📌 আইপিএলে আবার গড়াপেটার অভিযোগ উঠেছে। চেন্নাই সুপার কিংসের প্রাক্তন খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে স্টিং অপারেশনে দেখা গেছে, তিনি দলের গোপন তথ্য বিক্রি করতেন। ২০২৫ ও ২০২৬ আইপিএলে ম্যাচপিছু ৬০ লক্ষ থেকে ১ কোটি টাকা দর হাঁকতেন। এছাড়াও ২০১৩ সালের 'হানি ট্র্যাপ' ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছিল ক্রিকেটারদের সঙ্গে নারীসঙ্গের ফাঁদ
আইপিএলে আবার গড়াপেটার কালো ছায়া ছড়িয়ে পড়েছে। চেন্নাই সুপার কিংসের প্রাক্তন খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে স্টিং অপারেশন চালিয়ে দেখা গেছে, তিনি দলের গোপন তথ্য বিক্রি করতেন। ২০২৫ ও ২০২৬ আইপিএলে ম্যাচের টিমলিস্টের তথ্য জুয়াড়িদের কাছে বিক্রি করে কালো টাকা অর্জন করতেন। এছাড়াও ২০১৩ সালের 'হানি ট্র্যাপ' ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছিল ক্রিকেটারদের সঙ্গে নারীসঙ্গের ফাঁদে পড়ার ঘটনা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৫ ও ২০২৬ আইপিএলে ম্যাচের টিমলিস্টের তথ্য বিক্রি করে কালো টাকা অর্জন করতেন প্রাক্তন রনজি খেলোয়াড় রচিত ভাটিয়া। প্রতিটি টিমলিস্টের জন্য দর ছিল ৬০ লক্ষ টাকা।
- 📌 ২০২৬ আইপিএলে ম্যাচপিছু ১ কোটি টাকা দর হাঁকতেন তিনি।
- 📌 ২০১৩ সালের 'হানি ট্র্যাপ' ঘটনায় চেন্নাই সুপার কিংসের এস শ্রীসন্থ ও অঙ্কিত চৌহানকে গ্রেপ্তার করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে তাদের সঙ্গে নারীসঙ্গের ফাঁদ।
- 📌 ২০১২ সালে স্টিং অপারেশনে পাঁচজন ক্রিকেটারকে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগে নিষিদ্ধ করা হয়। এর মধ্যে টিপি সুধীন্দ্রকে আজীবন নিষিদ্ধ করা হয়।
- 📌 ২০১৫ সালে লোধা কমিটি চেন্নাই সুপার কিংস ও রাজস্থান রয়্যালসকে ২ বছর নিষিদ্ধ করে।
📰 বিস্তারিত
আইপিএলে গড়াপেটার নতুন ঝড় উঠেছে। স্টিং অপারেশন চালিয়ে দেখা গেছে, চেন্নাই সুপার কিংসের প্রাক্তন খেলোয়াড় রচিত ভাটিয়া দলের গোপন তথ্য বিক্রি করতেন। তিনি বংশ বেদী নামে পরিচিত একজন তরুণ ক্রিকেটারকে দলের গোপন তথ্য ফাঁস করার জন্য দায়ী করেছেন। রচিত জানিয়েছেন, তিনি ২০২৫ আইপিএলে পাঁচটি ম্যাচের টিমলিস্ট বিক্রি করেছেন। প্রতিটি টিমলিস্টের জন্য দর ছিল ৬০ লক্ষ টাকা। এরপর ২০২৬ আইপিএলে ম্যাচপিছু ১ কোটি টাকা দর হাঁকতেন তিনি।
২০১৩ সালের ঘটনাটি ছিল সবচেয়ে লজ্জাজনক। স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগে তারকা ক্রিকেটার এস শ্রীসন্থ ছাড়া অজিত চাণ্ডিলা ও অঙ্কিত চৌহানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়াও অভিনেতা বিন্দু দারা সিং, ব্যবসায়ী প্রিয়াঙ্ক সোপানি ও চেন্নাই সুপার কিংসের গুরুনাথ মেয়াপ্পানকে গ্রেপ্তার করা হয়। দিল্লির একটি পাঁচতারা হোটেলে 'হানি ট্র্যাপের' ফাঁদে পড়েছিল শ্রীসন্থ ও চৌহান। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, একজন মহিলা তাদের সঙ্গে দেখা করেন। ঘটনাচক্রে, ওইদিনের ম্যাচেই গড়াপেটা করা হয়েছিল।
২০১২ সালে স্টিং অপারেশন চালিয়ে পাঁচজন ক্রিকেটারকে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগে নিষিদ্ধ করা হয়। এর মধ্যে ডেকান চার্জাসের টিপি সুধীন্দ্রকে আজীবন নিষিদ্ধ করা হয়। অন্যদিকে, কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের অমিত যাদব, শলভ শ্রীবাস্তব ও পুণে ওয়ারিয়ার্সের মোহনীশ মিশ্রকে নিষিদ্ধ করা হয়। মোহনীশ মিশ্র বলেছিলেন, তাঁকে ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে ১.২ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। তবে বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী, তখন আনক্যাপড প্লেয়ার ৩০ লক্ষের বেশি টাকা পেত না।
"আমি ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে ১.২ কোটি টাকা পেয়েছি, কিন্তু বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী, আমি ৩০ লক্ষের বেশি পেতে পারতাম না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দিল্লি (হোটেলে 'হানি ট্র্যাপ' ঘটনা), চেন্নাই (চেন্নাই সুপার কিংস), রাজস্থান (রাজস্থান রয়্যালস)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রচিত ভাটিয়া, এস শ্রীসন্থ, অঙ্কিত চৌহান, টিপি সুধীন্দ্র, অমিত যাদব, মোহনীশ মিশ্র
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ লক্ষ টাকা (টিমলিস্টের দর), ১ কোটি টাকা (ম্যাচপিছু দর), ২ বছর (নিষিদ্ধকাল), ১.২ কোটি টাকা (মোহনীশ মিশ্রের টাকা), ৩০ লক্ষ টাকা (বোর্ডের নিয়ম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!