতালির মাঠ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রবার্তো মানচিনি (কোচ), মিকা গোডটস, দোদি লুকেবাকিও
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২-০ (গোলের ব্যবধান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!