📌 ক্রিকেটের কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কার আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে রেকর্ডের মানদণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি ফুটবলের মতো ‘ডিভিশন’ চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন, যেখানে সহযোগী দেশগুলোর রেকর্ডকে পৃথকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে
ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বাধিক সমালোচিত প্রশ্নের মধ্যে একটি হলো আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে সহযোগী দেশগুলোর অর্জিত রেকর্ডের মানদণ্ড। এই বিষয়ে সুনীল গাভাস্কার নতুন করে আলোচনা জাগিয়ে তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ফুটবলের মতো ‘ডিভিশন’ ব্যবস্থা চালু করা উচিত, যেখানে প্রতিটি দলের শক্তি স্তর অনুযায়ী রেকর্ড স্বীকৃত হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে সর্বনিম্ন ৭ রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড ১০ বার অর্জিত হয়েছে, সবগুলোই সহযোগী দেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে
- 📌 গাভাস্কার প্রস্তাব করেছেন, ফুটবলের মতো ‘ডিভিশন’ চালু করে সহযোগী ও পূর্ণ সদস্য দেশের রেকর্ড পৃথকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া যেতে পারে
- 📌 মঙ্গোলিয়া ১৩ রানে অলআউট হওয়ার ঘটনা ‘আন্তর্জাতিক’ রেকর্ড হিসেবে স্বীকৃত হলেও, এর মানদণ্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
- 📌 নেপালের দীপেন্দ্র সিংয়ের ৯ বলে ফিফটি রেকর্ডের স্বীকৃতি নিয়ে গাভাস্কার প্রশ্ন তুলেছেন: ‘কি এটিকে আন্তর্জাতিক রেকর্ড হিসেবে গণ্য করা উচিত?’
- 📌 ভারতের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট রঞ্জি ট্রফিতেও অনুরূপ ব্যবস্থা চালুর পরামর্শ দিয়েছেন গাভাস্কার
📰 বিস্তারিত
সুনীল গাভাস্কার ‘মিড-ডে’ পত্রিকায় প্রকাশিত একটি কলামে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের রেকর্ড ব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে সর্বনিম্ন ৭ রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড ১০ বার অর্জিত হয়েছে। কিন্তু এই সব রেকর্ডের প্রতিপক্ষ ও বোলাররা সবাই সহযোগী দেশের খেলোয়াড়। গাভাস্কার প্রশ্ন তুলেছেন, পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর রেকর্ডের সঙ্গে এসব রেকর্ডের তুলনা কি যুক্তিসঙ্গত?
গাভাস্কার বলেছেন, ফুটবলে বিভিন্ন স্তরের ‘ডিভিশন’ ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে প্রতিটি স্তরের রেকর্ড স্বতন্ত্রভাবে স্বীকৃত হয়। ক্রিকেটেও অনুরূপ ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে। তিনি উদাহরণ দিয়েছেন, মঙ্গোলিয়া ১৯৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৩ রানে অলআউট হয়েছিল। এই রেকর্ডের স্বীকৃতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কারণ এটিকে ‘আন্তর্জাতিক’ রেকর্ড হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলেও, এর মানদণ্ড নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
গাভাস্কার আরও উল্লেখ করেছেন, নেপালের দীপেন্দ্র সিংয়ের ৯ বলে ফিফটি রেকর্ডের স্বীকৃতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তিনি বলেছেন, নেপালের দ্রুত উন্নতি সত্ত্বেও, এসব রেকর্ডকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়ার আগে ন্যূনতম মানদণ্ড নির্ধারণ করা উচিত।
"কোনো দল যখন এত কম রানে অলআউট হয়, তখন আইসিসির উদীয়মান সহযোগী সদস্যদেশগুলোর একে অপরের মুখোমুখি হওয়ার ম্যাচগুলোতে বোলারদের পরিসংখ্যান অস্বাভাবিক রকম অবিশ্বাস্য হয়ে ওঠে। পূর্ণ সদস্যের দেশগুলো যখন একে অপরের মুখোমুখি হয়, তখনকার পরিসংখ্যানের সঙ্গে এসব এক করে দেখা কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত বা ন্যায়সংগত নয়।"
গাভাস্কার রঞ্জি ট্রফির ক্ষেত্রেও একই নিয়ম মেনে রেকর্ড বই পুনর্গঠনের পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দুর্বল প্লেট গ্রুপের ম্যাচগুলোতে হওয়া রেকর্ড যেন শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অর্জিত কীর্তিগুলোকে আড়াল করে না দেয়, সেদিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভারতে, সিঙ্গাপুর, নেপাল, থাইল্যান্ড, ইংল্যান্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুনীল গাভাস্কার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ রানে (অলআউট), ১০ বার (রেকর্ড), ১৩ রানে (অলআউট), ১৯৩ রান (লক্ষ্য), ৯ বলে (ফিফটি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!