📌 ফিফা উত্তর আমেরিকার ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রি থেকে প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকা আয় করেছে। কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় এটি পাঁচগুণ বেশি, যেখানে শুধু টিকিট বিক্রি থেকে ৫০০ কোটি ডলার (৪৮ হাজার কোটি টাকা) আয় হয়েছে। ফিফার মোট আয়ের বড় অংশ এসেছে টিকিট বিক্রি থেকে, যা পূর্বের প্রত্যাশার চেয়ে ২০০ কোটি ডলার বেশি।
ফুটবল বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রি থেকে ফিফা (FIFA) উত্তর আমেরিকার ২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজনে প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকা আয় করেছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত এই ৪৮ দলের বিশ্বকাপে টিকিট বিক্রি থেকে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফিফার তথ্য অনুযায়ী, টিকিট বিক্রি থেকে সংগৃহীত অর্থ কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় পাঁচগুণ বেশি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফিফা উত্তর আমেরিকার বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রি থেকে ৫০০ কোটি ডলার (৪৮ হাজার কোটি টাকা) আয় করেছে
- 📌 কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় টিকিট বিক্রি থেকে আয় পাঁচগুণ বেশি
- 📌 ফিফার মোট আয়ের পূর্বের প্রত্যাশা ছিল ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার (১ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা)
- 📌 টিকিটের দামের বাড়তি মূল্য এবং ৪৮ দলের অংশগ্রহণের কারণে আয় বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 ফাইনাল ম্যাচের টিকিটের সর্বনিম্ন দাম ছিল প্রায় ৪ লাখ টাকা
- 📌 টিকিটের উচ্চ মূল্য এবং বিতর্কের মধ্যেও ফিফা আয় বাড়াতে সক্ষম হয়েছে
📰 বিস্তারিত
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো পূর্বেই জানিয়েছিলেন যে, বিশ্বকাপ আয়োজনের মোট আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার। কিন্তু টিকিট বিক্রি থেকে সংগৃহীত অর্থের পরিমাণই ৫০০ কোটি ডলার (৪৮ হাজার কোটি টাকা) হয়ে গেছে, যা পূর্বের প্রত্যাশার চেয়ে ২০০ কোটি ডলার বেশি। ফিফার দাবি, এই আয় বৃদ্ধির পেছনে বিশ্বকাপের পরিসর বড় ভূমিকা রেখেছে। কাতারে ৩২ দল নিয়ে ৬৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল, কিন্তু উত্তর আমেরিকার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে ৪৮ দল। ম্যাচের সংখ্যা বেড়েছে ৪০টি। পাশাপাশি টিকিটের দামও ছিল তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে ফাইনাল ম্যাচের টিকিটের সর্বনিম্ন দাম ছিল ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চার লাখ টাকা।
বিশ্বকাপের আগে থেকেই টিকিটের উচ্চ মূল্য নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে অসন্তোষ ছিল। টুর্নামেন্টের শুরুতে কয়েকটি ম্যাচে গ্যালারি পূর্ণ না হওয়ার ঘটনাও দেখা গিয়েছিল। তবে সময়ের সাথে সাথে দর্শকসংখ্যা বেড়েছে। বিতর্ক ও সমালোচনার মধ্যেও শেষ পর্যন্ত টিকিট বিক্রি থেকে বিপুল অর্থ সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে ফিফা।
ফিফার তথ্য অনুযায়ী, টিকিট বিক্রি ছাড়াও অতিথিসেবা বা হসপিটালিটি খাত থেকেও আয় বেড়েছে। তবে এই খাতের হিসাব এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ফলে মোট আয়ের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।
"বিশ্বকাপের পরিসর বড় ভূমিকা রেখেছে আয় বৃদ্ধিতে। কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় ৪৮ দলের অংশগ্রহণ এবং ম্যাচের সংখ্যা বেড়েছে, যা টিকিট বিক্রির আয় বাড়িয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জিয়ান্নি ইনফান্তিনো (ফিফা সভাপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৮ হাজার কোটি টাকা (টিকিট বিক্রি), ৫০০ কোটি ডলার, ৪৮ দল, ৪০টি ম্যাচ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!