📌 ফ্রান্সের নতুন কোচ জিনেদিন জিদানের নেতৃত্বে দলের প্রথম ম্যাচেই তুরস্কের বিপক্ষে জয় পায়। কিলিয়ান এমবাপ্পের একমাত্র গোলেই ফ্রান্স ১-০ জয়ী হয়, তবে ম্যাচের শেষে তিনি আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বদলি হিসেবে দেজিরে দুয়ে মাঠে নামেন
ফ্রান্সের নতুন কোচ জিনেদিন জিদানের নেতৃত্বে দলের প্রথম ম্যাচেই তুরস্কের বিপক্ষে জয় পায়। কিলিয়ান এমবাপ্পের একমাত্র গোলেই ফ্রান্স ১-০ জয়ী হয়, যা জিদান-যুগের সূচনা হিসেবে চিহ্নিত হবে। তবে ম্যাচের নাটকীয় মুহূর্তে এমবাপ্পে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বদলি হিসেবে দেজিরে দুয়ে মাঠে নামেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফ্রান্সের নতুন কোচ জিনেদিন জিদানের প্রথম ম্যাচেই তুরস্কের বিপক্ষে ১-০ জয় পায়
- 📌 কিলিয়ান এমবাপ্পের ৬৭তম আন্তর্জাতিক গোলে ফ্রান্স জয়ী হয়, তবে ৫৯ মিনিটে তিনি আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বদলি হিসেবে দেজিরে দুয়ে মাঠে নামেন
- 📌 তুরস্কের চাপের মুখে ফ্রান্সের রক্ষণকর্তারা মাইক মাইনিয়ঁ ও মাইকেল ওলিসেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন
- 📌 ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ব্র্যাডলি বারকোলার দ্রুত আক্রমণে তুরস্কের গোলরক্ষক চাকির লাল কার্ড দেখান
- 📌 জিদানের ৪-৩-৩ ছকে ফ্রান্সের খেলোয়াড়দের মানিয়ে নিতে সময় লাগল, বিশেষত এমবাপ্পের জন্য
📰 বিস্তারিত
১৪ বছর ধরে ফ্রান্সের জাতীয় দলের কোচের আসনে বসেছিলেন দিদিয়ের দেসচাম্পস। এবার সেই আসনে বসেছেন জিনেদিন জিদান। নতুন কোচের প্রথম ম্যাচেই ফ্রান্স তুরস্কের বিপক্ষে জয় পায়। তবে এই জয়ের পেছনে ছিল কিলিয়ান এমবাপ্পের একমাত্র গোল। ফ্রান্সের ৪-৩-৩ ছকে এমবাপ্পের অবস্থান ছিল বাঁ প্রান্তে, যেখানে তিনি দুই বছর ধরে খেলেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই তুরস্কের দু’জন ডিফেন্ডার, উসমান দেম্বেলে ও মাইকেল ওলিসেও, এমবাপ্পেকে ঘিরে রেখেছিলেন।
ম্যাচের শুরুতে তুরস্কের চাপ ছিল বেশ। চতুর্থ মিনিটে ইলমাজের শট ঠেকিয়ে দেন মাইক মাইনিয়ঁ। এরপর ২৮ মিনিটে কাদিয়োগ্লুর আরেকটি জোরালো শট পাখির মতো উড়ে রুখে দেন তিনি। তুরস্কের হাই-প্রেসিং ফুটবল থেকে বের হয়ে বল পায়ে রাখার প্রতিটি চেষ্টাতেই ফ্রান্সের খেলোয়াড়দের ঘাম ছুটে গেল। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ফ্রান্সের আক্রমণ শুরু হলো। ফাইনাল থার্ডে এমবাপ্পে ক্রমশ প্রভাব বিস্তার করতে লাগলেন, আর মাঝমাঠে রায়ান শেরকি নিজের মতো করে জায়গা খুঁজে নিয়ে কিছু ঝলক দেখালেন।
বিরতির ঠিক আগে ওলিসের চমৎকার শট রুখে দেন তুর্কি গোলরক্ষক চাকির। বিরতির পর তুরস্ক আবারও চড়াও হলো, কিন্তু ম্যাচের মীমাংসাটা তখনই হওয়ার ছিল। জুলস কুন্দে ও শেরকির সম্মিলিত প্রেসিংয়ে ডি-বক্সে বল পেয়ে যান ওলিসে। সেখান থেকে বাঁ প্রান্তে বল বাড়িয়ে দেন এমবাপ্পের কাছে। নিখুঁত শটে ফ্রান্সের অধিনায়ক ৬৭তম গোলটি তুলে নিলেন। তবে সেই আনন্দের স্থায়ীত্ব হলো মাত্র কয়েক পলক। বল জালে জড়ানোর মুহূর্তেই এমবাপ্পের মুখে ভেসে উঠল যন্ত্রণার ছাপ। তিনি ৫৯ মিনিটে খোঁড়াতে খোঁড়াতে মাঠ ছাড়তে হলো, বদলি হিসেবে নামলেন দেজিরে দুয়ে।
মাঠে নামার তিন মিনিটের মধ্যেই প্রতিপক্ষের পোস্টে ভীতি ছড়িয়ে নিজের উপস্থিতি জানান দিলেন দেজিরে দুয়ে। ফ্রান্স চাপ বজায় রাখল এবং ৬৯ মিনিটে কুন্দের শট পোস্টে লেগে ফিরে না এলে তিনি ক্যারিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক গোলটি পেতে পারতেন। এরপর ব্র্যাডলি বারকোলা নামার পর ফ্রান্সের আক্রমণের গতি বহুগুণ বেড়ে গেল। ম্যাচের শেষ মিনিট পর্যন্ত তুর্কি রক্ষণকে ব্যতিব্যস্ত রাখল তাঁর দ্রুত গতি।
ম্যাচের সবচেয়ে নাটকীয় মুহূর্তটি এল ৮৮ মিনিটে। বারকোলা বল নিয়ে একা ডিফেন্স ভেদ করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ডি-বক্সের বাইরে হাত দিয়ে বল আটকে লাল কার্ড দেখলেন চাকির। তবে সেই সুযোগ আর নিতে পারল না ফ্রান্সেরা।
"বল জালে জড়ানোর মুহূর্তেই এমবাপ্পের মুখে ভেসে উঠল যন্ত্রণার ছাপ"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফ্রান্স (তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কিলিয়ান এমবাপ্পে, জিনেদিন জিদান, মাইকেল ওলিসেও, মাইক মাইনিয়ঁ, ব্র্যাডলি বারকোলা, দেজিরে দুয়ে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১-০ (ফ্রান্সের জয়), ১৪ বছর (দিদিয়ের দেসচাম্পসের কোচিং), ৬৭ (এমবাপ্পের গোলের সংখ্যা), ৫৯ মিনিট (এমবাপ্পের আঘাত), ৮৮ মিনিট (লাল কার্ড)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!