📌 ঢাকার হাতিরঝিলে অনুষ্ঠিত টার্কিশ এয়ারলাইনস অ্যাকটিভপ্লাস ইন্টারন্যাশনাল হাফ-ম্যারাথন ২০২৬-এ অংশ নেওয়া এক ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন জীবনের প্রথম ম্যারাথনের আনন্দময় অভিজ্ঞতা। ১৪.৬৪ কিলোমিটার দৌড় শেষে তিনি নিজের স্ট্যামিনা বৃদ্ধির প্রতি আত্মবিশ্বাস পেয়েছেন
জীবনের প্রথম ম্যারাথনে অংশ নেওয়ার আনন্দময় অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন একজন ঢাকাবাসী। টার্কিশ এয়ারলাইনস আয়োজিত অ্যাকটিভপ্লাস ইন্টারন্যাশনাল হাফ-ম্যারাথন ২০২৬-এ অংশগ্রহণ করে তিনি জানিয়েছেন, হাতিরঝিলের রাস্তায় একসঙ্গে হাজার মানুষের সঙ্গে দৌড়ানো এক অনন্য অনুভূতি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৪.৬৪ কিলোমিটার দৌড়** শেষ করে জীবনের প্রথম ম্যারাথনে অংশ নেওয়া ব্যক্তি নিজের স্ট্যামিনা বৃদ্ধির প্রতি আত্মবিশ্বাস পেয়েছেন
- 📌 **হাতিরঝিলে** অনুষ্ঠিত ম্যারাথনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নারী-পুরুষের সমান উপস্থিতি ছিল
- 📌 **৭.২ কিলোমিটার, ১৪.৬৪ কিলোমিটার ও ২১ কিলোমিটার** তিনটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত ছিল রানাররা
- 📌 **দৌড়ের পথে** প্রত্যেক রানারের জন্য স্যালাইন, ইলেকট্রোলাইট, খেজুর, কলা ও লেবু-আদা ব্যবস্থা করা হয়েছিল
- 📌 **সহকর্মী শাকিব হাসান ও মাহাফুজার রহমান**ও এই ম্যারাথনে অংশগ্রহণ করেছিলেন
📰 বিস্তারিত
ঢাকা আসার পর থেকে একা একা হাঁটার অভ্যাস থাকলেও ম্যারাথনে অংশ নেওয়ার সুযোগ কখনো হয়নি লেখকের। কিন্তু সহকর্মী নাদিয়া নিতুল আপুর সহযোগিতায় টার্কিশ এয়ারলাইনসের আয়োজিত এই ম্যারাথনে অংশ নেওয়ার জন্য তিনি রেজিস্ট্রেশন করেন। ১২ থেকে ১৩ কিলোমিটার একা হেঁটে ফিরতেও অভ্যস্ত হলেও, হাজার মানুষের সঙ্গে একই রঙে একই রাস্তায় দৌড়ানোর আনন্দের কথা তিনি তুলে ধরেছেন।
রেজিস্ট্রেশন করার পর থেকেই তিনি উদ্দীপ্ত ছিলেন। "এই ব্যস্ত শহরে হাজার মানুষ একসঙ্গে দৌড়াব, এক রাস্তায় একই রকমের জামা পরে! ছোটবেলার ঈদের মতো আনন্দ লাগছিল," তিনি বলেছেন। সেই আনন্দ আরো বৃদ্ধি পায় যখন জানলেন সহকর্মী শাকিব হাসান ও মাহাফুজার রহমানও এই ম্যারাথনে অংশ নেবেন।
গত বুধবার অফিস শেষে তিনি ঢাকা এয়ারপোর্টের ক্রাউন প্লাজায় গিয়ে কিট সংগ্রহ করেন। সেখানে উপস্থিত রানারদের সিরিয়াল দেখে তিনি অনুভব করেন যে, একটা জমকালো আয়োজন হতে যাচ্ছে। লাল-কালো রংয়ের ব্যাগ, টুকটুকে লাল টি-শার্ট, সিরিয়াল ব্যাচ, বিস্কুট ও কেক নিয়ে তিনি ফিরে আসেন। শুক্রবার সকালে ভোর ৪টা ৫৫ মিনিটে তিনি গুলশানের পুলিশ প্লাজায় উপস্থিত হন।
হাতিরঝিলের এ প্রান্তরে লাল রংয়ের মেলার মতো দেখতে পেলেন রানারদের। তারা তিনটি দলে বিভক্ত ছিলেন: ৭.২ কিলোমিটার, ১৪.৬৪ কিলোমিটার ও ২১ কিলোমিটার দৌড়ের জন্য। তিনি নিজে ১৪.৬৪ কিলোমিটার ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন। প্রথম রাউন্ডে অনেক রানার থাকলেও দ্বিতীয় রাউন্ডে তাদের সংখ্যা ৭০ শতাংশ কমে যায়।
দৌড়ের পথে প্রত্যেক রানারের জন্য স্যালাইন, ইলেকট্রোলাইট ড্রিংক, খেজুর, কলা, লেবু ও আদার ব্যবস্থা ছিল। প্রায় সব বয়সী নারী-পুরুষের উপস্থিতি ছিল। তিনি বলেছেন, পুরো হাতিরঝিল প্রদক্ষিণ করার আত্মবিশ্বাস ও মানসিক দৃঢ়তা নিয়ে সবার একসঙ্গে হাঁটা এক অতুলনীয় অনুভূতি ছিল।
"দুইবার হাতিরঝিল ঘুরে নিজের স্ট্যামিনা ও সহনশীলতার প্রতি বিশ্বাস আরেকটু বেড়ে গেল। সিদ্ধান্ত নিলাম, নিজের প্রতি আরেকটু যত্নশীল হতে নিয়মিত ম্যারাথনে অংশ নেব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হাতিরঝিল, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেখক (অনন্য নাম উল্লেখ করা হয়নি), শাকিব হাসান, মাহাফুজার রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২-১৩ কিলোমিটার (একা হাঁটার অভ্যাস), ১৪.৬৪ কিলোমিটার (দৌড়ের দূরত্ব), ৭০% (দ্বিতীয় রাউন্ডে রানার সংখ্যা কমে গেছে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!