📌 বান্দরবানের কচ্ছপতলী আলোর পাঠশালার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাশ্রতি ত্রিপুরা জাতীয় নারী কাবাডি দলের স্বপ্ন দেখছেন। স্কুলের মাঠে প্রতিদিন কাবাডি খেলার মাধ্যমে স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিচ্ছেন তিনি। ইতিমধ্যে ৫৩তম জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সেরা খেলোয়াড়ের খেতাব পেয়েছেন
বান্দরবানের কচ্ছপতলী আলোর পাঠশালার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাশ্রতি ত্রিপুরা একদিন বাংলাদেশ জাতীয় নারী কাবাডি দলের হয়ে মাঠে নামার স্বপ্ন দেখছেন। এই পাহাড়ি কন্যার স্বপ্নের পেছনে রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কাবাডির প্রতি অগাধ ভালোবাসা। প্রতিবেশীর বাড়ির টিভিতে বাংলাদেশের মেয়েরা ভারত ও ইরানের মতো শক্তিশালী দলকে হারানোর দৃশ্য দেখে তার হৃদয়ে এক নতুন উদ্বেগ জাগে। সেই দিন থেকেই তার মনে জন্ম নেয় এক প্রতিজ্ঞা—একদিন তিনি-ও জাতীয় দলের জার্সি গায়ে শক্ত প্রতিপক্ষদের হারাবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাশ্রতি ত্রিপুরা বান্দরবানের কচ্ছপতলী আলোর পাঠশালার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী, যিনি জাতীয় নারী কাবাডি দলের স্বপ্ন দেখছেন
- 📌 ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় আন্তস্কুল টুর্নামেন্টে সাশ্রতি সেরা খেলোয়াড়ের খেতাব পেয়েছেন
- 📌 পাহাড়ি দুর্গম অঞ্চলে মেয়েদের খেলাধুলা গ্রহণ করা হয় না, কিন্তু সাশ্রতির অদম্য ইচ্ছা ও শিক্ষকদের সমর্থন তাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে
- 📌 প্রতিবেশীর বাড়ির টিভি থেকে বাংলাদেশের মেয়েরা ভারত ও ইরানের মতো শক্তিশালী দলকে হারানোর দৃশ্য দেখে তার স্বপ্ন জন্ম নেয়
📰 বিস্তারিত
সাশ্রতির স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে তিনি প্রতিদিন স্কুলের সবুজ মাঠে শিক্ষকদের অনুপ্রেরণায় কাবাডি খেলেন। তার ছুটোছুটি ‘কাবাডি, কাবাডি’ বলে মাঠে মাঠে ঘুরে বেড়ানোর মাধ্যমে তিনি স্বপ্নপূরণের প্রথম সিঁড়ি অতিক্রম করছেন। পাহাড়ি অঞ্চলে সামাজিক বাধা থাকলেও তার অদম্য ইচ্ছা ও কচ্ছপতলী আলোর পাঠশালার শিক্ষকদের নিরবচ্ছিন্ন সমর্থন তাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আন্তস্কুল টুর্নামেন্টে সাশ্রতির সেরা খেলোয়াড় হওয়ার গৌরব অর্জন তার স্বপ্নের পথে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রত্যাশা, একদিন এই স্কুলের ইতিহাসে তার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। সাশ্রতির গম্ভীর প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মুখচ্ছবি বলে দেয় যে, তার চোখে লুকিয়ে আছে এক তীব্র জেদ—একদিন তিনি জাতীয় কাবাডি খেলোয়াড় হিসেবে দেশের গৌরব রক্ষা করবেন।
"প্রতিবেশীর বাড়ির টিভিতে বাংলাদেশের মেয়েরা ভারত ও ইরানের মতো শক্তিশালী দলকে হারানোর দৃশ্য দেখে আমার হৃদয়ে এক নতুন উদ্বেগ জাগে। সেই দিন থেকেই আমি মনে মনে শপথ নেয়াম—একদিন আমিও জাতীয় দলের জার্সি গায়ে শক্ত প্রতিপক্ষদের হারাবো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বান্দরবান, কচ্ছপতলী আলোর পাঠশালা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাশ্রতি ত্রিপুরা (অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!