📌 গ্রেগরিয়ান সোসাইটি স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্যোগ নিচ্ছে। সেন্ট গ্রেগরি স্কুলের ঐতিহ্য ও ১৯২০-এর দশকের বাস্কেটবল সংরক্ষণ করে জাদুঘর তৈরির পরিকল্পনা করেছে। আব্দুর রহিমের নামে ফুটসাল টুর্নামেন্টের পাশাপাশি বাস্কেটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করে ঐতিহ্য বজায় রাখতে চায় সংগঠন
সেন্ট গ্রেগরি স্কুলের ঐতিহ্য ও খেলাধুলার স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য গ্রেগরিয়ান সোসাইটি একটি বড় প্রকল্প শুরু করেছে। এই ঐতিহ্যবাহী স্কুলের ১৪২ বছরের ইতিহাসের মধ্যে বাস্কেটবলের সূচনা থেকে শুরু করে জাতীয় দলের কোচ আব্দুর রহিমের অবদান পর্যন্ত স্মৃতি ধরে রাখতে সংগঠন জাদুঘর তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছে। নভেম্বর মাসের মধ্যে এই জাদুঘর সম্পন্ন করার লক্ষ্য রেখেছে সংগঠন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯২০-এর দশকের বাস্কেটবল সংরক্ষণ করে জাদুঘর তৈরির পরিকল্পনা গ্রেগরিয়ান সোসাইটির।
- 📌 আব্দুর রহিমের নামে প্রতি বছর ১২ দলের ফুটসাল টুর্নামেন্ট আয়োজন করে সংগঠন।
- 📌 সেন্ট গ্রেগরি স্কুলের ১৪২ বছরের ইতিহাসে নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, তাজউদ্দীন আহমদসহ বিখ্যাত ব্যক্তিবর্গের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
- 📌 ৭৫ বছর বয়সেও গ্রেগরিয়ান সত্তা তরতাজা রেখেছেন সাবেক ক্রিকেটার শাকিল কাসেম।
- 📌 ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে সেন্ট গ্রেগরির ছয়জন প্রাক্তন ছাত্র অংশগ্রহণ করেছিলেন।
📰 বিস্তারিত
সেন্ট গ্রেগরির সাবেক ছাত্রদের সংগঠন গ্রেগরিয়ান সোসাইটি এই মাসে ঢাকার সাগোপ্তার ডিবিওএক্স স্পোর্টস কমপ্লেক্সে স্মৃতিমেলা আয়োজন করেছে। এই অনুষ্ঠানে সেন্ট গ্রেগরির ঐতিহ্যের গল্প শোনান সাবেক ক্রিকেটার ও গ্রেগরিয়ান সোসাইটির সহসভাপতি শাকিল কাসেম। তিনি বলেছেন, ‘আমরা প্রতিবছর আব্দুর রহিম সাহেবের নামে ফুটসাল টুর্নামেন্ট করি। তিনি ছিলেন লার্জার দ্যান লাইফের ক্যারেক্টার। তিনি স্কুলে থাকতেই ঢাকা ওয়ান্ডারার্সে খেলেছেন, পরে পাকিস্তান জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন এবং বাংলাদেশ দলের কোচও ছিলেন।’
১৮৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত সেন্ট গ্রেগরি স্কুলের ইতিহাসে খেলাধুলার অবদান অপরিসীম। ১৯২৩ সালে উপমহাদেশে বাস্কেটবলের সূচনা হয়েছিল এই স্কুলেই। ১৯৭৭ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে সেন্ট গ্রেগরির ছয়জন প্রাক্তন ছাত্র অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন সৈয়দ আশরাফুল হক, ইউসুফ রহমান, রকিবুল হাসান, নাজমুন নূর রবিন, শাকিল কাসেম ও নজরুল কাদের লিন্টু।
গ্রেগরিয়ান সোসাইটির উদ্যোগে এই জাদুঘর তৈরি করা হবে যেখানে থাকবে ১৯২০-এর দশকের লেসওয়ালা বাস্কেটবল। শাকিল কাসেম বলেছেন, ‘এই জাদুঘর আমাদের স্মৃতিচিহ্ন। আমরা ভবিষ্যত ও বর্তমান প্রজন্মের জন্য এটি রেখে যেতে চাই। যেন তারা জানতে পারে, তারা কোথা থেকে এসেছে এবং অতীত থেকে অনুপ্রেরণা পায়।’
"খেলাধুলাই একমাত্র মাধ্যম, যেখানে কে কোন পটভূমি থেকে এসেছে, কে কী করেছে, সেটা বিবেচ্য নয়। এখানে সবাই একসঙ্গে হতে পারে। আমরা মূলত এই আয়োজনগুলো করি, যেন আমাদের ইতিহাসটা ভুলে যাওয়া না হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, সাগোপ্তার ডিবিওএক্স স্পোর্টস কমপ্লেক্স, মিরপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাকিল কাসেম, আব্দুর রহিম, ড. বদরুদ্দোজ্জা চৌধুরী, তাজউদ্দীন আহমদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪২ বছর (স্কুলের ইতিহাস), ১২ দলের ফুটসাল টুর্নামেন্ট, ৭৫ বছর বয়স (শাকিল কাসেম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!